খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকারিভাবে নতুন পাটকল স্থাপন নয়, সব যাবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়: পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
সরকারিভাবে নতুন পাটকল স্থাপন নয়, সব যাবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়: পাটমন্ত্রী

Oplus_131072

দেশে সরকারি উদ্যোগে নতুন কোনো পাটকল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এ খাতে সরকারি নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এদিন বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

পাটমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) আওতাধীন ২৫টি মিলের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯টি মিল চালু আছে। সরকারঘোষিত ৩১ দফার আলোকে বাকি মিলগুলোও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, সোনালি আঁশ পাট শিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্ধ পাটকল চালুসহ নতুন পাটকল স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আছে কিনা?

জবাবে মন্ত্রী বলেন, সোনালি আঁশ পাটশিল্পের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি আগামী ৩০ জুন শেষ হবে। পরবর্তীতে একই ধরনের কার্যক্রম নিয়ে নতুন প্রকল্প রাজস্ব বাজেটের আওতায় বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

বিজেএমসির আওতাধীন ২৫টি মিলের মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯টি মিল চালু আছে। ২০২০ সালের ১ জুলাইয়ের সরকারি সিদ্ধান্তে বিজেএমসি’র আওতাধীন ২৫টি মিলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং ২০টি মিলবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইজারা ভিত্তিতে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে ১৪টি মিলের ইজারা সম্পাদন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯টি মিল চালু করা হয়েছে।

অবশিষ্ট ৬টি মিল ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে, যার মধ্যে ৩টি মিলের বিপরীতে চূড়ান্ত প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে, একটি মিলের বিপরীতে দাখিল করা এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (আগ্রহপত্র) প্রস্তাব মূল্যায়নের কাজ চলছে, ১টি মিলের জন্য আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং ১টি মিলের ইজারা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। আর বাকি মিলগুলোও সরকার ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।

মন্ত্রী বলেন, ইজারা বহির্ভূত ৫টি মিলের মধ্যে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হওয়ায় ৩টি মিল এবং মামলাজনিত কারণে ২টি মিল লিজের বাইরে রাখা হয়েছিল। এই অবস্থায় সরকারিভাবে দেশে নতুন কোনও পাটকল স্থাপনের পরিকল্পনা নেই বরং সরকারি নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে এই সেক্টরে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশ-মালদ্বীপের সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-মালদ্বীপের সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে মালদ্বীপ সফর শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এটি ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রথম সরকারি মালদ্বীপ সফর। এ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া তিনি মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগ, পর্যটন, শ্রম, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও তারা আলোচনা করেন। পাশাপাশি বহুপাক্ষিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সফরের অংশ হিসেবে ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদমের আয়োজিত ডিপ্লোম্যাটিক আউটরিচ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এছাড়া দেশটির ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচি এবং রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজেও অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু কার্যক্রমে দুই দেশের যৌথ অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ইরুথিশাম আদম এবং পরিবেশমন্ত্রী আলী শরীফের সঙ্গে লোনুজিয়ারাই পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর উদ্যোগে গৃহীত ‘পাঁচ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’-এর অংশ। অনুষ্ঠানে পরিবেশগত স্থায়িত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের অভিন্ন অঙ্গীকারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।

মালদ্বীপ সফর শেষে ভেলানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে বিদায় জানান দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ ফাহমি হাসান এবং মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার, কার্যক্রম চালাতে পারবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার, কার্যক্রম চালাতে পারবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখার সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ আদেশ জারি করা আদেশে এ অনুমতি প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে ১৯ জুলাই জারি করা এক নির্দেশনায় হাসপাতালটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল।

ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণের ভিত্তিতে লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালটির জন্য কয়েকটি শর্তও উল্লেখ করা হয়েছে।

এগুলো হচ্ছে, The Medical Practice and Private Clinics and Laboratories (Regulation) Ordinance, 1982–এর বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে।

পাশাপাশি লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী চিকিৎসক নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, লাইসেন্নসের শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে সরকার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গত ১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা জারি করেছিল। তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হাসপাতালটির লাইসেন্স পুনর্বহাল করা হলো।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ডেপুটি স্পিকারের নাম-প্যাড জালিয়াতি, সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ডেপুটি স্পিকারের নাম-প্যাড জালিয়াতি, সতর্কতা জারি

Oplus_131072

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর, দাপ্তরিক প্যাড, সরকারি লোগো ও স্মারক নম্বর জাল করে একটি ডিও পত্র তৈরি এবং তা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে দাখিল করে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।

বিষয়টি জাতীয় সংসদ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সংসদ সচিবালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রচারিত ও দাখিল করা ওই পত্রটি জাতীয় সংসদ কর্তৃক ইস্যু করা হয়নি এবং এর সঙ্গে জাতীয় সংসদের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের নাম, লোগো, প্যাড কিংবা অন্য কোনো সরকারি পরিচয় জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা একটি মারাত্মক আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, বিষয়টি নজরে আসার পরপরই জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতি এড়াতে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা জারির অনুরোধ জানানো হয়েছে। জাতীয় সংসদের নামে কোনো ডিও বা সরকারি পত্র প্রাপ্ত হলে সংশ্লিষ্ট যেকোনো কর্তৃপক্ষকে সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাখার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে পত্রের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সর্বসাধারণ, সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে সংসদ সচিবালয় কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসএকে