খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

শাকিব খানের ‘আগুন’, সাত বছর পর অবশেষে দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
শাকিব খানের ‘আগুন’, সাত বছর পর অবশেষে দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে

দীর্ঘ সাত বছর ধরে নানা কারণে আটকে থাকা ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত ‘আগুন’ সিনেমাটি অবশেষে মুক্তির পথে এগোচ্ছে। ২০১৯ সালে শুটিং শুরু হওয়া ছবিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল ছিলো।

এবার জানা গেল, সবকিছু ঠিক থাকলে আসন্ন দুর্গাপূজায় সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন নির্মাতারা।

এ বিষয়ে ছবিটির পরিচালক বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘ছবির বাকি কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমি চাইছি দুর্গাপূজাতেই ‘আগুন’ মুক্তি পাক। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ এগিয়ে নিচ্ছি।’

‘আগুন’ সিনেমার যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট। বেশ আয়োজন করেই শুটিং শুরু হয় ছবিটির। একই বছরের অক্টোবরে দ্বিতীয় লটের কাজ শেষ হওয়ার পর হঠাৎ করেই থেমে যায় নির্মাণ কার্যক্রম। এরপর দীর্ঘ সময় ছবিটির কাজ বন্ধ ছিল। বিভিন্ন জটিলতা ও ব্যস্ততার কারণে সিনেমাটি আর এগোতে পারেনি।

তবে ২০২২ সালে নতুন করে ছবিটির শুটিং শুরু হয়। সে সময় প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে বাকি অংশের শুটিংও শেষ করা সম্ভব হয়। কিন্তু এরপর ছবিটি আটকে যায় পোস্ট-প্রোডাকশনের বিভিন্ন ধাপে। ফলে বহু প্রতীক্ষার পরও দর্শকদের সামনে আসতে পারেনি ‘আগুন’।

সিনেমা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সিনেমাটির সম্পাদনা, ডাবিং, কালার গ্রেডিং ও অন্যান্য কারিগরি কাজ শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে। এসব কাজ সম্পন্ন হলেই মুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে।

দেশ বাংলা মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় নির্মিত ‘আগুন’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন জাহারা মিতু। এটি শাকিব-মিতু জুটির আলোচিত প্রকল্পগুলোর একটি। এছাড়া ছবির গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর, সুচরিতা, আফজাল শরীফ এবং রেবেকা।

কালের আলো/এম/এএইচ

ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে: জামায়াত আমির

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে ঘিরে আবারও দখলদার চক্র সক্রিয় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ব্যাংকটি আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের অর্থনীতি মাটির সঙ্গে মিশে যাবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনে ৬৮ বিধিতে দেওয়া নোটিশ উত্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ আসে। অতীতে নানা অপপ্রচার ও রাজনৈতিক হয়রানির মধ্যেও ব্যাংকটি ২০১৬ সালে ৪৪৭ কোটি টাকার বেশি মুনাফা অর্জন করেছিল এবং খেলাপি বিনিয়োগ ছিল মাত্র ৪ শতাংশ। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ দখল ও অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ও দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, সেই সময়ের পর ব্যাংকের মুনাফা ও কার্যকারিতায় বড় ধরনের পতন ঘটে এবং ২০২৪ সালে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদান করা সম্ভব হয়নি। খেলাপি বিনিয়োগও মোট বিনিয়োগের প্রায় ৫১ শতাংশে পৌঁছেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল এবং গ্রাহকদের আস্থা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছিল। এ অবস্থায় নতুন করে আবারও ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি দাবি করেন, পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়োগ এবং ব্যবস্থাপনায় অযৌক্তিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে স্পিকার পরে বিষয়টি নিয়ে সময় স্বল্পতার কারণে পুরো নোটিশ পড়ার সুযোগ সীমিত করেন বলে জানা যায়। পরে লিখিত নোটিশে বলা হয়, এমডিকে পদত্যাগে বাধা দেওয়া এবং ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে।

শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংককে অতীতে “জামায়াতের প্রতিষ্ঠান” হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হলেও বাস্তবে এটি গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে ব্যাংকটি দখলের ফলে লুটপাট ও অনিয়ম হয়েছে, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে পড়ছে। বর্তমানে আবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে তার ফল ভালো হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, একদিনেই গ্রাহকেরা প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন, যা আস্থার সংকটের প্রতিফলন।

শেষে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ব্যবস্থাপনায় যেকোনো অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ বন্ধ করা জরুরি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ৫০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে ৫০ শতাংশ

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বাজেটে বরাদ্দ চূড়ান্ত করেছে সরকার। একই সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে বিশেষ সুবিধা বাতিল হবে। এতে সামগ্রিকভাবে বেতন বৃদ্ধি দাঁড়াবে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে।

সূত্র আরও জানায়, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীরা সুপারিশকৃত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এরপরের অর্থবছরে ভাতা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ফলে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে পূর্ণাঙ্গ বেতন-ভাতা কাঠামো কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হতে পারে।

বাজেট বক্তৃতায় নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা থাকতে পারে এবং আংশিক বাস্তবায়নের যৌক্তিকতাও তুলে ধরা হতে পারে। তিনি আরও বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটি তিন ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের যে সুপারিশ করেছে, তাতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি রয়েছে। ফলে ওই সুপারিশ অনুযায়ীই নবম পে স্কেল কার্যকর হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আমি হতাশ, আমার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ছিল: সোমালিয়ান রেফারি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
আমি হতাশ, আমার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ছিল: সোমালিয়ান রেফারি

সঠিক কাগজপত্র ও বৈধ ভিসা থাকার পরও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পাননি সোমালিয়ার রেফারি ওমর আরতান। বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালনের কথা ছিল তার।

কিন্তু মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১১ ঘণ্টা ধরে অভিবাসন কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বিশ্বকাপের মূল পর্বে প্রথম সোমালি রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের অপেক্ষায় ছিলেন আরতান।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা পাওয়ার পর সোমবার ম্যাচ অফিশিয়ালদের তালিকা থেকে তাকে সরিয়ে দেয় ফিফা। আরতানকে ফেরত পাঠানোর কারণ এখনো জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা দেশগুলোর একটি সোমালিয়া। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর ফিফা জানায়, আরতান এবারের বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

নিউইয়র্ক টাইমসকে আরতান বলেন, ‘আমি খুব, খুব হতাশ। আমি স্রেফ একজন রেফারি, যে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিল। বিশ্বকাপে আসাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল।’

এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, ‘ফিফা নিশ্চিত করছে, ম্যাচ অফিশিয়াল ওমর আবদুলকাদির আরতান যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অনুমতি না পাওয়ায় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রশিক্ষণ নিতে ও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আয়োজক দেশের অভিবাসন প্রক্রিয়া, ভিসা অনুমোদনসহ এসব বিষয়ে ফিফা জড়িত নয়। কর্তৃপক্ষ ফিফাকে জানিয়েছে, আপাতত মি. আরতানের অবস্থার কোনো পরিবর্তন হবে না।’

সোমালিয়ার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বিবিসিকে আরতানের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আরতান বৈধ কাগজপত্র নিয়েই ভ্রমণ করছিলেন।

নাইরোবিতে সোমালি দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, এর আগে ভিসা জটিলতার কারণে আরতানের ভ্রমণ সহজ করতে বিশেষভাবে তাকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছিল।

আরতান বলেন, ‘আমার সঠিক কাগজপত্র ছিল, সবকিছুই ছিল। আমার সঠিক ভিসা ছিল।’ ১১ ঘণ্টার অভিবাসন জিজ্ঞাসাবাদের পর আরতান জানান, তাকে আলাদা একটি হোল্ডিং সেলে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখার পর তুরস্কের ইস্তাম্বুলগামী ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয় তাকে।

বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসকে হোয়াইট হাউস টাস্ক ফোর্স অন দ্য ওয়ার্ল্ড কাপের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, ‘এ বিষয়ে বিস্তারিত নেতিবাচক তথ্যের মধ্যে আমি যেতে পারব না। তবে বলতে পারি, কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্যাট্রোল সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আমি সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’

আরতানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে শুধু কানাডা বা মেক্সিকোর ম্যাচে দায়িত্ব পালন করাও সম্ভব নয়। কারণ বিশ্বকাপের ৫২ জন রেফারি ও ৮৮ জন সহকারী রেফারির জন্য মায়ামিতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করেছেন রেফারিদের প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা। মাঠের সব অফিশিয়ালকে প্রশিক্ষণ, প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার কারণে ফ্লোরিডার ওই ঘাঁটিতেই থাকতে হবে।

গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সোমালি অভিবাসীদের চান না এবং তাদের ‘যেখান থেকে এসেছে, সেখানে ফিরে যাওয়া’ উচিত।

আরতান বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমার দেশের সঙ্গে তাদের সমস্যা আছে।’ ১১ জুন শুরু হয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এবারের বিশ্বকাপ। সোমালি ন্যাশনাল লিগের অফিশিয়াল আরতান ২০১৮ সালে ফিফা রেফারি হন। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেও ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি।

আরতানের এই ঘটনা বিশ্বকাপ ঘিরে তৈরি হওয়া একের পর এক বিতর্কের সর্বশেষ সংযোজন। মঙ্গলবার ইরান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, গ্রুপ পর্বে তাদের সমর্থকদের জন্য বরাদ্দ টিকিট বাতিল করা হয়েছে।

ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার ও বিশ্লেষক ইয়ান রাইট এবারের বিশ্বকাপকে ‘বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘প্রতি কয়েক ঘণ্টা পরপর আরেকটা গল্প আসছে..সমর্থককে বাধা দেওয়া হচ্ছে, খেলোয়াড়কে বাধা দেওয়া হচ্ছে, অফিশিয়ালকে বাধা দেওয়া হচ্ছে, সাংবাদিককে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এখন রেফারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি হাসছি, কিন্তু এটা মোটেও হাসির বিষয় নয়। সত্যিই হাসির বিষয় নয় এবং এ নিয়ে কিছু বলা দরকার। ইতিহাসের সবচেয়ে দামি টিকিট, ব্যয়বহুল আবাসন, পরিবহন খরচ আকাশছোঁয়া।’

আয়োজকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাইট। তার ভাষায়, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় খেলা, সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের আয়োজকরা কি এভাবেই আচরণ করে? আমরা কি আরও কিছু শুনছি না? কাতারকে যেভাবে টেনে নামানো হয়েছিল, এখানে কি তেমন কিছু শুনছি না? সত্যিই কি এটাই ফুটবলের চেতনা?’

আমেরিকান ফুটবলপ্রেমীদের জন্যও বিষয়টি বিব্রতকর বলে মনে করেন রাইট। তিনি বলেন, ‘আমি সেই আমেরিকান সমর্থকদের জন্য খারাপ অনুভব করছি, যারা এই বিশ্বকাপের জন্য মুখিয়ে আছে। তাদের জন্য এটা কতটা বিব্রতকর হতে পারে!’ শেষে তিনি বলেন, ‘এটা একটা বিশৃঙ্খলার বিশ্বকাপ।’

কালের আলো/এসআর/এএএন