খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের জন্য আবারও আরসিএস সনদ অর্জন করল এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের জন্য আবারও আরসিএস সনদ অর্জন করল এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড

টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিতে আরও এক ধাপ এগিয়েছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ইউনিট-২ ফ্যাক্টরি সম্প্রতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রিসাইকেলড ক্লেইম স্ট্যান্ডার্ড (আরসিএস) সনদ অর্জন করেছে। এ অর্জনের মধ্য দিয়ে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতি এপেক্সের অঙ্গীকার আরও দৃঢ় হলো।

আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ‘টেক্সটাইল এক্সচেঞ্জ’-এর অধীনে স্বীকৃত একটি তৃতীয় পক্ষের সংস্থা এ সনদ প্রদান করেছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে শীর্ষস্থানীয় ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে দায়িত্বশীল উৎপাদন চর্চার প্রতি এপেক্সের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন এ অর্জন।

আরসিএস হলো উৎপাদন প্রক্রিয়ায় রিসাইকেল করা (পুনর্ব্যবহৃত) উপাদান ব্যবহারের স্বীকৃত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড। এর মাধ্যমে কোনো পণ্যে সত্যিই রিসাইকেল করা (পুনর্ব্যবহৃত) উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এসব উপাদানের সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করা হয়েছে কি না, তাও নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ মানদণ্ড অনুসরণ বাধ্যতামূলক নয়। তবে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন চর্চার অংশ হিসেবে অনেক প্রতিষ্ঠান স্বেচ্ছায় এ মানদণ্ড মেনে চলে।

অডিটের সময় উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ঠিক কত শতাংশ রিসাইকেল করা (পুনর্ব্যবহৃত) উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হয়। এর ফলে উৎপাদনে ব্যবহৃত রিসাইকেল করা (পুনর্ব্যবহৃত) ইভিএ, রাবার, পিইউ ও পিভিসিসহ বিভিন্ন উপাদানের উৎস, ব্যবহার এবং মান নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

২০২৫ সালে গ্লোবাল রিসাইকেলড স্ট্যান্ডার্ড (জিআরএস) সনদও অর্জন করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন এই আরসিএস সনদ পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড-এর নেতৃত্বস্থানীয় অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার : নুরুল হক নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার : নুরুল হক নুর

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতকে আরও সম্প্রসারণ এবং নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা যাচাই করা হচ্ছে।

আজ (বুধবার) বিকেলে জাতীয় সংসদে নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জনশক্তি রপ্তানির ভিত্তি স্থাপন করেন। পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়। বিএনপি সরকারের আমলে বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত আরও সম্প্রসারিত হয় এবং ২০০১ সালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের ১৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) ও ছয়টি মেরিন টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে ৫৫টি ট্রেডের ১৩০টি পেশায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ৯টি বিদেশি ভাষা শেখানোর ব্যবস্থাও রয়েছে।

তিনি বলেন, ৫০টি উপজেলায় নতুন কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। বিদেশফেরত কর্মীদের পুনঃপ্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে পুনরায় বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এছাড়া ‘রেকগনিশন অব প্রায়র লার্নিং (আরপিএল)’ কর্মসূচির আওতায় দক্ষতার স্বীকৃতি ও সনদ প্রদান করা হচ্ছে।

নুরুল হক নুর আরও জানান, দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এক লাখ দক্ষ চালক তৈরির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সৌদি আরবের তাকামুলের সঙ্গে চুক্তির আওতায় বর্তমানে ৩০টি প্রতিষ্ঠানে ৭৯টি পেশায় স্কিল টেস্ট পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া দেশের ৬০টি টিটিসিতে জাপানিজ, কোরিয়ান, ইংরেজি, আরবি, জার্মান, ম্যান্ডারিন, ইতালিয়ানসহ বিভিন্ন বিদেশি ভাষা শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ এবং সাধারণ প্রবাসীদের জন্য ৮ শতাংশ সুদে জামানতবিহীন ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি বলেন, ওমান, মালয়েশিয়া ও বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, রোমানিয়া, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানো হচ্ছে। ২৮টি সম্ভাব্য শ্রমবাজারের মধ্যে ১৮টি দেশের সঙ্গে ইতোমধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাতার টেকনিক্যাল খাতে বাংলাদেশি কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, এসি টেকনিশিয়ান ও ওয়েল্ডারদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ওমান ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে নতুন চুক্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া সার্বিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া ও গ্রিসসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা থাকলেও ভিসা সেন্টারের অভাবে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব দেশের ভিসা কার্যক্রম সহজ করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ঢাকায় নিয়মিত কনস্যুলার সেবা প্রদান করে।

কালের আলো/এসএকে

প্রতিবন্ধীদের জনসম্পদে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধীদের জনসম্পদে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, দক্ষতা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। তাদের আমরা কর্মক্ষম করে সমাজের মেইনস্ট্রিমে নিয়ে আসতে চাই। এই জনগোষ্ঠীকে যদি কর্মক্ষম করে তোলা যায়, তাহলে তারা দেশের জন্য জনসম্পদে পরিণত হবে।

আজ (বুধবার) রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজে কর্মক্ষম মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা, পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করতে সহায়তা করা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও আমরা সহযোগিতা করে থাকি।

তিনি বলেন, এটি একটি সমন্বিত কমপ্লেক্স, যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যেন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না থেকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থার অংশ হতে পারেন, সে লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকার দেশসেবার সুযোগ পেয়েছে। আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, সেবা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সরকারের সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।

এ সময় জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলম, পরিচালক (যুগ্ম সচিব) সোনামণি চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

রাতে ঢাকাসহ ১২ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
রাতে ঢাকাসহ ১২ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাতের মধ্যে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পাশাপাশি এসব এলাকায় বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে এ সময়।

বুধবার (১০ জুন) দিবাগত রাত ১টার পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এই বার্তা অনুযায়ী, বুধবার (১০ জুন) দিবাগত রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতেও পারে একই সময়ে।

এ পরিস্থিতিতে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) এরইমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে এটি বাংলাদেশের বাকি অংশেও বিস্তার লাভ করার জন্য অনুকূল অবস্থায় রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে