খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন নাসর’ শুরু ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২:১২ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন নাসর’ শুরু ইরানের

ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিশোধ নিতে ‘অপারেশন নাসর’ শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স। এ অপারেশনের অধীনে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইসরায়েলি বিমান ঘাঁটি নেভাতিম ও তেল নফে হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (০৮ জুন) মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘অপারেশন নাসরের’ আওতায় আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের যোদ্ধারা ইসরায়েলের সবচেয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিমান ঘাঁটি নেভাতিম ও তেল নফের প্রধান কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাচ্ছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, ১২ দিনের যুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার অংশ হিসেবে সোমবার সকালে ‘ইয়া হায়দার কারার’ সাংকেতিক নামে এই অভিযান শুরু হয়।

ইরানের রাডার স্থাপনায় ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সরাসরি জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করে তারা।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর আস্থা রেখে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্স নেভাতিম এবং তেল নফের কৌশলগত বিমান ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন নাসর’ শুরু করেছে।

বিবৃতিতে কুরআনের একটি আয়াতকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। আয়াতে বলা হয়েছে, আর যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদের অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। কারণ তারে উপর অন্যায় করা হয়েছে। আল্লাহ তাদের সাহায্য করবেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শত্রুপক্ষের যেকোনো হামলার জবাব দিতে আইআরজিসির সকল যোদ্ধা ও অভিযানিক দল সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

সূত্র: মেহের নিউজ

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩২

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে আঘাত হানা ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ভোরের দিকের এই ভূমিকম্পে আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন বলে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছে ম্যানিলা।

মিন্দানাওয়ের এই ভূমিকম্পের জেরে কয়েকটি দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। ভোরে ফিলিপাইনের সারঙ্গানি প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ওই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর তীব্র কম্পন মিন্দানাও এবং ৪২০ কিলোমিটার দূরে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের মানাদো শহরেও প্রবলভাবে অনুভূত হয়।

প্রায় ৭ লাখ মানুষের আবাসস্থল জেনারেল সান্তোস সিটির বাসিন্দারা এলাকা কেঁপে ওঠার সময়কার আতঙ্কের কথা স্মরণ করে বলেছেন, এটি অতীতের অভিজ্ঞতার অন্য যেকোনও ভূমিকম্পের চেয়ে আলাদা ছিল। দেশটিতে আঘাত হানা ওই ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সান্তোস সিটি।

৪৪ বছর বয়সী জোজো কালমা বলেন, এই প্রথম আমি এত শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখলাম। সত্যিই নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। আমি আমার সন্তান এবং ভাগ্নির কথা ভাবছিলাম, যদি তাদের কিছু হয়ে যেত?

ভূমিকম্পের সময় তিনি একটি ভবনের সামনে নিজের মোটরচালিত থ্রি-হুইলার ট্যাক্সি চালাচ্ছিলেন। পরে ওই ভবনটি ধসে পড়লেও প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

• ভবন ধসের দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দি

একটি ফাস্টফুডের দোকান থাকা ওই ভবনটি ধসে পড়ার মুহূর্ত স্থানীয় সরকারের প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে ধরা পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, ধুলার স্তর দ্রুত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কিত পথচারীরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করছেন।

কালমা বলেন, ভূমিকম্পের সময় তার সন্তানরা স্কুলে ছিল। তবে তারা নিরাপদ আছে। যদিও তার ভাইয়ের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে তারা ভালো আছে।

দীর্ঘ ছুটির পর স্কুলগুলো খোলার ঠিক পরপরই সোমবারের ওই ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

দেশটির সরকার সামরিক ও দুর্যোগ মোকাবিলাকারী বিভিন্ন সংস্থাকে মোতায়েন করেছে। কেবল মিন্দানাওয়ে ওপর থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষ ও ভূমিধসের কারণে ৩২ জন নিহত এবং ১৩৪ জন আহত হয়েছেন বলে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দক্ষিণ ফিলিপাইন, উত্তর ইন্দোনেশিয়া এবং বোর্নিও দ্বীপের মালয়েশীয় রাজ্য সাবাহতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে ওইসব এলাকার উপকূলীয় বাসিন্দাদের অবিলম্বে উঁচু স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ফিলিপাইনে ১২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ভূমিকম্পের আট মাস পর এই দুর্যোগ আঘাত হেনেছে। ওই সময় দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় সেবু দ্বীপের উপকূলে অগভীর ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৯ জন নিহত হয়েছিলেন। এর দুই সপ্তাহ পর মিন্দানাওতে আরও দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, যার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটি ছিল ৭.৪ মাত্রার।

সূত্র: রয়টার্স।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

সামাজিক মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে আইন সংশোধন হচ্ছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
সামাজিক মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে আইন সংশোধন হচ্ছে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারপ্রধান, তার পরিবার এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে অপপ্রচার, গুজব ও মানহানিকর কনটেন্ট প্রতিরোধে ‘সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬’ নামে একটি সংশোধনী আনার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় চিফ হুইপের চিঠির বিধান অনুযায়ী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রশ্নের উত্তর দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বাধীন মতপ্রকাশের নামে সরকারপ্রধান, তার পরিবার এবং গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। এসব অপপ্রচার ও গুজব প্রতিরোধে আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, প্রস্তাবিত সংশোধনীতে গুজব ও মানহানির সংজ্ঞা আধুনিকায়নের পাশাপাশি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হবে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ক্ষতিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

মেটা বা ফেসবুকের মতো আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশ আইনি কাঠামোর মাধ্যমে মেটাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান আইনে সে ধরনের কঠোর বিধান না থাকায় বিটিআরসির অনুরোধ সবসময় কার্যকর হয় না।

তিনি বলেন, নতুন আইনে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিতর্কিত কনটেন্ট অপসারণের বাধ্যবাধকতা রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থা ও বিটিআরসিকে কনটেন্ট ব্লক ও তথ্য হস্তান্তরের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অনলাইন ও অফলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে ১৮৬৭ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইন আধুনিকায়ন করে নতুন ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অনলাইন জুয়া, বেটিং এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে আইনটি চলতি সংসদ অধিবেশনেই উত্থাপন করা হতে পারে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের বিষয়েও তিনি বলেন, বর্তমান আইনের সীমাবদ্ধতা দূর করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন খসড়া আইনে উন্নত প্রশিক্ষণ, ল্যাবরেটরি সুবিধা এবং নিজস্ব ডগ স্কোয়াড গঠনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সামাজিক অনাচার ও প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় সরকার আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে বলেও সংসদকে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নতুন পে-স্কেলে নবম গ্রেডে ভাতা পাবেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
নতুন পে-স্কেলে নবম গ্রেডে ভাতা পাবেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে নবম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতাও আনুপাতিক হারে বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ইন্টার্ন ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। চিকিৎসকদের ৬ দফা দাবির মধ্যে ভাতা ও বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।

স্বাস্থ্য সচিব বলেন, বর্তমানে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং এফসিপিএস পার্ট-১ উত্তীর্ণ পোস্টগ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা ৩৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন। নবম গ্রেডের বর্তমান মূল বেতন ২২ হাজার টাকা হওয়ায় বিদ্যমান কাঠামোতে ভাতার একটি সমন্বয় রয়েছে। নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন যে হারে বৃদ্ধি পাবে, একই আনুপাতিক হারে চিকিৎসকদের ভাতাও বাড়ানো হবে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকদের দাবি ছিল ইন্টার্ন ভাতা ৩০ হাজার টাকা এবং বেসরকারি ট্রেইনি চিকিৎসকদের ভাতা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং নতুন বেতন কাঠামোর আলোকে ভাতা পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য সচিব জানান, চিকিৎসকদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের ন্যায্য দাবিগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা পান। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নবম গ্রেডের বেসিকের সমান ভাতা পেলে তারা ২২ হাজার করে পাবেন। এ ছাড়া স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণার্থী বা পোস্টগ্রাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা কোনো ধরনের ইনক্রিমেন্ট ছাড়া নবম গ্রেডের সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসকদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল ভাতা বৃদ্ধি। এ বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে ইন্টার্ন ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকরা তাদের চলমান কর্মবিরতি, ওয়ার্ড বর্জন ও ক্লাস বর্জন কর্মসূচি সাত কর্মদিবসের জন্য স্থগিত করতে সম্মত হয়েছেন।

বৈঠক শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. নাবির বিন কাসিম বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আলোচনাকে তারা ফলপ্রসূ মনে করছেন। সে কারণেই আপাতত কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ