খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর ঘিরে পৌঁছেছেন ছয় মন্ত্রী

কক্সবাজার প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর ঘিরে পৌঁছেছেন ছয় মন্ত্রী

বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শনিবারের (১৩ জুন) দিনব্যাপী কক্সবাজার সফরকে কেন্দ্র করে সরকারের ছয়জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাদের স্বাগত জানান।

কক্সবাজারে আগত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

জানা গেছে, শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারে পৌঁছাবেন। তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গেছে।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী একটি নতুন উপজেলা ও একটি নতুন পৌরসভার উদ্বোধন করবেন। এছাড়া তিনি রাজনৈতিক জনসভা, সুধী সমাবেশ এবং খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে শনিবার রাতেই তিনি কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জামায়াতের লং মার্চ ঘিরে উত্তপ্ত ইসলামাবাদ, ২৪ স্কুলের নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
জামায়াতের লং মার্চ ঘিরে উত্তপ্ত ইসলামাবাদ, ২৪ স্কুলের নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের

জ্বালানি তেলের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর প্রত্যাহারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর রাজধানীমুখী লং মার্চ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কয়েকটি সরকারি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।

একই সঙ্গে নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসলামাবাদের ২৪টি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এসব প্রতিষ্ঠানের ভবন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান ও অন্যান্য নিরাপত্তা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ আগেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ছুটির বিষয়টি জানিয়ে দেয়। জি-৭ সেক্টর ও সিতারা মার্কেট এলাকার কয়েকটি স্কুল ভবনে পুলিশ সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া এফ-৭/৩ সেক্টরের একটি সরকারি স্কুলেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যা থেকে ইসলামাবাদ প্রশাসন ২৪টি সরকারি স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামাবাদ মডেল স্কুল, বালিকা বিদ্যালয়, মডেল কলেজ এবং ছেলেদের মডেল স্কুল রয়েছে।

রেড জোনে কনটেইনার, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা

সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি ঠেকাতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকায় কনটেইনার বসিয়ে বিভিন্ন সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার পথেও ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতেও বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।

কর প্রত্যাহারের দাবিতে লং মার্চ

জ্বালানি তেলের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর পুরোপুরি প্রত্যাহারের দাবিতে এই রাজধানীমুখী কর্মসূচি শুরু করেছে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী।

দলটি রোববার করাচি থেকে ট্রেনযোগে ইসলামাবাদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। দলটির প্রধান হাফিজ নাঈমুর রহমান জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনের পরিধি আরও বাড়ানো হতে পারে।

রাজধানীমুখী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীরা ইসলামাবাদে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ অবস্থায় সম্ভাব্য বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধের আশঙ্কায় আগাম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।

সামনে আরও কর্মসূচি

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মসূচির পাশাপাশি আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ইসলামাবাদমুখী কর্মসূচি রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজধানীতে রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও কঠোর থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্ভাব্য বিক্ষোভ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

আরব নিউজ জানিয়েছে, ইসলামাবাদে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রশাসন আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। রেড জোন সিল করার পাশাপাশি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি অংশ সাময়িকভাবে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নেওয়ায় রাজধানীর স্বাভাবিক কার্যক্রমেও এর প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: আরব নিউজ, দ্য নিউজ ও ডন

কালের আলো/এসএ

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৩, মামলা ৪৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৩, মামলা ৪৭

রাজধানী ঢাকায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি ও অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ১৮ জন, লালবাগ বিভাগে ২৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৩ জন, মতিঝিল বিভাগে ৩৬ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৮৬ জন, মিরপুর বিভাগে ৯৭ জন, গুলশান বিভাগে ৪২ জন, উত্তরা বিভাগে ৪১ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে দুজন রয়েছেন।

ককটেল ও মাদক উদ্ধার

ডিএমপির অভিযানে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল এবং বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৩৭৬ পিস ইয়াবা ও ৩৪০ গ্রাম গাঁজা। এ ছাড়া দুটি মোবাইল ফোন, দুটি মোটরসাইকেল এবং মাদক বিক্রির ৩ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি উদ্ধার করা আলামত ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উদ্ধার করা আলামতও পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সূত্র: ডিএমপি

কালের আলো/এসএ

২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি, হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে কমিটি, হাইকোর্টের রুল

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালানোর অভিযোগে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তথ্য-অনুসন্ধান, ইনকোয়েরি ও তদন্ত কমিটি বিলুপ্ত এবং প্রত্যাহারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চার আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রিট আবেদনকারীরা হলেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন ও বিপ্লব কুমার দাস।

রিটকারীদের দাবি, একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য-অনুসন্ধান, ইনকোয়েরি ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত এখতিয়ার ছিল না বলেও তারা দাবি করেন।

রিটে ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গঠিত সব কমিটি বিলুপ্ত ও প্রত্যাহার এবং এর ভিত্তিতে নেওয়া পরবর্তী পদক্ষেপ প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়।

গত ৪ আগস্ট একটি অনলাইন পোর্টালে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে গোপন কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়।

রিটকারীদের বক্তব্য, যাচাইহীন ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কমিটি ও পরবর্তী পদক্ষেপের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তারা হাইকোর্টে রিট করেন।

রুলে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত তথ্য-অনুসন্ধান, ইনকোয়েরি ও তদন্ত কমিটি এবং এসব কমিটির ভিত্তিতে নেওয়া পদক্ষেপ কেন বেআইনি ও আইনগত কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি