খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ঢাকায় আ.লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ

Oplus_131072

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের শাস্তির দাবিতে ঢাকায় মিছিল বের করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সেই ঝটিকা মিছিল থেকে তিন-চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের মূল সড়কে এ মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে এক নারীসহ দুজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন- মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আরা বেবি (৫০) ও শামীম হোসেন (৪৮)।

শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিন-চার‍টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।

কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের লোকজন এটি ঘটিয়েছে। যারা ঘটিয়েছে তাদের মধ্য থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

গুলশান ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলেন, প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ ব্যানারে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ জন জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের হাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের প্ল্যাকার্ডও ছিল। তারা ‘প্রতিরোধযোগ্য হাম রোগে নিষ্পাপ সম্ভাবনাময় শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী ইউনূস-নূরজাহানদের বিচার এবং মৃত শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার’ দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের উদ্দেশে সেখানে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মিছিলকারীরা ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই’—এমন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে ব্যানার ও ফেস্টুনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি দেখা গেছে। মিছিল শেষ করে যাওয়ার সময় ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

তবে এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মসূচির তথ্য আমাদের কাছে ছিল না। ব্যানারেও একটু ডিফরেন্ট শব্দ লেখা। ব্যানারে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে হামের টিকার বিষয়ে লেখা ছিল। আমরা তদন্ত করছি।

কালের আলো/এসএকে

রিজার্ভ চুরির অভিযোগপত্র: ৬ দেশের ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জড়িত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
রিজার্ভ চুরির অভিযোগপত্র: ৬ দেশের ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জড়িত

দেশের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ব্যাংকটির সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করে আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি।

‎বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সিআইডির মুখপাত্র জসীমউদ্দিন খান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।

‎সবচেয়ে বড় এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় করা অভিযোগপত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ বাংলাদেশের ১০ জনের নাম রয়েছে। সব মিলিয়ে ভারত, শ্রীলংকা ও চীনের নাগরিকসহ দেশি-বিদেশি ৬৪ ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করে অভিযোগপত্রের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। দেড়শ পৃষ্ঠার এই অভিযোগপত্র সম্প্রতি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে হস্তান্তর করে আইনি পরামর্শ চেয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

‎চুরির ঘটনায় যাদের নাম এসেছে:
‎বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০১ মিলিয়ন ডলার রিজার্ভ চুরির এই ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ছাড়াও সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম, সাবেক নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা, সাবেক নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিস এ খান, সাবেক মহাব্যবস্থাপক এ এফ এম আসাদুজ্জামান, উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদার নাম রয়েছে। অভিযুক্তের তালিকায় আরও তিন বাংলাদেশির নাম উঠে এসেছে। তারা হচ্ছেন-কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, রেজাউল করিম ও মো. সুলতান মাসুদ আহমেদ। শেষ তিনজনের পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সিআইডি।

‎রিজার্ভ চুরির ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন আইটি উপদেষ্টা রাকেশ আস্থানাকে প্রধান করে একটি ফরেনসিক অডিট করা হয়। অভিযোগ রয়েছে-ওই অডিটের সময় বেশির ভাগ আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়া হ্যাকিংয়ে সহায়তা, মানি লন্ডারিং ও চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে ভারতীয় নাগরিক প্রীতম রেড্ডি, সুধীন্দ্রআথ্রেশ, নীলভান্নান ও মাদুক্কুর আনন্দনের বিরুদ্ধে। খসড়া অভিযোগপত্রে উত্তর কোরিয়ার কয়েকজনকে চিহ্নিত করে ল্যাজারাস গ্রুপ, পার্ক জিন হিয়োক কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে গাও শুহুয়াসহ দুজন চীনা নাগরিকের নামও উঠে এসেছে।

‎চীনের পাশাপাশি, জাপানের সাসাকি নামের এক ব্যক্তি এই তালিকায় রয়েছে। রিজার্ভ চুরির পর একটি অংশ শ্রীলংকায় নেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনায় দেশটির হেগোডা গামাগে শ্যালিকা পেরেরাসহ আট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা হয়েছে। ১১ বছর আগের এই আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্তের মধ্যে রয়েছে- সোলেয়ার রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনো ও কাম সিন অংসহ ৩৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও, উত্তর কোরিয়ার দুই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চুরির ঘটনায় দায়ী করা হয়েছে।

‎মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আল মামুন বলেন, আমাদের তদন্ত শেষ হয়েছে, তদন্তে আমাদের আর কোনো কাজ বাকি নেই। আশা করছি শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দিতে পারব। ইতোমধ্যে খসড়া অভিযোগপত্র প্রস্তুত করে আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

‎এদিকে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের ১১ মার্চ সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলকে প্রধান করে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৬ সদস্যের পর্যালোচনা কমিটি করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ৬ সদস্যের পর্যালোচনা কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সেই কমিটির তত্ত্বাবধানে রিজার্ভ চুরির মামলা তদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পরে গত ১ মার্চ খসড়া অভিযোগপত্র অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সেনাপ্রধান

Oplus_131072

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিস্থ বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্যারেডের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি কৃতি ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

সেনাপ্রধান প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সদ্য কমিশন প্রাপ্ত অফিসারদের উপর ন্যস্ত হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব।

প্রধান অতিথি সেনাবাহিনীকে একটি প্রশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল এবং আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সর্বমোট ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন মহিলা অফিসার রয়েছেন।

এছাড়া ৪ জন ফিলিস্তিন, ১ জন তানজানিয়া, ১ জন জাম্বিয়া এবং ১ জন মালদ্বীপ এর অফিসার ক্যাডেট বিএমএ হতে সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন, যারা নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগদান করবেন।

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকশ ক্যাডেট হিসেবে অসামান্য গৌরবমণ্ডিত ‘সোর্ড অব অনার’ ও সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন।

পাশাপাশি, এ একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সর্বশ্রেষ্ঠ বিদেশী ক্যাডেট হিসেবে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ অর্জন করেন সার্জেন্ট আবু বকর, তানজানিয়া।

পরে প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটগণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করেন।

এরপর অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা এবং প্রশিক্ষণ শেষ করা ক্যাডেটদের পিতা-মাতা ও অভিভাবকগণ নবীন অফিসারদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন।

কালের আলো/এসএকে

কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

Oplus_131072

 

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট, গবাদিপশু এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিজিবি।

বিজিবি জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে ১ হাজার ৬৫ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট, ২১টি গবাদিপশু এবং বিপুল পরিমাণ কসমেটিকসসহ অন্যান্য চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করা হয়। জব্দ কারা মালামালের মোট সিজারমূল্য ১৫ লাখ ২ হাজার ৭৬০ টাকা।

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্তে পুশইন প্রতিরোধসহ যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী সব বিওপি (বর্ডার আউটপোস্ট) এলাকায় নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসএকে