খুঁজুন
                               
, ,
           

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো বেশি আধুনিক, সৃজনশীল ও কর্মমুখী করে তোলাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো বেশি আধুনিক, সৃজনশীল ও কর্মমুখী করে তোলাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য: মাহদী আমিন

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, সৃজনশীল ও কর্মমুখী করাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তার শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, আগামী বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য সেখানে রাষ্ট্রের দিক থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা আরো বেশি সৃজনশীল করে তুলব। এমনভাবে গড়ে তুলব যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা দক্ষ ও যোগ্য হয় এবং তাদের মাঝে সুনাগরিকের মূল্যবোধ গড়ে উঠবে। তাদের মাঝে পারিবারিক এবং নৈতিক শিক্ষা গড়ে উঠবে। আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে তাঁরাই, সেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা স্কাউটের সাথে ইনভলভ থাকবে। কেউ গার্লস গাইড করবে, কেউ বিএনএসসি করবে, কারো হয়তো ড্রয়িং করতে ভালো লাগে, সে সেটাই করবে। কারো ডিবেট করতে ভালো লাগে, কারো আবৃত্তি করতে ভালো লাগে, কারো কোরআন তেলাওয়াত করতে ভালো লাগে কিংবা কারো স্পোর্টস করতে ভালো লাগে, আমরা আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সে সুযোগ দিতে চাই।

রোববার (১৪ জুন) বিকেলে তেজগাঁওয়ের বিএএফ শাহীন কলেজের শাহীন হল মিলনায়তনে ‘স্টার্ট-আপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: জুবাইদা রহমান। ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা চাই এমন বাংলাদেশ গড়তে যেখানে সরকারের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, ভালোবাসা এবং নীতিগত সহযোগিতা থাকবে। যেই শিক্ষার্থীর, যেই কার্যক্রম, যেই পেশা তাঁর পছন্দ হয় আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সেই পেশাতে তাঁদের মনশীলতার প্রকাশে সহযোগিতা করবো।

বক্তব্যের শুরুতেই ভিন্নমাত্রিক সৃজনশীল অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত করার জন্য উপস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিভিন্ন প্রশাসন এবং আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু ঢাকায় না, একসাথে ৬৪ টা জেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা মননশীলতাকে রাষ্ট্র বিনির্মাণের কাজে এগিয়ে নিয়ে যাব।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, অনেকেই হয়তো জানেন না খুব কঠিন একটা সময়ে রাষ্ট্রীয় অনেক চাপের মাঝেও “জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন” এবং “সুরভী” নামে দুটা প্রতিষ্ঠান দেশ জুড়ে অনেক শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন ধরনের কম্পিটিশনের মাধ্যমে তাদের এক্সট্রা অ্যাক্টিভিটিজকে প্রসারিত করেছে। আমরা দেখেছিলাম তখন ক্ষুদে বিজ্ঞানীদেরকে নিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে তখন সাইন্স ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে আর্টস কম্পিটিশন করেছে, উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। এর প্রত্যেকটি আমাদের আজকে যিনি প্রধানমন্ত্রী তারই নির্দেশনায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক কার্যক্রম বছরের পর বছর ধরে, দশকের পর দশক ধরে তাঁরা করেছিলেন।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা “সুরভী” নামের একটা প্রতিষ্ঠানের কথা অনেকেই জানি। সেখানে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেখানে আমরা দেখেছি দেশী -বিদেশী যারা এক্সপার্ট রয়েছেন তাঁরা কিভাবে শুরু থেকেই উদ্যোগগুলোকে বিভিন্নভাবে প্রশংসা করেছেন। এবং আমাদেরকে আহবান জানিয়েছেন এটাকে মডেল হিসেবে ধারণ করে আমাদের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সুরভী যে কার্যক্রমগুলো বহু বছর ধরে , বহু দশক ধরে কোনো সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ার পরেও শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সুযোগ্য সহধর্মীণীর বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে বিকশিত করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি কখনো সুযোগ পাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সেটাকে (জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সুরভীর কার্যক্রম) আমরা মডেল হিসেবে ধারণ করতে পারি। এবং তার কারণে আজকে ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১২০০০ টিম অংশগ্রহণ করেছে। ১২,০০০ টিমে প্রায় ৩৬,০০০ ছাত্রছাত্রী এবং প্রায় ২৪,০০০ শিক্ষক সেখানে অংশগ্রহণ করেছে। এই মডেলটা কিন্তু জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন থেকেই পেয়েছি। যেখানে আমরা দেখেছি শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাত্র-ছাত্রী এক হয়ে টিমওয়ার্ক তৈরি করে। ছাত্রদের সাথে, ছাত্রীদের সাথে, শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের সাথে কোনো বিভেদ থাকবে না। ভয় নয়, এই সম্পর্কগুলো ভালোবাসার।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে মাহদী আমিন বলেন, আমাদের আগামী বাংলাদেশ গড়ে তোলার কারিগর কিন্তু আপনারাই। আর এই কারিগর বিনির্মাণ যারা করবেন সেক্ষেত্রে আমরা কান্ডারী হিসেবে গড়ে তুলতে পারি আমাদের শিক্ষকদের। শিক্ষার্থী, শিক্ষক সবাই মিলে এক হয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য আগামী বাংলাদেশটাকে আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে। যেখানে একদিকে যেমন সেই নীতিমালা থাকবে, যেখানে মেধার বিকাশ হবে। একই সাথে আমরা সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে পাঠ্যক্রমটাকে আরো আধুনিক করে তুলব। কারণ বাংলাদেশকে যদি আমরা বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যেতে চাই, তাহলে আমাদের যে বিপুল পরিমাণ তরুণ প্রজন্ম রয়েছে তাঁদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে আসুন আগামী বাংলাদেশে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা, স্বকীয়তা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মীনী যেভাবে যাচ্ছেন সেটাকে ধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য, ইনশা-আল্লাহ সেটিকে পাথেয় করেই আমরা গড়ে তুলব আগামী বাংলাদেশ।

কালের আলো/এম/এএইচ

রন্ধনশিল্পী মাদিহাকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসানের অভিনন্দন, আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
রন্ধনশিল্পী মাদিহাকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসানের অভিনন্দন, আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ‘ফেভারিট শেফ ২০২৬’ প্রতিযোগিতার সেরা পাঁচ প্রতিযোগীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন কানাডিয়ান-বাংলাদেশি সমসাময়িক রন্ধনশিল্পী শেফ মাদিহা তুরশীন। প্রকৃতি, টেকসই উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যনির্ভর আধুনিক রন্ধনশৈলীর জন্য তিনি এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পের অসাধারণ প্রতিভাকে তুলে ধরার লক্ষে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ায় মাদিহা তুরশিনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি হলেন ফারুক হাসান।

রোববার (২৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি রন্ধনশিল্পী শেফ মাদিহা তুরশীন এর অনন্য এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয় তুলে ধরেছেন। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়-মস্তিষ্ককে নাড়িয়ে দিয়েছেন। ফাইনালে তাকে দেখার প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তাঁর জন্য ভোট প্রার্থনা করেছেন। মাহিদার পরিহিত শেফ-পোশাকটি বাংলাদেশে তৈরি এবং তাঁর বাবা এম এ মোত্তালিব খোকন এবং মা শামীমা নাসরিন চুমকি—উভয়েই দীর্ঘ সময় ধরে বিজিএমইএ-এর গর্বিত সদস্য বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মাদিহার জন্য প্রতিটি ভোট আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্য, প্রকৃতিনির্ভর সমসাময়িক রন্ধনশিল্প এবং টেকসই কুলিনারি দর্শনকে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি হলেন ফারুক হাসান বলেন, ‘একজন আধুনিক ধারার শেফ, রন্ধন-অভিজ্ঞতা পরিকল্পনাকারী ও ফুড আর্টিস্ট হিসেবে মাদিহা ধারাবাহিকভাবে অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তাঁর এই অনন্য যাত্রার মাধ্যমে তিনি কেবল নিজের প্রতিভাই তুলে ধরছেন না, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও করছেন অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে। এই অর্জনের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ তাঁর পরিহিত শেফ-পোশাকটি গর্বের সাথে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বা বাংলাদেশে তৈরি। এটি আমাদের দেশের বিশ্বখ্যাত পোশাক শিল্পের এক শক্তিশালী প্রতীক—যে শিল্প তার গুণমান, কারুকার্য, উদ্ভাবনী শক্তি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।’

তিনি বলেন, ‘এই গর্বের মুহূর্তটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে এই বিষয়টি যে, মাদিহার বাবা এম এ মোত্তালিব খোকন এবং মা শামীমা নাসরিন চুমকি—উভয়েই দীর্ঘ সময় ধরে বিজিএমইএ-এর গর্বিত সদস্য। এটি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সাথে তাঁদের গভীর সম্পৃক্ততারই প্রতিফলন—যে শিল্প বিশ্বজুড়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি প্রতিনিয়ত উজ্জ্বল করে চলেছে। আপনাদের অনেকের ভোটেই তিনি সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন। আজ মাদিহার আবারও আমাদের সমর্থন প্রয়োজন। আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে সহায়তা করার জন্য। প্রতিটি ভোটই হলো বাংলাদেশের জন্য, আমাদের প্রতিভার জন্য এবং আমাদের গর্বের জন্য একটি ভোট।’

ভোটারদের উদ্দেশ্যে ফারুক হাসান আরও বলেন, ‘আপনাদের সমর্থনে তিনি (মাদিহা তুরশীন) নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে পারবেন। অন্যদের এমন উদ্যোগে অনুপ্রাণিত করতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের দেশের সুনাম আরও সুদৃঢ় করতে পারবেন। আমি মাদিহা তুরশিনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। আসুন, আমরা সবাই মিলে তাঁর পাশে দাঁড়াই এবং এই বৈশ্বিক স্বীকৃতিকে বাংলাদেশে বয়ে আনতে সহায়তা করি।’

ভোট দেওয়ার নিয়মাবলী

• কিউআর (QR) কোডটি স্ক্যান করুন অথবা ভোটিং পেজটি ভিজিট করুন (favchef.com/2026/madiha-turshin)।
• কমলা রঙের ‘Vote’ বোতামটিতে ট্যাপ করুন।
• “1 Vote – Free” অপশনটি নির্বাচন করুন।
• ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ভোটটি ভেরিফাই বা নিশ্চিত করুন—এতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগবে।
• প্রতি ২৪ ঘণ্টা পর পর ফিরে আসুন এবং আবারও বিনামূল্যে ভোট দিন।

কালের আলো/জেএন/এএইচ

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ রোমাঞ্চকর পথচলা শেষে পর্দা নামতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরের। আগামীকাল সোমবার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী আয়োজিত এই বিশাল ক্রীড়া উৎসবের জাতীয় পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটায় শুরু হতে যাওয়া এই সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের খুদে ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করতে মাঠের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকেল ৪টায় ভেন্যুতে আগমনের পর প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করবেন। ফুটবল ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত হবে বালক ও বালিকা বিভাগের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল।

খেলা শেষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং থিম সং-এর সাথে শিশু শিল্পীদের মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করবেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের পর বিজয়ী খুদে অ্যাথলেটদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে এবং তাদের সাথে অফিশিয়াল ফটো সেশনে অংশ নেবেন অতিথিবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই ক্রীড়া মেগার আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের সকল উপজেলা ও জেলা থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার শিশু-কিশোর ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টস—এই ৮টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়।

আঞ্চলিক পর্ব পেরিয়ে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হওয়া জাতীয় পর্বে ১০টি অঞ্চলের প্রায় ১,৭০০ ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা অংশ নেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা খেলোয়াড়দের ইতোমধ্যে বিশেষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাছাইকৃত এসব খুদে প্রতিভাকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) বিভিন্ন শাখায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

পাশাপাশি এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোমলমতি শিশুদের ডিজিটাল গ্যাজেট আসক্তি থেকে মুক্ত করে পুনরায় খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনা।

কালের আলো/এসএকে

ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫৮

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪৫৮ জন রোগী।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৯৮ জন।

রোববার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৮ জন, খুলনা বিভাগে ৪৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, রংপুর বিভাগে ১০ জন এবং বরিশালে বিভাগে ৯৯ জন রয়েছেন।

এদিকে চলতি বছরে মোট ১১ হাজার ৯৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এর আগে গত বছর দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন মোট ৪১৩ জন।

কালের আলো/এমএসআইপি