খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

‘রক্তপাতহীন’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগুলোর সহযোগিতা চান সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
‘রক্তপাতহীন’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলগুলোর সহযোগিতা চান সিইসি

‘রক্তপাতহীন’ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অতীতে দেখা গেছে নির্বাচন ঘিরে অনেক মার্ডার হয়। একই পরিবারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, খুব স্বল্প ব্যবধানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।

সিইসি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে আসছে। প্রয়োজনীয় আইন-বিধি সংস্কার করা হচ্ছে। এরই মধ্যে দুটি রাজনৈতিক দলের নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া যে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্ভব হয় না।

‘আমরাও দলগুলোর সহযোগিতা চাই। প্রয়োজনে আপনারা নিজেরা নিজেরা বসুন। একটা ফয়সালায় আসুন। আমরা রক্তপাত দেখতে চাই না। রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাই’—রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেন তিনি।

একই সঙ্গে নির্দলীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সিইসি।

সোমবার (১৮ মে) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করায় অন্তর্বর্তী সরকারের পূর্ণ সহায়তার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, শুধু একটি নির্বাচন নয়, সব ধরনের নির্বাচনই ভালো করতে হবে। ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, এক নির্বাচন ভালো হলো, এর মানে এই নয় যে বাংলাদেশের নির্বাচন সবসময় ভালো হবে। আমরা ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করতে চাই। এজন্য দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে বসতে হবে। আমরা চাই, সত্যিকার অর্থে শতভাগ ভালো একটি স্থানীয় নির্বাচন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বর্শা নিয়ে মারামারির প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, সেখানে টেঁটা নিয়ে দুই পাড়ায় মারামারি হয়। এখন দুই পাড়ায় যদি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকে তাহলে কী হবে, কারবালা হয়ে যাবে। এ ধরনের সিচুয়েশনে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করা উচিত। স্থানীয় নির্বাচনে কোনো ধরনের ঝামেলায় যাবো না।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পার্টি সিম্বল (দলীয় প্রতীক) ব্যবহার না হলেও গণমাধ্যমে দেখছি বিভিন্ন দল থেকে অলরেডি মনোনয়ননের ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। এটা আমার জন্য চিন্তার, আমার কপালে ভাঁজ পড়েছে। যদি ইন্ডিপেডেন্ট হয়ে যেতো পার্টির মালিকানা থাকতো না, ওনারশিপ থাকতো না, দলে দলে গোলমাল হতো না। এজন্য মনে করি, দলগুলোর উচিত হবে নিজেরা বসে ফয়সালা করা; আমাদের সহায়তা থাকবে।

এ বছরের শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টারা আভাস দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে সিইসি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন কবে হবে এখনো ফাইনাল হয়নি। নির্বাচন যেহেতু দলীয় প্রতীকে হবে না, আমাদের কিছু বিধিবিধান সংস্কার করতে হবে। এ নিয়ে কাজ শেষ করে আমরা সরকারের সঙ্গে বসবো। এর জন্য সময় লাগবে।

এ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেস চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আরএফইডি সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলার নেতৃত্বাধীন ১ মার্চ নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এ অনুষ্ঠানে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

তিস্তাসহ বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
তিস্তাসহ বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইং-এর এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই ঐকমত্য হয়।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বাংলাদেশে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানিসম্পদের যথাযথ ব্যবহারের লক্ষ্যে চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশের নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-নেভিগেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে চীনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীন সরকারের কারিগরি সহায়তা প্রত্যাশা করেন। জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইং ইতিবাচক সাড়া দেন এবং বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দেশটির সরকারের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি বলেন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।

২০০৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (MoU) এবং গত বছর চীনের পানি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে লি গোওইং বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারে। এই খাতের দক্ষতা উন্নয়নে তিনি বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণের আহ্বান জানান।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প : ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার, আহত ৭০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প : ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার, আহত ৭০০

দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ এক বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে দিকে ৭ দশমিক ২ এবং ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে ভেনেজুয়েলায়। দুই ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড ছিল বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ইউএসজিএস।

প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগুয়েজ ইতোমধ্যে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের জিওলোকেশন করা একাধিক ভিডিওতে ভেনিজুয়েলা জুড়ে ভবন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যার মধ্যে রাজধানী কারাকাস এবং উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মারও রয়েছে। সেখানে একটি পাহাড়ের ঢালে বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়তে দেখা গেছে। বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, আতঙ্কিত বাসিন্দারা তাদের প্রিয়জন ও পোষা প্রাণীসহ ভবনগুলো থেকে বেরিয়ে এসে রাস্তায় জড়ো হচ্ছেন।

ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল ছিল এ ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল বা এপিসেন্টার। ওই অঞ্চলে দেশটির বেশ কয়েকটি তেল শোধানারগার আছে।

বুধবার ছিল দেশটিতে সরকারি ছুটির দিন। স্পেনের এক সময়ের উপনিবেশ ভেনেজুয়েলায় প্রতি বছরের ২৪ জুনে সেইন্ট জন ব্যাপটিস্টের জন্মদিবস এবং জাতীয় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়। ছুটি থাকায় এ দিনে অধিকাংশ লোকজন নিজেদের কিংবা বন্ধু-স্বজনদের বাড়িতে সময় কাটায়।

মার্কিন ভূতত্ত্ব জরিপ ও গবেষণা সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) তার জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং দুর্যোগ সামনে আরও ব্যাপক আকার নেবে।

ভেনেজুয়েলার অধিকাংশ ভবন ও বাড়িঘর ভূমিকম্প সহনশীল প্রযুক্তি অনুসরণে তৈরি করা হয়নি। দেশটির যোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী কারাকাস সহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ভবন-বাড়িঘর ধসে পড়েছে কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরও বহুসংখ্যক ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকার কারণে দেশজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

রাজধানী কারাকাসের বহু এলাকা এবং ভেনেজুয়েলার অনেক গ্রাম-শহর ভূমিকম্পের পর থেকে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছে। কারাকাসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে পারলে শুধু নিজেরা নয়, বাংলাদেশ একটি গর্বিত জাতি হিসেবে উপনীত হবে। আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণী মানুষদের যথাযথ সম্মান দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে দৈনিক ইত্তেফাক ও দিনকালের সাবেক সম্পাদক আখতার উল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।

আখতার উল আলমের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, এমন একটি সময় ছিল যখন সত্য কথা লিখতে সাংবাদিকদের জন্য নিজ নামে লেখা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সে কারণে আখতার উল আলম ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লিখতেন। ‘লুব্ধক’ শুধু একটি ছদ্মনাম নয়, এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি কৌশল। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে লিখতেন। তার লেখায় উদারচেতা বাস্তবতার প্রতিফলন ছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, কূটনীতি ও বৈদেশিক অর্থনীতি নিয়েও তিনি নিয়মিত লিখতেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দিও হতে হয়েছিল। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষে একজন দৃঢ় অবস্থানের মানুষ। সেই সময়ে অনেকে প্রতিবাদের সাহস দেখাতে পারেনি।

সাংবাদিকতার বাইরেও ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আখতার উল আলমকে বাহরাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, তিনি সফলতার সঙ্গে ওই দায়িত্ব পালন করেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া আক্তারুল আলম পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কূটনীতির জগতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যারা অবদান রেখেছেন, সেসব বরেণ্য অনেক মানুষকে স্মরণ করা হয় না বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ।

তিনি বলেন, তাদেরকে মর্যাদা দিয়ে স্মরণ করা উচিত। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্মরণ করি না। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্য কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান হয়? শুধু টেলিভিশন-সংবাদ পত্রে বিবৃতি দেওয়া হয়। যে জাতি তার বীর ও পথপ্রদশর্কদের স্মরণ করতে পারে না সেই জাতি সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে আগামীর পথে এগোতে পারে না।

সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মহৎ পুরুষ, অগ্রগামী মানুষ তাদের ইতিহাস, তাদের কাজ-সংগ্রাম যেন ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বরেণ্য মানুষদের স্মরণ করার জন্য একটা সংগঠন করার দাবিও জানান তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভাণ্ডার গঠনের প্রস্তাব দাবি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের কৃতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।

কালের আলো/এসআর/এএএন