খুঁজুন
                               
, ,
           

আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর এমপি রাশেদা বেগম হীরার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

রাশেদা বেগম হীরা প্রশ্ন করেছিলেন, তামাকের ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি যেমন বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখিয়া ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বৃদ্ধি করিয়া অধিক সম্পূরক শুল্ক এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করিবেন কিনা?

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ি ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার পূর্বের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

ভক্ত থেকে ‘ইত্যাদি’র গায়িকা, পুতুলের স্বপ্নজয়ের গল্প

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ভক্ত থেকে ‘ইত্যাদি’র গায়িকা, পুতুলের স্বপ্নজয়ের গল্প

সাজিয়া সুলতানা পুতুল দেশের সংগীতে পরিচিত মুখ। ‘ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা দিয়ে দীর্ঘ দুই দশক আগে তার পথচলার শুরু। এরপর গানে আর লেখায় নিজেকে বিকশিত করে চলেছেন। আর এবার প্রথমবারের মতো গাইলেন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে।

হানিফ সংকেতের এই অনুষ্ঠানের নতুন পর্ব ধারণ করা হয়েছে লক্ষ্মীপুরে। সে পর্বেই তানজিনা রুমার সঙ্গে একটি দ্বৈত গান গেয়েছেন পুতুল। এটি পুতুলের জন্য স্রেফ একটি গানই নয়, স্বপ্নজয়ের গল্পও বটে। কারণ ছোটবেলা থেকেই তিনি স্বপ্ন দেখেছেন, একদিন এই ‘ইত্যাদি’র মঞ্চে গাইবেন।

গতকাল ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিল্পী। পুতুল লেখেন, “ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানের বয়স আমার চেয়ে বেশি। শৈশব থেকেই বাংলাদেশের টেলিভিশন ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হিসেবে যে অনুষ্ঠানকে জেনে এসেছি, তা ‘ইত্যাদি’। এরচেয়ে জনপ্রিয় কিছু ছিলো না। আজকের প্রজন্ম হয়তো জানে না ‘ইত্যাদি’ কতোটা কাঙ্ক্ষিত একটা অনুষ্ঠান ছিলো দর্শকের কাছে। আর শিল্পীদের কাছে! এ তো বলা বাহুল্য। ‘ইত্যাদি’ ছিলো স্বপ্নের মঞ্চ। ‘ইত্যাদি’তে একটা গান গাওয়া মানে শিল্পী জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমিও কিন্তু শৈশবে স্বপ্ন দেখেছি ‘ইত্যাদি’তে গান গাইবো একদিন। শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেতের মুখে উচ্চারিত হবে আমার নাম!”

পুতুল জানান, স্কুলে পড়াকালীন ভক্ত হিসেবে তিনিও চিঠি লিখতেন ‘ইত্যাদি’তে। গান গাওয়ার সুযোগও চাইতেন। সহস্র চিঠির ভিড়ে তার চিঠিটা হয়তো সে সময় হানিফ সংকেতের চোখেই পড়েনি। পুতুল লিখেছেন, “এরপর কেটে গেছে অনেক সময়। আমি বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে যাত্রা করেছি। টেলিভিশনে প্রতিদিনই গাইছি। সব চ্যানেলে গাওয়া হয়ে গেছে। কিন্তু একটা জিনিস বাকি ছিল, ‘ইত্যাদি’তে গান গাওয়া। একবার শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেতের সাথে দেখা হলেও বলিনি মনের সেই ইচ্ছার কথা। সেটা মনের ভিতরেই চাপা দিয়ে রেখেছিলাম। জীবন বড় অদ্ভুত! সেই ছোট্টবেলায় মনের মধ্যে পুষে রাখা স্বপ্নটা সত্যি হলো পেশাগত সংগীত জীবনের দুই দশক পরে এসে। এক দুপুরে শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেত ফোন করলেন। ‘ইত্যাদি’তে গান গাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন। এবারের পর্ব হবে লক্ষীপুরে। যেহেতু ফেনীর মেয়ে আমি, তাই বৃহত্তর নোয়াখালীর শিল্পী হিসেবে আমি এবং তানজিনা রুমা আপু একটা গান গাইবো। বিস্মিত মনে ভাবলাম, চাওয়ার মতো চাইলে সৃষ্টিকর্তা মানুষকে চমকে দিয়ে অনেক কিছু ঘটান।”

পুতুল ও তানজিনা রুমার গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল। সুর-সংগীতে আকাশ মাহমুদ। রেকর্ডিং ও শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পুতুল লেখেন, ‘রেকর্ডিংয়ে আমি শুধু শ্রদ্ধেয় হানিফ সংকেতকে দেখছিলাম। তিনি নিজেও দারুণ সংগীতশিল্পী তা সকলে জানেন। কিন্তু তিনি যে কী ভীষণ খুঁতখুঁতে তার কাজের ব্যাপারে, তা দেখলাম সেদিন। নিজে বসে থেকে পুরো রেকর্ডিং তত্ত্বাবধান করলেন, যা তিনি না করলেও হয়তো পারতেন। তার অনুপস্থিতিতে স্টুডিওতে গিয়ে ভয়েস দিয়ে দিলেও কাজ হয়ে যেতো। কিন্তু তিনি সূক্ষ্মভাবে পুরো কাজটা তদারকি করলেন। শুটিং এ আমরা গেলাম লক্ষীপুরে। সে তো আরেক বিস্ময় জাগানো অভিজ্ঞতা। শিল্পীদের প্রতি তার সম্মানবোধ দেখে দারুণ লাগল। প্রোডাকশনের প্রতিটা মানুষের সাথে তার আচরণ, তার বিনয়, তার সহানুভূতি, তার মানবিকতা আমাকে শুধু মুগ্ধ করেনি, উপলব্ধিও করিয়েছে যে কিংবদন্তি হতে হলে কী কী গুণাবলী থাকতে হয়। অহংকার করার সবটুকু কারণ থাকার পরেও এতোটা নিরহংকারী একজন হানিফ সংকেতকে আবিষ্কার করব, তা ভাবিনি।’

‘ইত্যাদি’র এই পর্ব প্রচারিত হবে শুক্রবার ৩১ জুলাই রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর, বিটিভিতে। অনুষ্ঠানটি দেখার প্রতি দর্শকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পুতুল।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিশ্বকাপ শেষ হতেই অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপ শেষ হতেই অবসরে গেলেন আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের রেফারি

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর রেফারিং ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন স্লাভকো ভিনচিচ। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের বিশ্বকাপ ফাইনালে তিনি প্রধান রেফারির দায়িত্বে ছিলেন। আর্জেন্টাইনরা সম্ভবত তাকে ‘খলনায়ক’ হিসেবেই সারাজীবন মনে রাখবে।

ভিনচিচ আর্জেন্টিনার জন্য ‘অপয়া’ রেফারি। গত দুই বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেরা মাত্র দুটি ম্যাচ হেরেছে। ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলে হারে। আর এবার ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে তারা। আর এই দুটি ম্যাচেই ভিনচিচ ছিলেন রেফারি।

নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গত ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে পাঁচটি হলুদ কার্ড ও একটি লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন ভিনচিচ। সবগুলোই পেয়েছেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা। এই স্লোভেনিয়ান রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আর্জেন্টিনা।

৪৬ বছর বয়সী ভিনচিচ ২০১০ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আন্তর্জাতিক ফুটবলের বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। ক্লাব ফুটবলে তার সাফল্যের তালিকায় রয়েছে ২০২২ সালের উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনাল (আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট বনাম রেঞ্জার্স) এবং ২০২৪ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান ভিনচিচ। সেখানে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের ম্যাচসহ দুটি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফাইনালসহ চার ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। আর অবসর নেওয়ার কারণে সেই ফাইনাল ম্যাচ হয়ে থাকল তার ক্যারিয়ারের শেষ। স্লোভেনিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবসরের ঘোষণা দিয়েছে।

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে মোট ১২টি হলুদ কার্ড ও দুটি লাল কার্ড দেখান ভিনচিচ। এর মধ্যে প্রথম লাল কার্ডও ছিল আলোচিত। মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ৩২ এর ম্যাচে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে কথা বলায় ইকুয়েডরের পিয়েরো হিনকাপিকে মার্চিং অর্ডার দেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্নিগ্ধার মামলা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্নিগ্ধার মামলা

এ প্রজন্মের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। রোববার (২৬ জুলাই) রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় তিনি এ মামলা করেন।

মামলার এজাহারে স্নিগ্ধা অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপনের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে একটি হাসপাতালে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পদক্ষেপ না নিলেও পরে ন্যায়বিচারের আশায় থানায় মামলা করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান তাকে ‘জেবা তাকিয়া’ নামে অন্য এক নারী ভেবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্নিগ্ধার দাবি, ওই নারী অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন। ভুল পরিচয়ের কারণে তাকেই মারধরের শিকার হতে হয়।

এছাড়া, ইমন নামে উপস্থিত একজন ব্যক্তি পরিস্থিতি শান্ত করার পরিবর্তে তাকে ওই নারীর পরিচয় স্বীকার করার জন্য চাপ দেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্নিগ্ধা।

মামলায় তিনি আরও দাবি করেন, নির্যাতনের সময় তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। তার গলা চেপে ধরা, চুল টেনে ধরা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার অভিযোগও করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়েছে।

খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

কালের আলো/এসএ