খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে ৫ সিনেমার লড়াই

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে ৫ সিনেমার লড়াই

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। আর মাত্র দিন কয়েক পরেই ঈদুল আজহা। এ সময় উৎসবের আনন্দে আলাদা মাত্রা যোগ করে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন। দিন কয়েক আগেও দু-একটা ছাড়া আর কোনো সিনেমার খোঁজ ছিল না বললেই চলে। তবে শেষ মুহূর্তে এসে একে একে তালিকাভুক্ত হতে শুরু করেছে নতুন সব সিনেমা, প্রকাশ পাচ্ছে পোস্টার, টিজার ও ট্রেলার। এখন পর্যন্ত পাঁচটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে এখন এবার ঈদের সিনেমার পাল্লা খানিকটা ভারী। শুরুতে দর্শক ও সিনেপ্রেমীরা হতাশ থাকলেও এখন তাদের মনে কিছুটা স্বস্তি। সামাজিক মাধ্যমে আসন্ন নতুন সিনেমাগুলোর লুক, দৃশ্য ও তারকাদের নিয়ে চলছে সবিস্তর আলোচনা। তবে এবার প্রেক্ষাগৃহে আদতে কতগুলো সিনেমা দেখতে পাবেন দর্শক, তা নিয়েই এখনও কিছুটা রয়েছে কৌতূহল।

রকস্টার

ঈদের আনন্দ বাড়াতে বড় পর্দায় ঝড় তুলতে আসছে মেগাস্টার শাকিব খানের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রকস্টার’। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আজমান রুশো পরিচালিত এবং সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত এই সিনেমাটি মুক্তিতে নেই কোনো বাধা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ‘ইউ’ (U) সার্টিফিকেট পেয়েছে এটি। পোশটার-টিজার প্রকাশের পর এখন চলছে শেষ সময়ের প্রচারণা। জানা গেছে, এক রকস্টারের উত্থান-পতনের গল্প এখানে ফুটে উঠবে। এই সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে গ্ল্যামারের ঝলক দেখিয়েছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক। এই মুহূর্তে ঈদের সিনেমার ভিড়ে সবচেয়ে আলোচনায় আছে ‘রকস্টার’।

মালিক

ঈদে মুক্তির দৌড়ে সমানে পাল্লা দিচ্ছে অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা ‘মালিক’। সাইফ চন্দন পরিচালিত এই সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন আরেফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম। এই সিনেমাটির সদ্য প্রকাশিত দুটি পোস্টার ও অফিসিয়াল ট্রেলার দর্শকদের মাঝে বেশ সাড়া তুলেছে। ট্রেলারে ক্ষমতা ও আধিপত্যের লড়াইয়ের নানা ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মায়ের সম্মান ও অধিকার রক্ষার লড়াই করতে গিয়ে অপরাধ জগতের ক্ষমতাধর ব্যক্তি হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে নির্মিত এই সিনেমায় অ্যাকশনের পাশাপাশি রয়েছে দারুণ আবেগ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন।

রইদ

‘হাওয়া’ খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ সিনেমাটি নিয়েও দর্শকদের মাঝে প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নাজিফা তুষি, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েত ও আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ অভিনীত এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হওয়ার পর এবার দেশের দর্শকদের সামনে আসছে। সাধু ও তার মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীর জীবনসংগ্রাম নিয়ে তৈরি হয়েছে এর গল্প। ট্রেলারের পাশাপাশি সিনেমাটির ‘রইদে আইলা গা জুড়াইতে’, ‘মন ছাড়া কি’ এবং ‘রহে না’ শিরোনামের তিনটি গান প্রকাশের পর থেকে বিভিন্ন কনসার্ট ও প্রচারণায় বেশ সরব রয়েছে পুরো টিম।

বনলতা সেন

কয়েক দফা মুক্তি পেছানোর পর অবশেষে বড় পর্দায় আসছে কবি জীবনানন্দ দাশের কালজয়ী কবিতার সেই রহস্যময় নারী ‘বনলতা সেন’। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত এই সিনেমায় জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার এবং বনলতা সেন হিসেবে দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় ফিরছেন মাসুমা রহমান নাবিলা। সিনেমাটির অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন সোহেল মণ্ডল, নাজিবা বাশার, প্রিয়ন্তী উর্বী প্রমুখ।

মাসুদ রানা

সৈকত নাসির পরিচালিত ‘মাসুদ রানা’ নিয়ে দর্শকদের প্রবল কৌতূহল রয়েছে। সেবা প্রকাশনীর জনপ্রিয় বইয়ের আদলে প্রকাশ হয়েছে সিনেমাটির প্রথম পোস্টার এবং ‘মাসুদ রানা গান রিলোড’ শিরোনামের একটি টিজার। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন রাসেল রানা, পূজা চেরি ও সৈয়দা তিথি অমনি।

এই বিগ বাজেটের সিনেমাগুলো ছাড়াও ঈদে ‘নাকফুলের কাব্য’, ‘পিনিক’, ‘তছনছ’, ‘অফিসার’ এবং ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ সিনেমাগুলো মুক্তির কথা শোনা যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত কতগুলো সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে নিজেদের জায়গা পাকাপোক্ত করতে পারবে, তা দেখার জন্যই এখন প্রহর গুনছেন দর্শকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ

রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৯ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ইসকাফ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে বিশেষ মাদকবিরোধী টিম, মতিহার থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ টিম মঙ্গলবার রাতে এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মতিহার থানার সাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল হকের ছেলে সাগর আলী, মোয়াজ্জেম আলীর ছেলে রাজিব আলী এবং মৃত সাঈদের ছেলে শিহাব আলী। এ মামলার পলাতক আসামি হলেন মতিহার থানাধীন চরসাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোজাহার আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম এবং ইব্রাহিম আলী।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মতিহার থানার জাহাজঘাট-দাশমারী এলাকা থেকে সাগর আলীকে এবং চরসাতবাড়িয়া এলাকা থেকে রাজিব আলী ও শিহাব আলীকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক দুই আসামির বাড়িতে অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তার আসামিদের দেহ তল্লাশি এবং পলাতক আসামিদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪৯ বোতল ভারতীয় ইসকাফ সিরাপ ও তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আরএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি

অনিয়মিত পথে ইউরোপ যেতে ইচ্ছুক ১৭০ বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে ঢাকায় ফিরেছেন। বুধবার (২৪ জুন) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটযোগে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বেনগাজীস্থ গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার এবং ত্রিপোলিস্থ তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন এই ১৭০ বাংলাদেশি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লিবিয়ায় বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি শুভেন্দু 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি শুভেন্দু 

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও জানান, রাজ্যের ১২টি হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১ হাজার ৮০০ জন বহিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজ্য বিধানসভায় দেওয়া বক্তৃতায় এই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।

তিনি বলেন, ‘ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সহায়তায় এখন পর্যন্ত ১০ হাজার অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১ হাজার ৮০০ জন অবস্থান করছেন এবং পর্যায়ক্রমে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। আমরা প্রতিদিন অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছি।’

জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে এ বিষয়ে ভারতীয় নাগরিকদের (যাদের ভোটার আইডি, আধার কার্ড ও অন্যান্য বৈধ নথি রয়েছে) উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন শুভেন্দু।

তিনি বলেন, ‘দেশের নাগরিকদের, তারা যে ধর্মেরই হোন না কেন, চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনেই রাজ্য সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে কারণ এর সঙ্গে সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নটি জড়িত।’

যারা স্বেচ্ছায় ভারত ছাড়তে চান, হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই বলেও জানান তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘ইতিমধ্যেই অনেক অভিবাসী হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে দেশ ছেড়েছেন। যারা স্বেচ্ছায় যেতে চান, তারা যেতে পারেন।’

বিজেপি সরকারের এই মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তার সরকার বাংলাদেশ সীমান্তে তারের বেড়া নির্মাণের জন্য এ পর্যন্ত বিএসএফকে ১৪২ একর জমি হস্তান্তর করেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, মাত্র দেড় মাস আগেই পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটে ক্ষমতায় এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হিন্দুবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধীকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের চালু করা “শনাক্ত করো, নির্মূল করো এবং নির্বাসন” নীতির অংশ হিসেবে নথিপত্রহীন মুসলিমদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্তে পুশইন ব্যাপক হারে বেড়েছে, যা দুই দেশের সীমান্ত জুড়ে গভীর ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

মূলত, বিজেপি সরকার রাজ্যের নথিপত্রহীন মুসলিম অভিবাসীদের খুঁজে বের করতে কঠোর অভিযানের নির্দেশ দিয়েছে। এই অভিযানটি শুধু বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যেই নয়, পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় মুসলমানদের একাংশের মধ্যেও এই আশঙ্কা জাগিয়েছে যে, তারাও এমন একটি অভিযানের শিকার হতে পারেন, যে অভিযানটি তার লক্ষ্যবস্তুদের আইনি মর্যাদার পাশাপাশি তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের পরিচয়ের ভিত্তিতেও সমানভাবে পরিচালিত বলে সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে।

এদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো ভারতের এই পদক্ষেপকে “সম্পূর্ণ অনৈতিক” বলে আখ্যা দিয়েছে।

মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, বিজেপির এই নিপীড়ন, সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ একটি দেশকে জাতিগত হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে দেশটির ২০ কোটি মুসলমানকে প্রান্তিকীকরণ ও নিপীড়নের বৃহত্তর নীতিরই অংশ।

বিশ্বের অন্যতম মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।

এই নির্বাসনকে ‘অবৈধ’ আখ্যা ‍দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যাদের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই, সেইসব আটককৃতদেরও আইনি প্রতিনিধিত্বের সুযোগ দেওয়া উচিত, যাতে কোনো ভারতীয় নাগরিককে অন্যায়ভাবে দেশ থেকে বহিষ্কার করা না হয়।’

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ