খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের

Oplus_131072

সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মাধ্যমে একজন সেনাসদস্য কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান নবীন কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। এই সেনাবাহিনীর নেতৃত্বের মূল দায়িত্ব অফিসারদের। প্রশিক্ষণ শেষে তোমরা যে নতুন জীবনে পদার্পণ করছ, সেখানে তোমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বেশি।’

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিবেদিতপ্রাণ, দক্ষ, চৌকস ও একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপযুক্ত নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের আনুগত্য, শৃঙ্খলা ও কর্তব্যবোধের কারণেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।

প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের ওপর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব ন্যস্ত হলো।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মোট ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী অফিসার রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনের ৪ জন, তানজানিয়ার ১ জন, জাম্বিয়ার ১ জন এবং মালদ্বীপের ১ জনসহ মোট ৭ জন বিদেশি অফিসার ক্যাডেট এই একাডেমি থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যারা নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগ দেবেন।

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে অসামান্য গৌরবমণ্ডিত ‘সোর্ড অব অনার’ এবং সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন। পাশাপাশি সর্বশ্রেষ্ঠ বিদেশি ক্যাডেট হিসেবে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ অর্জন করেন তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর। কুচকাওয়াজ শেষে নবীন অফিসাররা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আনুষ্ঠানিক শপথ নেন এবং অভিভাবকেরা তাদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন।

এর আগে প্রধান অতিথি বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, দেশি-বিদেশি উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা এবং নবীন কর্মকর্তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীকালে সেনাবাহিনী প্রধান বিএমএতে প্রশিক্ষণরত ক্যাডেটদের পেশাগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের সার্বিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নবনির্মিত ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ উদ্বোধন করেন।  এছাড়া তিনি বিএমএতে নবনির্মিত সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), ভাটিয়ারি; বিএমএ পার্ক; বিএমএ সুইমিং পুল এবং এমইএস অফিস কমপ্লেক্স প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন।

কালের আলো/এসএকে

জায়েদা স্কুলে তুলসী গাছের চারা বিতরণ

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জায়েদা স্কুলে তুলসী গাছের চারা বিতরণ

ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জায়েদা মডেল প্রি ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে ৩১ টি তুলসী (ঔষধী) গাছের চারা বৃহস্পতিবার ( ১৮ জুন) বিকেলে বিতরণ করা হয়েছে।

সাপ্তাহিক ফুল খড়ি’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধি মোঃ নুরুল ইসলাম খান এর উদ্যোগে ওষুধী গাছের চারা বিতরণ কালে আমন্ত্রিত অতিথি হাকিম মোঃ ছাইদুল ইসলাম বলেন তুলসী(ঔষধী) গাছের অনেক গুনাগুন, বিশেষ করে কফ কাশি ও ফুসফুসের জন্য অনেক কাজ করে। তিনি বলেন খালি পেটে দুটি করে তুলসী পাতা খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধি পায় এবং ছোট ছোট টিউমার নিরাময় হয়।

তিনি এ মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এ সময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক ফুলখড়ি কেন্দ্রীয় পাঠক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোজাম্মেল হক, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, আলহেরা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয় এর সিনিয়র শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল আউয়াল, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ আবু তাহের (বিএসসি) অভিভাবক মোঃ আবুল হাশেম, প্রধান শিক্ষক আফরোজা খাতুন, সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন, জাহিদুল হাসান প্রমুখ।

জায়েদা স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ নুরুল ইসলাম খান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন এ ওষুধী গাছটি আজকেই সুন্দরভাবে রোপন করতে হবে এবং পরিচর্যা দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তিনি এ আয়োজনে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু, আরো ১০১ জন হাসপাতালে ভর্তি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু, আরো ১০১ জন হাসপাতালে ভর্তি

হামের প্রকোপের মধ্যে চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ডেঙ্গু জ্বর। দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০১ জন। তবে এই সময়ে নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন এবং খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০ জন রয়েছেন।

এই সময়ে ১২৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৩ জন।

চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬০০ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ ও ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী। এই বছর সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। ওই বছর দেশে তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৭৪৯ জন। মশাবাহিত এই রোগে মারা যান এক হাজার ৭০৫ জন, যা দেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
এসএসএফের পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) নবনির্মিত ফায়ারিং রেঞ্জে অস্ত্রচালনা ও নিশানা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসএসএফের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স ব্যবহৃত একটি পিস্তল দিয়ে নিশানা পরীক্ষা করেন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী এসএসএফ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রশিক্ষণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং নবনির্মিত ফায়ারিং রেঞ্জের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

পরে তিনি এসএসএফ সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বাহিনীর পেশাদারত্ব, দক্ষতা ও প্রস্তুতির প্রশংসা করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি