খুঁজুন
                               
, ,
           

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জনের শরীরে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে এ সময়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫২৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯১ শিশু। অর্থাৎ এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬২০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২২১ জন। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১২০ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৯ হাজার ১২। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ৯ হাজার ৬৮৬ জন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৪ হাজার ২৬৩ জন রোগী। তাঁদের মধ্যে ৬০ হাজার ৮৪ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

আগামী বিশ্বকাপে মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
আগামী বিশ্বকাপে মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, আগামী বিশ্বকাপে শুধু বিনামূল্যে খেলা সম্প্রচারই নয়, বরং বিজ্ঞাপনের বিশাল বাজারকে কাজে লাগিয়ে সরকারের জন্য বড় মুনাফা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি রাজস্বের এক টাকাও খরচ না করে এবার সফলভাবে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচার করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচার ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আনুষ্ঠানিক ফুলেল শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদপত্র তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

এসময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের কাছ থেকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে তার ধন্যবাদপত্র ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহ আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহ আলম ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঠিক দিকনির্দেশনা, সততা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তার কারণেই দেশের বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী মানুষকে বঞ্চিত না করে এবং রাজস্বের টাকা খরচ না করেই এ বিশ্বকাপ সম্প্রচার করা সম্ভব হয়েছে।

এ সময় জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকারের কৃচ্ছ্রতাসাধন নীতির মধ্যে থেকেও যাতে ফুটবলপ্রেমী মানুষ খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিকল্প কাঠামো তৈরি করেই এই বিশাল সাফল্য এসেছে। সুতরাং এই কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর।

সফলভাবে এই সম্প্রচার কার্যক্রম শেষ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তথ্যমন্ত্রী। একই সাথে তিনি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা, বিটিভির মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বর্তমান ইতিবাচক পরিবেশ প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গত কয়েক মাসে সাবেক তারকা খেলোয়াড় ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্রীড়াঙ্গনে অভূতপূর্ব এক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, যুবসমাজকে সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে একদিকে যেমন মাদকমুক্ত সমাজ ও সুস্থ মনোজগৎ গঠন সম্ভব হবে, তেমনি ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ জনবলও তৈরি হবে।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে কেবল বিনোদন নয়, বরং একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়ে কাজ করছে।

ভবিষ্যৎ সম্প্রচার পরিকল্পনা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এবার আমরা শূন্য ব্যয়ে খেলা সম্প্রচার করার চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়েছি। আগামী বিশ্বকাপে আমাদের লক্ষ্য শুধু বিনা খরচে খেলা দেখানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

তিনি বলেন, বিজ্ঞাপনের বিশাল বাজার থেকে বড় ধরনের অর্থ উপার্জন করে একে একটি লাভজনক ইভেন্টে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাংলা‌দে‌শে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত অনেক দেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
বাংলা‌দে‌শে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত অনেক দেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Oplus_131072

চীন, জাপান, আমেরিকাসহ অনেক দেশ এখন বাংলা‌দে‌শে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

রোববার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য, প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির রোডম্যাপ নিয়ে এক সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, ইতোমধ্যে অনেক দেশ আমাদের সঙ্গে কথা বলছে যে, তারা বিভিন্ন খাতে কীভাবে বিনিয়োগ করতে পারে। অনেক বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যে বিডার সঙ্গে যোগাযোগ করছে, তাদের সঙ্গে কাজ করছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে।

তিনি বলেন, চীন, জাপান, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত আছে এবং এ নিয়ে কথাবার্তাও চলছে।

আরেক প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কথাবার্তা চলছে। বিনিয়োগ তো আর দিনক্ষণ বা চাঁদ দেখে হবে না। বিনিয়োগের প্রক্রিয়াটি ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।

এরপর বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তো আছেই। বিনিয়োগকারীদের সমস্যা আছে, আবার ধরুন যেসব বাংলাদেশি বিদেশে থাকেন এবং দেশে বিনিয়োগ করতে চান, তাদেরও এক ধরনের সমস্যা আছে।

তিনি বলেন, বিএনপি উত্তরাধিকার সূত্রে একটি পঙ্গু অর্থনীতি পেয়েছে। গত ১৭ বছরে যেভাবে ব্যাংকিং খাত ধ্বংস হয়েছে, পুঁজিবাজার ধ্বংস করা হয়েছে, পুরো সিস্টেমকে ধ্বংস করা হয়েছে, সেই ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে আবার তুলে এনে একটি গতিশীল অর্থনীতিতে রূপান্তর করার জন্য যেসব নীতি বা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, সরকার এখন সেই পদক্ষেপগুলোই নিচ্ছে।

সরকার বিনিয়োগের অগ্রাধিকার খাতগুলো চিহ্নিত করেছে কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের কথা যখন আমরা বলি তখন জ্বালানি একটি বিশেষ খাত। এছাড়া, আমাদের বিনিয়োগের জায়গাগুলো হলো— টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক শিল্প, কৃষি খাত এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন খাত।

তি‌নি ব‌লেন, বিশেষ করে আমরা যখন সৃজনশীল অর্থনীতির কথা বলছি, তখন সেখানে আমাদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, কুটির শিল্প এবং আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক বিনিয়োগের একটি বিশাল সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা আমরা করছি। স্পোর্টস বা খেলাধুলা এমন একটি খাত, যেখানে প্রচুর বিনিয়োগ সম্ভব।

শামা ওবা‌য়েদ আরও ব‌লেন, আমাদের ক্রীড়া জগতেও অনেক বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। খেলাধুলায় বিনিয়োগ আনার জন্যই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে ক্রীড়া কূটনীতিকে কাজে লাগাচ্ছে। আমাদের সংস্কৃতিতেও যেন আমরা বিনিয়োগ আনতে পারি, সেই জায়গাটিতেই আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

এ সময় ব্লু-ইকোনমি নি‌য়ে এক প্রশ্নের জবা‌বে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, ব্লু-ইকোনমি নি‌য়েও কথা হ‌য়ে‌ছে। কারণ, এটি আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আমরা চাই, আমাদের দেশে ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগ হোক। ইউরোপের বিভিন্ন দেশও এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী এবং বাংলাদেশে এর অনেক সুযোগও রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও গবেষণায় সরকারের প্রাধান্য: মাহ্দী আমিন

Oplus_131072

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের আধুনিক কৃষি, গবেষণা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে শেকৃবির ছাত্র-শিক্ষক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত লেভেল-১, সেমিস্টার-১ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ড. মাহদী আমিন বলেন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের কৃষির প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো বা গবেষণাতেই ভূমিকা রাখেনি, বরং বিশ্বদরবারেও এর এলামনাইদের অনবদ্য অবদান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, সেখানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে প্রথম কেবিনেট বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে। সারাদেশে ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হয়েছে, এর মাধ্যমে কৃষকরা সুলভ মূল্যে বীজ, সার, কীটনাশক ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি পাওয়ার সুবিধা পাচ্ছেন।

কৃষি পণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণ ও প্রসেসিংয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ফল ও সবজি নষ্ট হওয়া রোধে এবং ঢাকায় দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দক্ষ সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলা জরুরি। আম থেকে চাটনি কিংবা টমেটো থেকে সস তৈরি এমন ভ্যালু এডিশন বা বহুমুখী পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে একদিকে যেমন অপচয় কমবে, অন্যদিকে রপ্তানিমুখী শিল্পের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি আশ্বাস দেন যে, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ও মেধার মূল্যায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে শিক্ষার্থীরা গবেষণায় নামতে চায় কিংবা কৃষি উদ্যোক্তা হতে চায়, তাদের প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সব সহযোগিতা সরকার দেবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি।

শেকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নবাগত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে