খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

বিকেএসপিতে ৩ দিনব্যাপী সেমিনার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বিকেএসপিতে ৩ দিনব্যাপী সেমিনার শুরু

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ‘স্পোর্টস, এক্সারসাইজ মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন উইথ বেসিক লাইফ সাপোর্ট ট্রেনিং-২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী একটি বিশেষায়িত সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক সেমিনারের উদ্বোধন করেন। যা চলবে ১৮ জুন পর্যন্ত।

এ সময় বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কর্নেল মো. গোলাম মাবুদ হাসান, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. লুৎফর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক তার খেলোয়াড় জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে খেলোয়াড়দের জন্য এ ধরনের কর্মশালার আয়োজনকে অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন।

তিনি কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান সর্বত্র প্রচারের ব্যাপারেও গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া, চিকিৎসা, ফিজিওথেরাপি, পুনর্বাসন ও প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ, বিভিন্ন শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, প্রশিক্ষক এবং ক্রীড়াবিদরা অংশগ্রহণ করেন।

বর্তমান বিশ্বে ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স উন্নয়ন, আঘাত প্রতিরোধ, দ্রুত পুনর্বাসন এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার গুরুত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে আয়োজিত এই সেমিনারে Sports Science এবং Basic Life Support (BLS)-এর আধুনিক ও ব্যবহারিক বিষয়সমূহ উপস্থাপন করা হয়।

এছাড়াও সেমিনারে ক্রীড়াবিদদের আঘাত পরবর্তী পুনর্বাসন, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে বৈজ্ঞানিক অনুশীলন, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ক্রীড়া চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ গবেষণা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। দেশের বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ রিসোর্স পারসন বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করবেন।

সেমিনারের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের জন্য Basic Life Support (BLS)-এর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে জীবনরক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসা, কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর), শ্বাসকষ্টজনিত জরুরি অবস্থা মোকাবিলা এবং আহত ব্যক্তিকে নিরাপদ সহায়তা প্রদানের কৌশল সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা প্রদান করা হবে এবং সব প্রশিক্ষণার্থীদের FAC, Sweden কর্তৃক সনদ প্রদান করা হবে।

বিকেএসপি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই সেমিনার ক্রীড়া চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কালের আলো/এসএকে

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি