খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

জায়েদা স্কুলে তুলসী গাছের চারা বিতরণ

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জায়েদা স্কুলে তুলসী গাছের চারা বিতরণ

ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত জায়েদা মডেল প্রি ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে ৩১ টি তুলসী (ঔষধী) গাছের চারা বৃহস্পতিবার ( ১৮ জুন) বিকেলে বিতরণ করা হয়েছে।

সাপ্তাহিক ফুল খড়ি’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধি মোঃ নুরুল ইসলাম খান এর উদ্যোগে ওষুধী গাছের চারা বিতরণ কালে আমন্ত্রিত অতিথি হাকিম মোঃ ছাইদুল ইসলাম বলেন তুলসী(ঔষধী) গাছের অনেক গুনাগুন, বিশেষ করে কফ কাশি ও ফুসফুসের জন্য অনেক কাজ করে। তিনি বলেন খালি পেটে দুটি করে তুলসী পাতা খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বৃদ্ধি পায় এবং ছোট ছোট টিউমার নিরাময় হয়।

তিনি এ মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এ সময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক ফুলখড়ি কেন্দ্রীয় পাঠক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোজাম্মেল হক, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, আলহেরা একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয় এর সিনিয়র শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল আউয়াল, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ আবু তাহের (বিএসসি) অভিভাবক মোঃ আবুল হাশেম, প্রধান শিক্ষক আফরোজা খাতুন, সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিন, জাহিদুল হাসান প্রমুখ।

জায়েদা স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ নুরুল ইসলাম খান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন এ ওষুধী গাছটি আজকেই সুন্দরভাবে রোপন করতে হবে এবং পরিচর্যা দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তিনি এ আয়োজনে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

হত্যা মামলায় ‘দেশ টিভি’র সাবেক এমডি আরিফ হাসানকে গ্রেফতার আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
হত্যা মামলায় ‘দেশ টিভি’র সাবেক এমডি আরিফ হাসানকে গ্রেফতার আদেশ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় দায়ের হওয়া প্রাইভেটকার চালক বাবুল হত্যা মামলায় দেশ টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আরিফ হাসানকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সাঈদের আবেদনের পর এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, মো. আরিফ হাসান এরই মধ্যে একাধিক মামলায় গ্রেফতার রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, তিনি এই হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় ‘মূল অর্থ জোগানদাতা’ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন এবং তার সহযোগীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সহিংস কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাহমিনা সুলতানা আবেদনটির বিরোধিতা করে বলেন, আরিফ হাসান একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং তিনি কখনো রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে নয়টি মামলা থাকলেও তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত এবং হার্টে রিং পরানো রয়েছে। একই দিনে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগও বাস্তবসম্মত নয় বলে দাবি করেন তিনি।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন প্রাইভেটকার চালক বাবুল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উত্তরা উইমেন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় গত বছরের ২২ জুলাই নিহত বাবুলের স্ত্রী বিমানবন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জামায়াতের সেই সংসদ সদস্যকে ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
জামায়াতের সেই সংসদ সদস্যকে ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে গতকাল সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য বরাদ্দ দেওয়া ফ্ল্যাটগুলোতে একটি করে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান। জামায়াতের সেই সংসদ সদস্যকে সেই ওভেন দিতে চেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ তাকে মাইক্রোওয়েভ দিতে চান। পাশাপাশি জামায়াতের নেতা যা চেয়েছেন তা দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, জামায়াতের এমপির এই ডিমান্ডস ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ, অ্যান্ড কার্টিনস— এটা আমাকে অনেক লজ্জা দেয়।

বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের আলোচনা শুরুর প্রাক্কালে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলেন আন্দালিব রহমান পার্থ।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদ চলাকালীন বা সংসদের ব্যাপারে হতে হবে। এজন্য আমি মনে করলাম যে, এটা একটা ব্রডার কনটেক্সটে সংসদকে এফেক্ট করে। অনেক কষ্টের পরেই এই পার্লামেন্ট আমরা পেয়েছি এবং আমি আমার প্রথম স্পিচেও বলেছিলাম যে, এটা বেস্ট পার্ট অফ দ্য পার্লামেন্ট। এই যে এখানে স্বৈরাচারের কোনও দোসর বা ফ্যাসিস্টের কেউ নেই। গত পার্লামেন্ট শুধু গণতন্ত্রকে হত্যা করেনি, পার্লামেন্টের স্ট্যান্ডার্ডকে সাংঘাতিকভাবে নষ্ট করেছে। আমরা দেখেছি এখানে মমতাজের গান হয়েছে। এখানে অন্য কিছু হয়েছে।

পার্থ বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে যে, ডাইরেক্টলি ওদিকে না গেলেও কিছু কিছু জায়গায় কিন্তু আমরা ওদিকে চলে যাচ্ছি। আমরা কিন্তু মেম্বার অব পার্লামেন্ট ছাড়াও অ্যাম্বাসেডরস অব দ্য পার্লামেন্ট। আমরা যখন বাইরে কোথাও যাই, আমরা পার্লামেন্টকে রিপ্রেজেন্ট করি। গত দিন পার্লামেন্ট থেকে যাওয়ার পরে আমি অনেক টেলিফোন পাই এবং সেখানে আমি ডিফেন্ড করার চেষ্টা করি। ডেইলি স্টার নিউজ করে জামায়াত এমপির ডিমান্ডস ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ, অ্যান্ড কার্টিনস— এটা আমাকে অনেক লজ্জা দেয়। আমি মনে করি, এটা এই পার্লামেন্টকে অনেক লজ্জা দেয় যে— একটা মেম্বার অব পার্লামেন্ট এখানে দাঁড়িয়ে যেখানে জনগণের কথা বলবে, জনগণের দাবির কথা বলবে— সেখানে উনি ওয়াশিং মেশিন পেল না, মাইক্রোওয়েভ পেল না, সেই ব্যাপারে বলছে।

১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার ঘোষণা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পার্থ সংসদে বলেন, ওনারা বলেছিলেন যে, আমরা গাড়ি নেব না, প্লট নেব না। গাড়ি আর প্লট যখন ওনারা বাদ দিলেন, তখন ওনাদের বুকের ওপরে কত বড় পাথর চাপা দিয়ে বাদ দিতে হলো যে, মাইক্রোওয়েভ আর ওয়াশিং মেশিনের জন্য এই পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে কথা বলতে হচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে যে, এই স্ট্যান্ডার্ড আমাদের মেইনটেইন করা উচিত।

পার্থ বলেন, তারপরও আমার ভাই যেহেতু কমেন্ট করেছেন। আমি উনাকে বিব্রত না করে আগামীতে যদি উনার পর্দা বা ওভেন লাগে, আমি আমার তরফ থেকে ওনাকে একটা মাইক্রোওয়েভ দিতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে রিকুয়েস্ট করতে চাই, যদি ওয়াশিং মেশিনটা উনি দেন। হোম মিনিস্টার থাকলে আমি বলতাম যে, পর্দাটা যদি উনি কিনে দিতেন, ওনার সংসারটা আমরা গুছিয়ে দিতে পারতাম। তারপরও উনি যেন সংসদকে বিব্রত না করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার পাহাড়, ছাড়াল সাড়ে ১২ হাজার কোটি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার পাহাড়, ছাড়াল সাড়ে ১২ হাজার কোটি

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে ক্রমেই টাকার পাহাড় গড়ছেন বাংলাদেশিরা। সেখানে বাংলাদেশিদের আমানত ছাড়িয়েছে ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কেবল ২০২৫ সালেই বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৪১ শতাংশ, জমা পড়েছে তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক- সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি)।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সাল নাগাদ ব্যক্তি ও ব্যাংক কর্তৃক সুইস ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১২ হাজার ৫১২ কোটি টাকা)-তে পৌঁছেছে, যা এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে এটি ছিলো ৫৮ কোটি ৯৫ লাখ সুইস ফ্রাঁ। যেটি টাকার হিসাবে আট হাজার ৮৪৩ কোটির বেশি। অর্থাৎ, এই সময়ে অর্থ বেড়েছে তিন হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা।

এর আগে ২০২১ সালে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। যেটি ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাংলাদেশি আমানত। এরপরের দুবছর নজিরবিহীন হারে টাকা তুলে নেয় বাংলাদেশিরা। ফলে ২০২৩ সালে আমানত কমে দাঁড়ায় মাত্র ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ। তবে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে হঠাৎ এই উলম্ফনের কোনো কারণ উল্লেখ করেনি সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব:
বাংলাদেশে সুইস ফ্রাঁর খুব একটা প্রচলন নেই। বর্তমান বাজারদর অনুসারে এক সুইস ফ্রাঁতে ১৫২ থেকে ১৫৩ টাকা পাওয়া যায়। প্রতি সুইস ফ্রাঁ ১৫২ টাকা ধরলে সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে সুইস ব্যাংকে ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশিদের অর্থ জমার পরিমাণ ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা।

এসএনবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ ও ২০২৩ সালে পরপর দুই বছর সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গিয়েছিল। ওই দুই বছর যথাক্রমে সাড়ে ৫ কোটি সুইস ফ্রাঁ ও পৌনে ২ কোটি সুইস ফ্রাঁ জমা ছিল।

২০২৪ সালে ছাত্র–জনতার অভ্যুথানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের অনেক মন্ত্রী, এমপি এবং আওয়ামী লীগ–ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা দেশ ছাড়েন। তাঁদের অনেকের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। এসব কারণে তাঁদের অনেকে বিশ্বের এক দেশ থেকে অন্য দেশে অর্থ স্থানান্তর করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার বিগত সরকারের সময়ে বিপুল অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে—এমন তথ্য উঠে এসেছে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্রে। পাচার হওয়া অর্থও বিভিন্ন উপায়ে সুইস ব্যাংকে জমা হতে পারে।

একসময় সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো পাচার হওয়া অর্থ জমা রাখার জন্য অন্যতম পছন্দের গন্তব্য ছিল। কারণ, তখন দেশটির ব্যাংকগুলো এসব তথ্য অন্য কোনো দেশের সঙ্গে আদান–প্রদান করত না। অর্থ পাচারসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় ছিল না সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলো; কিন্তু গত কয়েক বছরে সেই দৃশ্যপট অনেকটাই পাল্টে গেছে।

আন্তর্জাতিক নানা চুক্তির কারণে এখন সুইজারল্যান্ড বিভিন্ন দেশের সরকারের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করে। তাই এখন অনেকে ব্যবসা–বাণিজ্যের আড়ালে বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার করেন— এমন অভিযোগ আছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন