খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সরকারি চাকরিজীবীদের ১০-১৫ শতাংশ সুবিধা বাতিল হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১:০৯ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের ১০-১৫ শতাংশ সুবিধা বাতিল হচ্ছে

নবম জাতীয় পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের অর্থাৎ বেসিকের ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বেসিকের ৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পেলেও পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে সরকারি চাকরিজীবীদের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে কর্মরতরা ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডে কর্মরত চাকরিজীবীরা ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পান। ফলে ১ জুলাই থেকে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে ১০ম ২০তম গ্রেডের

চাকরিজীবীদের বেতন বাড়বে ৩৫ শতাংশ। আর ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের চাকরিজীবীদের বেতন বাড়বে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ।

নবম পে-স্কেল নিয়ে গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বর্তমানে ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। বর্তমানে এই গ্রেডের চাকরিজীবীরা ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পান। ফলে তাদের মোট প্রাপ্তি হয় ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা।

বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ৭ হাজার ৮০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

২য় গ্রেডের মূল বেতন ৬৬ হাজার টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ৭২ হাজার ৬০০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ৬ হাজার ৬০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৯৯ হাজার টাকা।

৩য় গ্রেডের মূল বেতন ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ৬২ হাজার ১৫০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ৫ হাজার ৬৫০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৮৪ হাজার ৭৫০ টাকা।

৪র্থ গ্রেডের মূল বেতন ৫০ হাজার টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ৫৫ হাজার টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ৫ হাজার টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৭৫ হাজার টাকা। ৫ম গ্রেডের মূল বেতন ৪৩ হাজার টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ৪৭ হাজার ৩০০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ৪ হাজার ৩০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা।

৬ষ্ঠ গ্রেডের মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ৩৯ হাজার ৫০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ৩ হাজার ৫৫০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা। ৭ম গ্রেডের মূল বেতন ২৯ হাজার টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ৩১ হাজার ৯০০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ২ হাজার ৯০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা।

৮ম গ্রেডের মূল বেতন ২৩ হাজার টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ২৫ হাজার ৩০০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ২ হাজার ৩০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা। ৯ম গ্রেডের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। ১০ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ২৪ হাজার ২০০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ২ হাজার ২০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৩৩ হাজার টাকা।

১০ম গ্রেডের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা। বর্তমানে এই গ্রেডের চাকরিজীবীরা ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা পান। ফলে তাদের বেসিক হয় ১৮ হাজার ৪০০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ২ হাজার ৪০০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ২৪ হাজার টাকা। ১১তম গ্রেডের মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৩৭৫ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৮৭৫ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা।

১২তম গ্রেডের মূল বেতন ১১ হাজার ৩০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ১২ হাজার ৯৯৫ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৬৯৫ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। ১৩তম গ্রেডের মূল বেতন ১১ হাজার টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ১২ হাজার ৬৫০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৬৫০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।

১৪তম গ্রেডের মূল বেতন ১০ হাজার ২০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ১১ হাজার ৭৩০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৫৩০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৫ হাজার ৩০০ টাকা।

১৫তম গ্রেডের মূল বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ১১ হাজার ১৫৫ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৪৫৫ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৪ হাজার ৫৫০ টাকা। ১৬তম গ্রেডের মূল বেতন ৯ হাজার ৩০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ১০ হাজার ৬৯৫ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৩৯৫ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৩ হাজার ৯৫০ টাকা।

১৭তম গ্রেডের মূল বেতন ৯ হাজার টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক হয় ১০ হাজার ৩৫০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৩৫০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। ১৮তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ৮০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ দাঁড়ায় ১০ হাজার ১২০ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ৩২০ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৩ হাজার ২০০ টাকা।

১৯তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ৫০০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ বেসিক দাঁড়ায় ৯ হাজার ৭৭৫ টাকা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ২৭৫ টাকা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১২ হাজার ৭৫০ টাকা।

২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধাসহ মোট বেসিক হয় ৯ হাজার ৪৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। বিশেষ সুবিধা বাবদ পান ১ হাজার ২৩৭ টাকা ৫০ পয়সা। নবম পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১২ হাজার ৩৭৫ টাকা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 

প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায়) ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ভারত আমন্ত্রণ জানালে নিশ্চয়ই যাবো। আমি এই কথাটা খুব স্পষ্ট করে দিচ্ছি— আমি যদি প্রোপার ইনভিটেশন পাই, আমি নিশ্চয়ই যাবো। আমি ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে চাই, লজিক্যালি অ্যান্ড রেশনালি। কথাটা খুব ইম্পর্টেন্ট।”

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কথা বললে কারও কারও কাছে মনে হয় যে আমি দেশ বিকিয়ে দিতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এই সরকার কখনও করবে না। সবার আগে বাংলাদেশ বলছি আমরা। সুতরাং ভারতের সঙ্গে আমরা এনগেজ করতে চাই। আমাদের সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আরও অনেক কিছুতে আমাদের উন্নতি করার সুযোগ আছে। আমরা যে জায়গায় ছিলাম সেখান থেকে তো আমরা নেমেও এসেছি। ইন্টেরিমের সময় সম্পর্কটা যথেষ্ট খারাপ পর্যায়ে গেছে। সেগুলো সরিয়ে রেখে আমরা এনগেজ করতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই। আমাদের এক্সচেঞ্জ নানান ফর্মে হতে পারে।”

তিনি বলেন, “শুধু সেটা না। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এই বছরের ডিসেম্বরে। আমাদের সেই পানি চুক্তি রিনিউয়াল নিয়ে কথা আছে। আমাদের তিস্তা চুক্তি নিয়ে কথা আছে। আমাদের পানি আমাদের অভিন্ন আরও টোটাল ৫৩টা নদী আছে। আমাদের রাইট আছে। আমাদের ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে হবে এবং সেখানে যদি কোনোভাবে রোল প্লে করতে পারি আমি সেটা লুফে নেবো। আমি এটা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই। আমার সঙ্গে যে আচরণ হয়েছে সেই আচরণের জন্য আমি যা করেছি এটা ওই আচরণের একটা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই ভারত তার এই মানসিকতা নিয়ে আমাদের সঙ্গে আসবেন। একটা গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে—ইনফ্যাক্ট ইন্টেরিম সরকারের সময় তারা অনেকবার এই কথাবার্তা বলেছেন যে, গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে তারা, নতুন সরকার যেটা আসবে যেটা জনগণের ম্যান্ডেট-প্রাপ্ত তার সঙ্গে তারা এনগেজ করবেন। আমি আশা করি তারা সেটা এগিয়ে যাবেন এবং আমি যদি কোথাও কোনোভাবে রোল প্লে করার সুযোগ পাই, ইনভিটেশন পাই নিশ্চয়ই ভারতে যাবো। আবারও বলছি ব্যক্তি জাহেদ ওখানে কিছু করে নাই। আসলে আমি বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নেইনি। বিষয়টি দেখেছি যে, একটা রাষ্ট্রের একটা সরকারের একটা পজিশনের একজন মানুষের সঙ্গে এই আচরণ হচ্ছে, সেই কারণে আসলে ওটা করেছি।”

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি