খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম।

গ্রাহকদের এই কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। প্রস্তুতে রয়েছে জলকামান ও সাঁজোয়া যান।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে কয়েক শত সচেতন গ্রাহক অংশগ্রহণ করেছেন।

আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে তারা নিয়োগ বাতিল, ব্যাংকের পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সাবেক এমডিকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন।

মানববন্ধন থেকে আব্দুল হান্নান খন্দকার নামে একজন গ্রাহক বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে গ্রাহকদের আমানত সংরক্ষণ করে আসছে এবং সুদমুক্তভাবে এই ব্যাংকটি বাংলাদেশে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিগত স্বৈরাচারী সরকার এই ব্যাংকটিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে এস আলম গ্রুপকে এর দায়িত্ব দেয়। তারা এই ব্যাংকের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করে ব্যাংকটিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে এসেছিল।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে যখন নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন ইসলামপ্রিয় এবং স্বচ্ছ অর্থব্যবস্থায় বিশ্বাসী মানুষরা তাদের যা কিছু আছে তা নিয়ে পুনরায় ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ব্যাংকটি যখন আবার তার আগের অবস্থানে ফেরার চেষ্টা করছে এবং নিজের শক্তিতে ব্যাংকিং পরিচালনা করছে, ঠিক তখনই একটি কুচক্রী মহল ব্যাংকটিকে আবারও ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই গ্রাহক আরও বলেন, খুরশিদ আলমকে এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান করে আবারও ব্যাংকটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষ এবং আমানতকারীরা এই ব্যাংককে আর লুণ্ঠনকারীদের হাতে ছেড়ে দেবে না।

এই ব্যাংকে প্রবাসীদের আস্থা রয়েছে এবং তারা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ব্যাংকটিকে সচল রাখবেন। সকল আমানতকারীকে তাদের আমানত ইসলামী ব্যাংকে রেখে একে আগের মতো সফল করার এবং পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আবুল খায়ের আজাদ নামে আরেকজন গ্রাহক বলেন, গতকাল আমাদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে বিনা উসকানিতে পুলিশের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ অত্যন্ত সুকৌশলে ইসলামী ব্যাংক দখল করেছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান (খুরশীদ আলম), যিনি জুলাই বিপ্লবের সময় পালিয়ে গিয়েছিলেন, তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ফ্যাসিস্টের দোসর। আমরা অবিলম্বে তার পদত্যাগ চাই।

এই গ্রাহক বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর এবং ডেপুটি গভর্নরদের সহযোগিতায় এই অর্থ পাচার হয়েছে এবং তারা এই টাকার ভাগীদার ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে গতকাল এমডির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া ওমর ফারুক একজন গ্রাহক বান্ধব অফিসার। তাকে অবিলম্বে স্বপদে বহাল করার দাবি জানান তিনি।

ইসলামী ব্যাংক একটি শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক এবং এই ব্যাংকে তিন কোটি গ্রাহকের আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ব্যাংকের মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে ব্যাংকটিকে মুক্ত করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক ও কর্মীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

আন্দোলনের মুখে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা স্থগিত, সম্ভব হয়নি অনলাইনেও

ইসলামী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা

ইসলামী ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান-টিয়ারগ্যাস

এর আগে গতকাল (সোমবার) ১ জুন সকালে একই স্থানে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন করে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। পরে সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বিজয়ী হওয়ায় খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিজয়ী হওয়ায় খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাত সোয়া ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিনন্দন জানান।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর পোস্টে বলেন, এ অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খলিলুর রহমান ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব গর্বের সঙ্গে করবেন এবং বহুপাক্ষিক ইস্যুতে সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

নতুন এই দায়িত্ব পালনে তাঁর প্রতি শুভকামনাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন ড. খলিলুর রহমান। তিনি জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী এক বছর সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এর মধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান

Oplus_131072

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে

প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (আরএডিপি) আওতাধীন প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজের শতভাগ মান নিশ্চিত করে সব প্রকল্প যথাসময়ে শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন।

সভায় আরএডিপিভুক্ত চলমান প্রকল্পসমূহের ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতির চিত্র বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এসময় সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকরা নিজ প্রকল্পের অগ্রগতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন।

তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানার পরিচালনায় সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে