খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী কেমব্রিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী কেমব্রিজ

কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, দক্ষ শিক্ষক তৈরি এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিষ্ঠানটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, পাঠ্যক্রম সংস্কার, মূল্যায়ন পদ্ধতির আধুনিকায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় কেমব্রিজের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে কেমব্রিজের প্রতিনিধিরা সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ উদ্যোগসহ শিক্ষা খাতে নেওয়া বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা-সব পর্যায়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী, কর্মসংস্থানমুখী এবং শিল্পখাত-সংশ্লিষ্ট করতে কাজ করছে। তিনি জানান, নতুন শিক্ষাদর্শনে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং বাস্তব দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আধুনিক শিক্ষণ-পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সমন্বয় করে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বগুণ ও নাগরিক মূল্যবোধ বিকাশে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে উভয় পক্ষই শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়।

কেমব্রিজের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন অরুণ রাজামানি, বিনয় শর্মা এবং সারওয়াত মাসুদা রেজা।

কালের আলো/এম/এএইচ

সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের

Oplus_131072

সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে একজন সেনাসদস্য কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান নবীন কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। এই সেনাবাহিনীর নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব অফিসারদের। প্রশিক্ষণ শেষে তোমরা যে নতুন জীবনে পদার্পণ করছ, সেখানে তোমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি।’

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিবেদিতপ্রাণ, দক্ষ, চৌকস ও একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযুক্ত নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের আনুগত্য, শৃঙ্খলা ও কর্তব্যবোধের কারণেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।

প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের ওপর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব ন্যস্ত হলো।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মোট ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী অফিসার রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনের ৪ জন, তানজানিয়ার ১ জন, জাম্বিয়ার ১ জন এবং মালদ্বীপের ১ জনসহ মোট ৭ জন বিদেশি অফিসার ক্যাডেট এই একাডেমি থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যারা নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে অসামান্য গৌরবমণ্ডিত ‘সোর্ড অব অনার’ এবং সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন। পাশাপাশি সর্বশ্রেষ্ঠ বিদেশি ক্যাডেট হিসেবে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ অর্জন করেন তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর। কুচকাওয়াজ শেষে নবীন অফিসাররা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আনুষ্ঠানিক শপথ নেন এবং অভিভাবকেরা তাদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন।

এর আগে প্রধান অতিথি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা এবং নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীকালে সেনাবাহিনী প্রধান বিএমএতে প্রশিক্ষণরত ক্যাডেটদের পেশাগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের সার্বিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নবনির্মিত ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ উদ্বোধন করেন।  এছাড়া তিনি বিএমএতে নবনির্মিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), ভাটিয়ারি; বিএমএ পার্ক; বিএমএ সুইমিং পুল এবং এমইএস অফিস কমপ্লেক্স প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে

সিলেটে বজ্রাঘাতে নিহত ২

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
সিলেটে বজ্রাঘাতে নিহত ২

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে বজ্রাঘাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাঘমারার পূর্ব কাটু টিলা সংলগ্ন হাওরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন সাবির মিয়া ও হামিদ মিয়া। তারা দুজনই মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর জানান, সকালে ওই দুজন জেলে নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে গয়াসি হাওরে যান। দুপুরের দিকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ বজ্রাঘাত হলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই জেলের। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে: আইনমন্ত্রী

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলেন মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম করবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর ‘গরিব মারার বাজেট’ কিংবা ‘বড়লোকের বাজেট’ বলে সমালোচনা করা হতো। কিন্তু এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ এই বাজেট গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী ও কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি কোনো একদিনের চিন্তার ফল নয়; বরং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন।

বাজেটকে স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বলে সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। উচ্চাভিলাষ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা খাতের প্রসঙ্গ তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে অতিরিক্ত প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অর্থপাচার, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার একটি বাস্তবমুখী ও উন্নয়নবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য খাল ও নদী পুনঃখনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর-সুবিধা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, জনগণের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার লুটপাট ও অর্থপাচারনির্ভর অর্থনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। প্রস্তাবিত বাজেট সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

আইনমন্ত্রী বলেন, এ বাজেট দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা এতে তুলে ধরা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ