খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সব সদস্যের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম।

গ্রাহকদের এই কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। প্রস্তুতে রয়েছে জলকামান ও সাঁজোয়া যান।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এই বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে কয়েক শত সচেতন গ্রাহক অংশগ্রহণ করেছেন।

আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে তারা নিয়োগ বাতিল, ব্যাংকের পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সাবেক এমডিকে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন।

মানববন্ধন থেকে আব্দুল হান্নান খন্দকার নামে একজন গ্রাহক বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে গ্রাহকদের আমানত সংরক্ষণ করে আসছে এবং সুদমুক্তভাবে এই ব্যাংকটি বাংলাদেশে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিগত স্বৈরাচারী সরকার এই ব্যাংকটিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে এস আলম গ্রুপকে এর দায়িত্ব দেয়। তারা এই ব্যাংকের অর্থ লুট করে বিদেশে পাচার করে ব্যাংকটিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে এসেছিল।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে যখন নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন ইসলামপ্রিয় এবং স্বচ্ছ অর্থব্যবস্থায় বিশ্বাসী মানুষরা তাদের যা কিছু আছে তা নিয়ে পুনরায় ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ব্যাংকটি যখন আবার তার আগের অবস্থানে ফেরার চেষ্টা করছে এবং নিজের শক্তিতে ব্যাংকিং পরিচালনা করছে, ঠিক তখনই একটি কুচক্রী মহল ব্যাংকটিকে আবারও ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই গ্রাহক আরও বলেন, খুরশিদ আলমকে এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান করে আবারও ব্যাংকটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষ এবং আমানতকারীরা এই ব্যাংককে আর লুণ্ঠনকারীদের হাতে ছেড়ে দেবে না।

এই ব্যাংকে প্রবাসীদের আস্থা রয়েছে এবং তারা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ব্যাংকটিকে সচল রাখবেন। সকল আমানতকারীকে তাদের আমানত ইসলামী ব্যাংকে রেখে একে আগের মতো সফল করার এবং পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আবুল খায়ের আজাদ নামে আরেকজন গ্রাহক বলেন, গতকাল আমাদের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে বিনা উসকানিতে পুলিশের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ অত্যন্ত সুকৌশলে ইসলামী ব্যাংক দখল করেছিল। বর্তমান চেয়ারম্যান (খুরশীদ আলম), যিনি জুলাই বিপ্লবের সময় পালিয়ে গিয়েছিলেন, তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি ফ্যাসিস্টের দোসর। আমরা অবিলম্বে তার পদত্যাগ চাই।

এই গ্রাহক বলেন, ইসলামী ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর এবং ডেপুটি গভর্নরদের সহযোগিতায় এই অর্থ পাচার হয়েছে এবং তারা এই টাকার ভাগীদার ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে গতকাল এমডির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া ওমর ফারুক একজন গ্রাহক বান্ধব অফিসার। তাকে অবিলম্বে স্বপদে বহাল করার দাবি জানান তিনি।

ইসলামী ব্যাংক একটি শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক এবং এই ব্যাংকে তিন কোটি গ্রাহকের আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ব্যাংকের মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে ব্যাংকটিকে মুক্ত করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক ও কর্মীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

আন্দোলনের মুখে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা স্থগিত, সম্ভব হয়নি অনলাইনেও

ইসলামী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা

ইসলামী ব্যাংকের সামনে বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান-টিয়ারগ্যাস

এর আগে গতকাল (সোমবার) ১ জুন সকালে একই স্থানে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন করে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। পরে সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এডুকেশন স্কিল, কেয়ারগিভার ও ভাষাশিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর ইস্কাটনে পুলিশ কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রক্তের নিরাপদ সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়া, ডেঙ্গু, দুর্ঘটনা ও জরুরি অস্ত্রোপচারে রক্তের প্রয়োজন মেটাতে এই রেফ্রিজারেটর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, রক্ত একটি জীবনদায়ী উপাদান। এর সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা যত শক্তিশালী হবে, তত বেশি মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‌‘এজন্য জুনের পর অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম প্রথমে ঢাকাতে শুরু করতে চাই। এরপর সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু হবে।’

তিনি সরকারের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণায় জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেসরকারি সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের এই মানবিক উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও এগিয়ে নেবে। আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই এবং পৃথিবীর মানচিত্রে আমাদের দেশকে সম্মানের সাথে তুলে ধরতে চাই।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সমাজে যত অন্যায় আছে তা দূর করতে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত (ইনভলভ) করতে চাই। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজ থেকে মাদকাসক্তি দূর করতে, জুয়াখেলা নিয়ন্ত্রণে, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এবং রামিসার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে—সেসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হুসাইন ফকির ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসাইন। এছাড়া পিডিজি ড. ইশতিয়াক এ. জামান, রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ও ক্লাব ডিরেক্টর রোটারিয়ান মো. সালাহ উদ্দিন এবং রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের সভাপতি রোটারিয়ান ডাক্তার লুবনা শারমিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

মোঃ শামসুল আলম খান, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধলায় অবস্থিত সরকারি ভবঘুরে ও পুনর্বাসন আশ্রয়কেন্দ্র দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও সেবামূলক সংকটসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। দীর্ঘ তিন দশক পর কোনো মন্ত্রী সরেজমিনে পরিদর্শন করায় প্রশংসায় ভাসছেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) সমাজকল্যাণমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত শিশু-কিশোর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও জরুরি চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশালের ধলায় অবস্থিত এই সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির লাইন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার মতো মৌলিক সেবাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পুরোনো ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ও প্রশাসনিক ভবনের অবস্থাও জরাজীর্ণ হওয়ায় দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা একাধিক নিবাসী জানান, দীর্ঘ সময় পর কোনো মন্ত্রীর আগমন করায় আমরা ব্যাপক খুশি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে আছি।”

পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা আজকে এই অবহেলিত আশ্রয় কেন্দ্রটিতে পরিদর্শনে এসেছি। আশ্রয় কেন্দ্রটির বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজু আহমেদ, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূইয়া, আশ্রয়কেন্দ্রের কর্মকর্তাসহ প্রমুখ।

কালের আলো/এম/এএইচ

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

শনিবার বেলা ১২টায় আরএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বর্তমান পুলিশিং কার্যক্রমে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি), আরএমপি’র মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড সিটিটিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) এবং রাজশাহীর অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা।

সভা শেষে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি