খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না রাখে: এসএসএফকে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না রাখে: এসএসএফকে প্রধানমন্ত্রী

নিজের নিরাপত্তার কড়া ঘেরাটোপ যেন তাকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়- স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সকে (এসএসএফ) এ বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, সরকারপ্রধান হিসেবে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই নিরাপত্তার কড়া ঘেরাটোপ যাতে সরকার প্রধানকে সাধারণ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন বা দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই দুর্ব্যবহারের শিকার না হয়, সে ব্যাপারেও তিনি বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘শাপলা হলে’ এসএসএফ-এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী এসএসএফ-এর নবনির্মিত অত্যাধুনিক ফায়ারিং রেঞ্জ উদ্বোধন করেন এবং বাহিনীর একটি বিশেষ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসাকালীন ও তার মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে এসএসএফ-এর নিষ্ঠাপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

তারেক রহমান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন মেয়াদে সরকারপ্রধান থাকাকালে এবং জীবনের শেষ দিনগুলোতে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এসএসএফ অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিল। তার মৃত্যুর পর বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম নামাজে জানাজা আয়োজনের ক্ষেত্রেও প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে এসএসএফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এজন্য তারেক রহমান নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর এ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে ‘এসএসএফ’ রাখা হয় এবং এর পরিধি বৃদ্ধি করা হয়। সময়ের বিবর্তনে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এসএসএফ-এর মতো একটি বিশেষায়িত বাহিনীর জন্য সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখতে তিনি তাগিদ দেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ম্যান্ডেট নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে নিজের কর্মপদ্ধতি নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং সড়কে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমি আমার গাড়িবহরের আকার সীমিত করেছি। ফলে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে এসএসএফ-কে দক্ষতা ও নিরাপত্তা কৌশলের ওপর বেশি জোর দিতে হচ্ছে। নাগরিক জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রেখে এবং সরকার প্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে যে সমন্বয় আপনারা করছেন, তা প্রশংসনীয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ সময় পর (২০০২ সালের পর) এসএসএফ-এর মূল নির্দেশিকা ‘রেড বুক’ সময়ের চাহিদানুযায়ী পুনরায় সংস্কার করে আধুনিক ও সময়োপযোগী করা হয়েছে। এটি এসএসএফ-এর কার্যপদ্ধতির নীতিমালার পাশাপাশি আইনী সুরক্ষাও নিশ্চিত করবে।

এসএসএফ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, রেড বুকের নির্দেশনাসমূহ কঠোরভাবে মানার পাশাপাশি পরিস্থিতি বিবেচনায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে। বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং ‘চেইন অব কমান্ড’ কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের অন্য সকল নিরাপত্তা বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সুসমন্বয় বজায় রেখে জাতীয় নিরাপত্তা ও ভিভিআইপিদের সুরক্ষায় এসএসএফ আরও যুগোপযোগী ভূমিকা রাখবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

Oplus_131072

এবার সারা দেশে সম্পূর্ণ অভিন্ন প্রশ্নে এইচএসসি ও সমমানের বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের এবার একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় বসতে হবে। এর আগে বিভিন্ন বোর্ডের অধীনে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার রেওয়াজ থাকলেও, শিক্ষার গুণগত মান ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও সমতায় আনতেই এই অভিন্ন প্রশ্নপত্রের নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বোর্ড পরীক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরের ভর্তি নিয়েও নতুন নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, এখন থেকে প্রথম শ্রেণিতে শিশুদের ভর্তি পরীক্ষা হবে একেবারেই নামমাত্র। শিশুদের ওপর থেকে মানসিক চাপ কমাতে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত কোচিং-নির্ভর বা যেকোনো ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পুরোপুরি পরিহার করা হবে।

শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের ওপর জোর দিয়ে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রামের চূড়ান্ত পর্ব আগামী ২৯ জুন ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, শনিবার(১৯ জুন) প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন সরকারের নতুন শিক্ষা দর্শনের কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার প্রচলিত সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে বাস্তবজীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মমুখী শিক্ষাপদ্ধতি প্রচলন করতে চায়। এরই অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করা হচ্ছে, যা পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতেও সম্প্রসারণ করা হবে।

এছাড়া দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পর্যায়ক্রমে গণিত ও বিজ্ঞান ল্যাব স্থাপন এবং খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসএকে

শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী কেমব্রিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী কেমব্রিজ

কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, দক্ষ শিক্ষক তৈরি এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিষ্ঠানটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, পাঠ্যক্রম সংস্কার, মূল্যায়ন পদ্ধতির আধুনিকায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় কেমব্রিজের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে কেমব্রিজের প্রতিনিধিরা সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ উদ্যোগসহ শিক্ষা খাতে নেওয়া বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা-সব পর্যায়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী, কর্মসংস্থানমুখী এবং শিল্পখাত-সংশ্লিষ্ট করতে কাজ করছে। তিনি জানান, নতুন শিক্ষাদর্শনে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং বাস্তব দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আধুনিক শিক্ষণ-পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ ও নাগরিক মূল্যবোধ বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে উভয় পক্ষই শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়।

কেমব্রিজের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন অরুণ রাজামানি, বিনয় শর্মা এবং সারওয়াত মাসুদা রেজা।

কালের আলো/এম/এএইচ

সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান নিয়ে আপত্তি, সমাধান দিলেন স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান নিয়ে আপত্তি, সমাধান দিলেন স্পিকার

Oplus_131072

জাতীয় সংসদের সদস্যরা যার যার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদের বৈঠকের শুরুতে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তিনি।

এর আগে গত ১৬ জুন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান সংসদ কক্ষে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে আপত্তি জানান। সেদিন স্পিকার জানিয়েছিলেন সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। এরপর গতকাল বুধবার (১৭ জুন) বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুকও বিষয়টি সুরাহার জন্য অনুরোধ জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তিনি জানিয়েছিলেন বিষয়টি পরীক্ষা করে জানানো হবে। সে প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন। তিনি জানান, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭ (১) তে বলা আছে —‘সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সদস্য সংসদে প্রবেশ করার বা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করার সময় এবং তাহার আসন গ্রহণ বা ত্যাগ করার সময়ে সভাপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করিবেন।’

স্পিকার বলেন, এ বিধিতে ২০০৬ সালে সংশোধন করে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। ২০০৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অষ্টম সংসদে কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি রিপোর্ট দেয়। ২৬ সেপ্টেম্বর এটি সংসদে গৃহীত হয়।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আপনারা যারা যার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন।

কালের আলো/এসএকে