খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে রোহিঙ্গা প্রত‌্যাবাসন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
মিয়ানমারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে রোহিঙ্গা প্রত‌্যাবাসন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি অত্যন্ত জটিল, সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক বিষয় উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, এর সমাধানের গতি প্রকৃতি অনেকাংশেই নির্ভর করছে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক চাপ এবং সর্বোপরি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার ওপর।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক টেবিলে উত্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানান, রাখাইন রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে জাতিগত সংঘাত ও যুদ্ধাবস্থা চলছে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কোনো শরণার্থীকে জোরপূর্বক বা অনিরাপদ পরিবেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। তবে আমাদের সরকার রাখাইন রাজ্যে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে একটি কার্যকর সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সে লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রত্যাবাসনের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা সময়সীমা এখন পর্যন্ত নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে আসার সাথে সাথেই যাতে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়, সেজন্য আমাদের সকল প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রাখা হয়েছে।

উপযুক্ত সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে রোহিঙ্গা মুসলমানদের স্থায়ী ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন শুরু করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে জানান, সরকারের কঠোর নজরদারি ও বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযানের ফলে ক্যাম্পে অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে খুনের ঘটনা গত তিন বছরে রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। ২০২৩ সালে ক্যাম্পে খুনের ঘটনা ছিল ৬৬টি। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৪৯টিতে। ২০২৫ সালে তা আরও কমে ৩৫টিতে নেমে আসে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে খুনের সংখ্যা মাত্র ৬টিতে দাঁড়িয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লক্ষ ৮৯ হাজার ২১৩ জন। এ পর্যন্ত ৮ লক্ষ ২৯ হাজার ৩৩৬ জন রোহিঙ্গার তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মিয়ানমারকে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের আওতায় ৯১০.৫ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তার আহ্বান জানানো হয়েছে, যার বিপরীতে এখন পর্যন্ত ২৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওয়া গেছে।

পরিশেষে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কোনো রাজনীতি নয়, বরং বাস্তবসম্মত ও স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

লুকোচুরি না করে সবার স্বীকার করা উচিত, মেসিই সর্বকালের সেরা: রোনালদো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
লুকোচুরি না করে সবার স্বীকার করা উচিত, মেসিই সর্বকালের সেরা: রোনালদো

লুকোচুরি না করে সবার স্বীকার করা উচিত, মেসিই সর্বকালের সেরা: রোনালদো

ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি কখনো একে অপরের বিপক্ষে বা সতীর্থ হিসেবে মাঠে নামেননি। তবু দুইজনের মধ্যে রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহের সম্পর্ক। এবার সেই সম্পর্ক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল রোনালদোর খোলাখুলি স্বীকারোক্তিতে।

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রোনালদো নাজারিও অনেকদিন ধরে ক্লোসার পরে একক অবস্থানে ছিলেন। সম্প্রতি মেসি সেই রেকর্ড স্পর্শ করায় রোনালদো নিজেই উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।

রোনালদো বলেন, ‘মেসি যখনই মাঠে নামে, প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে ওঠে নান্দনিক ও ঐতিহাসিক। আর লুকোচুরি না করে এখন সবারই স্বীকার করে নেওয়া উচিত যে, মেসিই সর্বকালের সেরা ফুটবলার। প্রতি মৌসুমে এবং বিশ্বকাপেও অসাধারণ পারফরম্যান্স করে যাচ্ছে সে। এটা সত্যিই অতুলনীয়।’

রেকর্ড ভাঙার বিষয়টি নিয়েও রোনালদো ছিলেন পুরোপুরি নিশ্চিত। তিনি যোগ করেন, ‘রেকর্ড তো গড়াই হয় ভাঙার জন্য। আর যে খেলোয়াড় আমার রেকর্ড ভেঙেছে, তাতে কেউ অবাক হয়নি। আর্জেন্টিনা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এবং তারা চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলছে।’ অন্যদিকে মেসি রেকর্ড নিয়ে নিজের ভাবনা জানিয়ে বলেছেন, এই ধরনের পরিসংখ্যান তাঁকে খুব একটা আকর্ষণ করে না। তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে এই রেকর্ড আমাকে খুব বেশি টানে না। অবশ্যই সম্মানের, কারণ ক্লোসা ও রোনালদোর পাশে নামটা দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু আমি এসব নিয়ে খুব বেশি ভাবি না। এমবাপেও দারুণ খেলছে, আজও দুই গোল করেছে। এগুলো শুধু সংখ্যা। আসল সম্মান হলো সবার সঙ্গে লড়াই করা। রোনালদো আমার দেখা অন্যতম সেরা ফুটবলার। তিনি এখন আর প্রথম সারিতে নেই, তবু তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা কখনো কমবে না।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য কাতারের জরুরি নির্দেশনা

Oplus_131072

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর জন্য রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা বাতিলসংক্রান্ত জরুরি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কাতার সরকার। এখন থেকে কাতারে যেসব প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করা হবে, তাদের বাতিলের তারিখ থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় তাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর গালফ নিউজের।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ আয়োজিত নিরাপদ ভ্রমণবিষয়ক এক ওয়েবিনারে বিমানবন্দর পাসপোর্ট বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আলি আহমেদ আলি আল কুয়ারি প্রবাসীদের জন্য এই নতুন নির্দেশনা ও নিয়মের কথা জানান। তিনি বলেন, রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের পর প্রবাসীদের কাতার ছাড়ার জন্য আগে যে ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হতো, নতুন নিয়মে তা কমিয়ে দুই সপ্তাহ বা ১৪ দিন করা হয়েছে।

আল কুয়ারি প্রবাসীদের সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রবাসী নতুন নির্ধারিত ১৪ দিনের সময়সীমা অতিক্রম করে কাতারে অবস্থান করলে, তাকে অতিরিক্ত প্রতি দিনের জন্য ১০ কাতারি রিয়াল হারে জরিমানা গুনতে হবে।

একই ওয়েবিনারে কাতার প্রবাসী ও ভ্রমণকারীদের পাসপোর্টে সংযুক্ত ভিসা স্ট্যাম্পে উল্লিখিত ভিসার বৈধতা এবং অবস্থানের মেয়াদ সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়। আল কুয়ারি বলেন, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি কেউ কাতারে অবস্থান করেন, তবে তাকে প্রতিদিন ২০০ কাতারি রিয়াল হারে ভারী জরিমানা দিতে হবে।

বাংলাদেশিসহ সব প্রবাসীর যেকোনো ধরনের ভ্রমণের আগে ‘মেতরাশ’ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিজেদের আইনি অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার বিশেষ পরামর্শ দিয়েছে কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরা কাতার ছাড়ার আগে তাদের কোনো বকেয়া ট্রাফিক জরিমানা, অতিরিক্ত অবস্থানের জরিমানা কিংবা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, তা সহজেই পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

এ ছাড়া যেসব প্রবাসী তাদের নতুন পাসপোর্টে রেসিডেন্স পারমিট বা আকামা স্থানান্তর করতে চান, তারাও কোনো সরকারি দপ্তরে না গিয়ে এই মেতরাশ অ্যাপের মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্র

Oplus_131072

স্বাস্থ্যখাতে স্পেশাল বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা অথৈ সাগরের ভেতরে সাঁতার কাটছি। তবুও আল্লাহর রহমতে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৫ হাজার ডাক্তার নেব। আরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ১৪ জন চিকিৎসক নতুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন যোগদান করেনি। দুইজন কনসালটেন্ট দেওয়া হয়েছে। আরও যা লাগবে, আমরা আমরা দেব।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে যে ডেপুটেশন ছিল এগুলো আমরা বাতিল করছি। এখানেও একজন নারী ডাক্তার দুই মাস ধরে আসেন না। খবর পেয়েছি তিনি অন্য জায়গায় প্র্যাকটিস করেন। তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে তিনি এখানে যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিছু কিছু কাজ আমরা করছি। ১৭ বছরের জঞ্জাল তো একবারে শেষ করতে পারবো না।

মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা আসলে একটা টিম। ডাক্তার, নার্স, আয়াসহ অন্যান্য যারা রয়েছে, আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। আমাদের সমন্বিতভাবে দেশটাকে গড়তে হবে। স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি। এটা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি। আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। বিনা চিকিৎসায় কাউকে মরতে দিতে চাই না। এই জিনিসগুলো বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে মানুষ যাতে সত্যিকারের সেবা পায়, সেজন্য আমরা সবাইকে মোটিভেট করছি। আর ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের জন্য আমরা ডিসিকে বলেছি।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এরপর বলেন, আমাদের আসার উদ্দেশ্য হাসপাতালের নতুন ভবনটি দেখা, এটা খুব শিগগিরই উদ্বোধন করবো। এটাতে কি কি ফার্নিচার ও যন্ত্রপাতি লাগবে, এগুলো দেখলাম। হাসপাতালের সুপেয় পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা আরও আধুনিক করতে হবে, যাতে পানি স্মুথলি চলে যেতে পারে, কোথাও যাতে পানি না জমে। হাসপাতালে একটা ফ্রিজার দিতে হবে। এই বাকি কাজগুলো আমাদের করতে হবে। এগুলো শেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটির ২৫০ শয্যা উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, এই হাসপাতালে সার্ভিসের ব্যবস্থা দেখলাম। কর্মচারীরা বেতন ঠিক মতো পায় কিনা, তাদের উপস্থিতি ঠিক আছে কিনা, ডাক্তাররা নিয়মিত আসেন কিনা, নতুন পদায়নকৃত ডাক্তাররা ঠিকমতো কাজ করছেন কিনা— বিভিন্ন সাইড আমরা দেখলাম। আমি এই হাসপাতালে বড় ধরনের কোনো নোটেবল ত্রুটি পাইনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেক হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা চালুসহ ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছি। আমরা এ বিষয়ে মিটিং করেছি, টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেকটি জেলায় প্রত্যেকটি হাসপাতালে এমনকি উপজেলা পর্যন্ত গরিব মানুষ যাতে কম টাকায় কিডনি ডায়ালাইসিস করতে পারে, এজন্য আমরা মেশিন ক্রয় করছি। গরিব মানুষ কিডনি ডায়ালাইসিস যাতে কম টাকায় করতে পারে, এজন্য আমরা এবার বাজেটেও কিডনি ডায়ালাইসিসের টাকা কমিয়ে দিয়েছি। গত সপ্তাহেও ১০টি হাসপাতালে আমরা আইসিইউ দিয়েছি।

এর আগে, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ওয়ার্ডের টয়লেট ও রান্নাঘর দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন রোগীদের কাছে খোঁজখবর নেন। এছাড়া, হাসপাতালের নতুন ভবন তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে গিয়ে কর্মরত ডাক্তারদের হাজিরা খাতা চেক করেন। পরে বাইরে এসে হাসপাতালে মাস্টাররোলে নিয়োজিত কর্মচারীদের হাজিরা খাতা নিয়ে তারা উপস্থিতি আছে কিনা, তা পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দালালমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ সময় জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে