খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বগুড়া ও রাজশাহীর জয়জয়কার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ
রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বগুড়া ও রাজশাহীর জয়জয়কার

রাজশাহীতে নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আঞ্চলিক পর্যায়ের ১২-১৪ বছরের শিশু কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় কাবাডি বালক ও বালিকা উভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রাজশাহী জেলা। কাবাডি বালক বিভাগে রানার্সআপ হয়েছে বগুড়া জেলা এবং কাবাডি বালিকা বিভাগে রানার্সআপ হয়েছে জয়পুরহাট জেলা। ক্রিকেট বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় বগুড়া জেলা ও রানার্সআপ হয় রাজশাহী জেলা। ক্রিকেট বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় বগুড়া জেলা এবং রানার্সআপ হয় সিরাজগঞ্জ জেলা। ফুটবল বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় বগুড়া জেলা ও রানার্সআপ হয় রাজশাহী জেলা। অপরদিকে ফুটবল বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় নওগাঁ জেলা এবং রানার্সআপ হয় বগুড়া জেলা।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস যৌথভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

গ্যালারিতে ছিল অভিভাবক, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। জাতীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন এবং বর্ণিল সাজসজ্জায় পুরো স্টেডিয়াম প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।

তিনি বলেন, খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ শেখায়। নতুন প্রজন্মকে সুস্থ ও মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তিনি শিশু-কিশোরদের নিয়মিত খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়া ও নৈতিক শিক্ষার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাইমুল হাছান।

এছাড়াও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সবুর আলী, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন,রাজচাহী জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

জ্ঞান ও বিজ্ঞানই সবচেয়ে বড় শক্তি: প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
জ্ঞান ও বিজ্ঞানই সবচেয়ে বড় শক্তি: প্রিন্স

Oplus_131072

ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে জ্ঞান ও বিজ্ঞানই সবচেয়ে বড় শক্তি এবং উন্নয়নের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। যে দেশ গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যায়, সেই দেশই বিশ্ব নেতৃত্ব দেয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জন কেনেডি জাম্বিল।

এ সময় প্রিন্স বলেন, জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের আগ্রহ সৃষ্টি করা। বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আজ একে অপরের পরিপূরক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), বিগ ডাটা ও বায়োটেকনোলজির যুগে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞান শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয়, প্রযুক্তির উদ্ভাবক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে খুদে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা ও উদ্ভাবনী প্রকল্পে সহযোগিতা প্রদানের ঘোষণা দেন।

প্রিন্স আরও বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গঠনে বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই। নিজেদের মেধা ও গবেষণার মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে বিশ্বকে পথ দেখানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

তরুণ শিক্ষার্থী ও খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের কৌতূহল, স্বপ্ন ও উদ্ভাবনী চিন্তাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে এবং নতুন কিছু আবিষ্কারের সাহস রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক ড. মফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন্নাহার এবং বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. প্রদীপ কুমার সাহা।

এ ছাড়া খুদে বিজ্ঞানী ও তরুণ গবেষকরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিরা বিজ্ঞান মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রকল্পগুলোর সম্ভাবনা ও বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে মতবিনিময় করেন।

কালের আলো/এসএকে

ডা. শফিকুর রহমান

সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই কার্যকর হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই কার্যকর হবে না

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে কোনো সরকারের দেওয়া বাজেটই কার্যকর হবে না। জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘জনমুখী বাজেট ২০২৬-২০২৭ প্রস্তাবনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা দেশকে ভালোবাসি বলেই জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনের আলোকে কেমন বাজেট হওয়া উচিত, সে বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা জনগণের সামনে তুলে ধরছি। এটি কোনো চূড়ান্ত বাজেট নয়, বরং বাজেটের পূর্বধারণা বা প্রস্তাবনা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, বৈষম্যহীন সমাজ ও অর্থনৈতিক মুক্তির প্রত্যাশা করে আসছে। কিন্তু বারবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেগুলোর অনেকটাই বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে জনগণ হতাশ হয়েছে এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশায় বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংকিং খাত, বীমা ও বিভিন্ন কর্পোরেশনে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের কারণে অর্থনীতির ভিত্তি দুর্বল হচ্ছে। ইতোমধ্যে পুঁজিবাজার সংকটে রয়েছে, আর ব্যাংকিং খাতও ঝুঁকির মুখে পড়লে দেশের অর্থনীতি আরও বড় বিপদের সম্মুখীন হবে।

বাজেট প্রস্তাবনার লক্ষ্য সম্পর্কে জামায়াত আমির বলেন, এটি কোনো দলীয় বাজেট নয়; দেশের ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় রেখেই প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার চাইলে এখান থেকে ইতিবাচক বিষয় গ্রহণ করতে পারে। তবে এর বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হলো সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থবছর নির্ধারণ করা হলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তাড়াহুড়া কমবে এবং বছরের শেষ দিকে এডিপি ব্যয়ের নামে অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও হ্রাস পাবে।

সম্পূরক বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ মুহূর্তে সম্পূরক বাজেট উপস্থাপন করলে সংসদীয় পর্যালোচনার কার্যকারিতা কমে যায়। বরং নিয়ম অনুযায়ী আগেই তা সংসদে আনা হলে জনগণের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জামায়াত আমির বলেন, বর্তমান কর আদায় ব্যবস্থায় নানা ধরনের অনিয়ম ও হয়রানি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অনেক সময় কর দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়েন। কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে রাজস্ব আয় বাড়বে এবং ব্যবসায়ীরাও আরও উৎসাহ নিয়ে কর প্রদান করবেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের জন্য একটি জনবান্ধব বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করাই আমাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে জনগণের মতামত ও সমালোচনাকে স্বাগত জানানো হবে। কারণ গঠনমূলক সমালোচনার মধ্য দিয়েই আরও উন্নত ও কার্যকর নীতি প্রণয়ন সম্ভব। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে মিলেমিশে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিচারিক আদালত থেকে এ নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এর আগে রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হবে।

একইসঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে।

এ ছাড়া আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনি উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে।

জরিমানা অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট কালেক্টরেট অফিসকে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রির মাধ্যমে ওই অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায় এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ২৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন এবং একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২১ মে আসামি সোহেল রানা ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ভিকটিম রামিসার বাবা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করতেন। রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

কালের আলো/এসআর/এএএন