খুঁজুন
                               
, ,
           

সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয়, নিয়ম মানতে হবে: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
সংসদ হুটহাট কথা বলার জায়গা নয়, নিয়ম মানতে হবে: স্পিকার

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ও নিয়ম অনুসরণ করে বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয়। এখানে কথা বলতে হলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময় মেনে চলতে হবে।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান এবং রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীন পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে কথা বলার পর স্পিকার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ‘সংসদ চলে রুলস অফ প্রসিডিউর ও সংবিধানের ওপর ভিত্তি করে। এখানে ৩৫০ জন সদস্যই সমান পারদর্শী এবং সবারই বক্তব্য দেওয়ার অধিকার আছে। তবে সমস্যা অন্তহীন হলেও সংসদ চলে নির্দিষ্ট আইন-কানুনের মধ্যে।’

পয়েন্ট অফ অর্ডার তোলার সঠিক সময় সম্পর্কে স্পিকার বলেন, ‘পয়েন্ট অফ অর্ডার রেজ করার নির্দিষ্ট সময় হলো প্রশ্নকাল শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই। বাজেট অধিবেশন চলাকালে সাধারণত পয়েন্ট অফ অর্ডার দেওয়া হয় না। কারণ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন এবং এখানে দীর্ঘ সময় বক্তব্য রাখতে হয়। যখন ইচ্ছা দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে দেওয়া সংসদে চলে না।’

সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের তোলা একটি প্রসঙ্গের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘উনি (মুজিবুর রহমান) দেখেছেন আমি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করেছি, যা ওনার কাছে সংসদীয় রীতির পরিপন্থী মনে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি পয়েন্ট অফ অর্ডার তুলেছেন। আমি আপনার সেন্টিমেন্টের প্রশংসা করি। আপনি শিক্ষক এবং বেতন না পাওয়া পৌর কর্মচারীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা বলেছেন। কিন্তু সবকিছুর একটি নির্দিষ্ট সময় আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ মুখোমুখি চালানো যায় না। কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে হলে আগে নোটিশ দিতে হয়। আপনি যদি নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ দিতেন, তবে আমরা হয়তো বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করতে পারতাম। সুতরাং, ভবিষ্যতে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসরণ করে দাঁড়ানোর জন্য আপনাদের কাছে সবিনয় নিবেদন রইল।’

সংসদ সদস্যদের স্পিকার আরও মনে করিয়ে দেন যে, পয়েন্ট অফ অর্ডার কেবল চলমান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই হওয়া উচিত এবং সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখা প্রত্যেকের দায়িত্ব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজধানীতে ৬ মাসে ১২২ হত্যাকাণ্ড

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
রাজধানীতে ৬ মাসে ১২২ হত্যাকাণ্ড

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত রাজধানীতে ১২২টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গড়ে মাসে খুন হচ্ছে ২০ জন। সবচেয়ে বেশি হয়েছে মার্চ ও জুন মাসে। জুলাই মাসের হালনাগাদ তথ্য জানাতে পারেনি ডিএমপি। এরপরও ডিএমপির দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

গত বছর প্রথম ছয় মাসে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিলো এর থেকেও বেশি ২১৭টি। তবে তার আগের দুই বছরে এই হার ছিলো কম। ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে হত্যাকাণ্ড ছিলো ৮৬টি এবং ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে হত্যাকাণ্ড ঘটে ৯৮টি। তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২১টি, ফেব্রুয়ারিতে ১৭টি, মার্চে ২৪টি, এপ্রিলে ১৭টি, মে মাসে ১৮টি ও জুনে ২৫টি হত্যাকাণ্ড হয়। এরমধ্যে পারিবারিক কলহে খুন হয়েছেন ৩০ জন এবং রাজনৈতিক কারণে খুনের সংখ্যা ৯।

জানুয়ারিতে পূর্বশত্রুতার জেরে ৫ জন, রাজনৈতিক কারণে ৫ জন, পারিবারিক কলহে ৩ জন, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ২ জন, চুরির ঘটনায় ১ জন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২ জন এবং অন্যান্য কারণে আরও ৩ জন নিহত হন। ফেব্রুয়ারিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে ৪ জন, পারিবারিক কলহে ৩ জন, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধে ২ জন, রাজনৈতিক কারণে ১ জন, চুরির ঘটনায় ১ জন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ১ জন, ধর্ষণের কারণে ১ জন ও অন্যান্য ঘটনায় ৪ জন নিহত হন।

মার্চ মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে ৬ জন, পারিবারিক কলহে ৩ জন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২ জন, চুরির ঘটনায় ১ জন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১ জন, যৌতুকের কারণে ১ জন, কথাকাটাকাটির জেরে ১ জন, ধর্ষণের কারণে ১ জন, আত্মহত্যার ঘটনায় ১ জন এবং অন্যান্য ঘটনায় ৫ জন নিহত হয়েছেন। এপ্রিলে পূর্বশত্রুতার কারণে ৬ জন, পারিবারিক কলহে ৩ জন, রাজনৈতিক কারণে ২ জন এবং অন্যান্য ঘটনায় ৪ জন নিহত হন। এপ্রিলে পৃথক ঘটনায় ২ শিশুও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়।

মে মাসে পারিবারিক কলহে ৫ জন, পূর্বশত্রুতার জেরে ২ জন, পরকীয়ার কারণে ১ জন, ধর্ষণের কারণে ১ জন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ১ জন এবং অন্যান্য কারণে ৪ জন নিহত হন। জুনে পূর্বশত্রুতার জেরে ৭ জন, পারিবারিক কলহে ৬ জন, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে ৩ জন, রাজনৈতিক কারণে ১ জন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১ জন, মলম পার্টির কারণে ১ জন, গণপিটুনিতে ১ জন, যৌতুকের কারণে ১ জন এবং অন্যান্য কারণে ৫ জন নিহত হন।

তবে সার্বিক পরিস্থিতিকে ‘স্থিতিশীল’ বলছে পুলিশ। ডিএমপির এডিসি (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী বলেন, ‘মার্ডারের কারণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, পূর্বশত্রুতার জেরেই সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। আমার কাছে যে পরিসংখ্যান আছে, সেখানে রাজনৈতিক কারণে খুনের ঘটনা স্থিতিশীল আছে। আসামি গ্রেফতার ও সুষ্ঠ্যু তদন্ত করতে পুলিশ তার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে।’

অপরাধ বিশ্লেষকেরা বলছেন, পুলিশ সাধারণত মামলার হিসাব দিয়ে পরিসংখ্যান তৈরি করে। এই পরিসংখ্যান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। পুলিশ মামলা নিতে অনীহা দেখালে পরিসংখ্যানেও অপরাধের সংখ্যা কম দেখায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলেন, ‘শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। খুন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাগুলো ব্যাপকভাবে সামনে আসছে। মানুষের মধ্যে ভয় ও শঙ্কা বেড়েছে।’

কালের আলো/এম/এএইচ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ১৭তলা থেকে ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি হয়েছে। হার্ডডিস্কের সঙ্গে কাপ-পিরিচসহ আরও কিছু মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিম গণপূর্ত অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক মাহাবুব হোসেনকে অভিযুক্ত করে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বাংলানিউজকে বলেন, হার্ডডিস্কসহ কিছু মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে।

বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে শিশুসহ নিহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলিতে শিশুসহ নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটল সেন্টারে বন্দুকধারীর গুলিতে দুজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই বছর বয়সি একটি শিশুও রয়েছে।

স্থানীয় সময় রোববার (২৬ জুলাই) ‘বাইট অব সিয়াটল’ সংগীত উৎসব এ ঘটনা ঘটে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কোমো নিউজ জানায়, গুলির সময় সিয়াটল সেন্টারে বার্ষিক ‘বাইট অব সিয়াটল’ উৎসব চলছিল।

সিয়াটল পুলিশ বিভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, একাধিক হতাহতের ঘটনায় তারা তদন্ত শুরু করেছে।

একই সঙ্গে জনসাধারণকে ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ।

এছাড়া এ ঘটনায় কোনো সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে পুলিশকে এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিতে দেখা গেলেও, ওই ব্যক্তি গুলির ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা, তা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ।

সিয়াটল শহরের বিখ্যাত স্পেস নিডল পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের কাছেই অবস্থিত সিয়াটল সেন্টার।

১৯৬২ সালের ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার উপলক্ষে নির্মিত এ স্থানে সপ্তাহজুড়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল বার্ষিক ‘বাইট অব সিয়াটল’ উৎসব। এতে শত শত স্থানীয় খাদ্য বিক্রেতা ও সংগীতশিল্পী অংশ নিয়েছিলেন।

ঘটনার কারণ এবং হামলাকারীর পরিচয় জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ