খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন বগুড়া, প্রজ্ঞাপন জারি

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন বগুড়া, প্রজ্ঞাপন জারি

বগুড়া পৌরসভা ও এর আশেপাশের সম্প্রসারিত এলাকা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হলো ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’। এটি বাংলাদেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন। নতুন এই সিটি করপোরেশনে মোট ২১টি ওয়ার্ড রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা পরবর্তীতে সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

আলাদা একটি প্রজ্ঞাপনে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের প্রথম তফসিল সংশোধন করে ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’ নামটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, গত ৭ মে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-র বৈঠকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠনের এই প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন করেন।

নতুন এই সিটি করপোরেশনের চারপাশের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, পূর্বে : বগুড়া সদরের ২ নম্বর সাবগ্রাম ইউনিয়ন, ৫ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়ন এবং শাহজাহানপুর উপজেলার ২ নম্বর মাদলা ইউনিয়ন। পশ্চিমে : বগুড়া সদরের ১ নম্বর ফাঁপড় ইউনিয়ন এবং ৪ নম্বর এরুলিয়া ইউনিয়ন। উত্তর : ৩ নম্বর নিশিন্দারা ইউনিয়ন, ৫ নম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের অংশ এবং ৬ নম্বর শাখারিয়া ইউনিয়ন (সবগুলো বগুড়া সদর)। দক্ষিণে : শাহজাহানপুর উপজেলার ১ নম্বর আশেকপুর ইউনিয়ন, ২ নম্বর মাদলা ইউনিয়ন এবং ৩ নম্বর মাঝিড়া ইউনিয়ন।প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী বিদ্যমান বগুড়া পৌরসভা ও এর সংলগ্ন সম্প্রসারিত এলাকার সমন্বয়ে এই সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইন অনুযায়ী স্থানীয় জনগণের মতামত যাচাইয়ের জন্য বগুড়ার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) গণবিজ্ঞপ্তি জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা প্রশাসক নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় জনসাধারণের ইতিবাচক মতামত সংবলিত একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সরকার বগুড়া সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

কালের আলো/এসআইপি

সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে নতুন উচ্চতায় নিতে বর্তমান সরকার ইনডোর ও আউটডোর সব ধরনের খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীতে ‘প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লীগ-২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ দু-একটি খেলার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও বর্তমান সরকার সব খেলাকে সমানভাবে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ২৮টি ফেডারেশনের ৩০০ জন খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা হারে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গত মে মাস থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচিতে ব্যাডমিন্টনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ শাটলার তৈরি সম্ভব হবে।

দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণকাজ শুরু হবে। এসব ভিলেজে আধুনিক ইনডোর স্টেডিয়ামের সুবিধাও থাকবে।

এ সময় ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম দ্রুত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি মানসম্মত প্রশিক্ষণের জন্য দুই বছরের মেয়াদে বিদেশি কোচ নিয়োগের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ফেডারেশনকে আহ্বান জানান তিনি।

যুব সমাজকে মাদক ও অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাই পারে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক জাতি গড়ে তুলতে।

ব্যাডমিন্টন লীগের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী নিকটস্থ রোলার স্কেটিং গ্রাউন্ডে ‘স্বাধীনতা দিবস বয়সভিত্তিক রোলার স্কেটিং হিট-২০২৬’ এরও উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেন সৈয়দ অমি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে মঞ্চ মাতাবেন সৈয়দ অমি

আগামী ১৬ মে খাল খননসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনে চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতিতে এখন সরগরম উয়ারুক জনপদ। অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনারও।

জানা গেছে, এদিন সকাল থেকেই অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন দেশবরেণ্য বাউলশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ অমি।

এমন আয়োজনের অংশ হতে পেরে আনন্দিত সৈয়দ অমি। তিনি বলেন, ‘এমন দারুণ একটি উদ্যোগের সঙ্গী হতে পেরে নিজের কাছে ভীষণ ভালো লাগছে। নব্বই দশকের জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি। তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে গাইব, এটাও অন্যরকম ভালো লাগা। সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ আমাকে এই আয়োজনে অতিথি করার জন্য।’

দেশের এ সময়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সৈয়দ অমি। এ গায়ক ইতিমধ্যে ফোক ও আধুনিক ঘরানার গান করে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর গাওয়া ‘দুই চাকার সাইকেল’ গানটি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। শুধু দেশেই নয়, এপার বাংলা পেরিয়ে ওপার বাংলার দর্শক, প্রযোজক ও নির্মাতাদের মন ছুঁয়েছে অমির গান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আরো আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও দর্শনার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে পশুপাখির নিরাপদ আবাস, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি চিড়িয়াখানার সার্বিক পরিবেশ, পশুপাখির পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, খাদ্য সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় চিড়িয়াখানা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও শিক্ষা কেন্দ্র। তাই পশুপাখির জন্য প্রাকৃতিক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, চিড়িয়াখানাকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও পশুপাখির কল্যাণ নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ