খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সেনাপ্রধান

Oplus_131072

বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিস্থ বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্যারেডের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি কৃতি ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

সেনাপ্রধান প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সদ্য কমিশন প্রাপ্ত অফিসারদের উপর ন্যস্ত হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব।

প্রধান অতিথি সেনাবাহিনীকে একটি প্রশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল এবং আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এই মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সর্বমোট ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন মহিলা অফিসার রয়েছেন।

এছাড়া ৪ জন ফিলিস্তিন, ১ জন তানজানিয়া, ১ জন জাম্বিয়া এবং ১ জন মালদ্বীপ এর অফিসার ক্যাডেট বিএমএ হতে সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন, যারা নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগদান করবেন।

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকশ ক্যাডেট হিসেবে অসামান্য গৌরবমণ্ডিত ‘সোর্ড অব অনার’ ও সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন।

পাশাপাশি, এ একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সর্বশ্রেষ্ঠ বিদেশী ক্যাডেট হিসেবে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ অর্জন করেন সার্জেন্ট আবু বকর, তানজানিয়া।

পরে প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটগণ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করেন।

এরপর অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা এবং প্রশিক্ষণ শেষ করা ক্যাডেটদের পিতা-মাতা ও অভিভাবকগণ নবীন অফিসারদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন।

কালের আলো/এসএকে

সার্ককে গতিশীল করতে জোর দিলো বাংলাদেশ-মালদ্বীপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
সার্ককে গতিশীল করতে জোর দিলো বাংলাদেশ-মালদ্বীপ

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে মালেতে পৌঁছানোর পর দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. মোহামেদ মুইজ্জুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার বিকেলে মালে পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ড. মোহামেদ মুইজ্জুর সঙ্গে দেখা করেন।

এসময় ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

একই সঙ্গে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে তার প্রার্থিতাকে সমর্থন করায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে সব দেশের সঙ্গে শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

সাক্ষাতে দুজনই বাংলাদেশ-মালদ্বীপের বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পাশাপাশি উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর পদ্ধতিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। এ সময় দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) আরও কার্যকর ও গতিশীল করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন দুই নেতা।

মালদ্বীপে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী ও পেশাজীবীর কর্মসংস্থানের বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন ড. খলিলুর রহমান। এ সময় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু মালদ্বীপের অর্থনীতিতে বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।

সাক্ষাতে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইহুসান এবং মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মানে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু একটি উচ্চপর্যায়ের চা-চক্রের আয়োজন করেন। এতে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহামেদ লতিফ, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সন্ধ্যায় ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম আয়োজিত কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি মালদ্বীপে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দেশজুড়ে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
দেশজুড়ে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটের (এফএসআরইউ) মেরামত কাজ এখনো শেষ না হওয়ায় দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এই সংকট আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিদেশি বিশেষজ্ঞদের আনার পর ত্রুটি শনাক্ত হয়। কয়েক দিনের মধ্যে ত্রুটি মেরামত হবে বলে জানা গেছে।

জানতে চাইলে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) উপমহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন জানান, বৃহস্পতিবার বিদেশি বিশেষজ্ঞরা আসার পরই কাজ শুরু হয়েছে। কবে নাগাদ টার্মিনাল সচল হবে– প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটি নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। আরও দুই-চার দিন লেগে যেতে পারে।’

মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির পরিচালনাধীন একটি জাহাজে গত মঙ্গলবার সকালে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার পর সেটি বিকল হয়ে যায়। চার দিন পার হলেও ত্রুটি পুরোপুরি ঠিক হয়নি। যার প্রভাবে সারা দেশে গ্যাস সংকট দিন দিন আরও বাড়ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দেশে রয়েছে। বিদেশি বিশেষজ্ঞরা কাজ শেষ করলে শিগগির গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে গত মঙ্গলবার ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। আবাসিক এলাকায় চুলা না জ্বলা, সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে। এমনিতেই দেশের চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ গ্যাস কম সরবরাহ করা হয়। ৩৮০ কোটি ঘনফুট চাহিদার স্থানে এলএনজিসহ সরবরাহ হয় ২৬৫ কোটি ঘনফুট। এখন তা নেমে এসেছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে ৪৫ শতাংশ গ্যাস কম দেওয়া হচ্ছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ কম। এই দুটি টার্মিনাল থেকে ১০০ থেকে ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হয়। কারিগরি ত্রুটির কারণে বর্তমানে সরবরাহ আরও কমে গেছে। দেশে প্রতিদিন সরবরাহ করা মোট গ্যাসের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশই আসে এলএনজি থেকে। স্বাভাবিকভাবেই এলএনজির সরবরাহ কমলে গ্যাস সংকট বেড়ে যায়। টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর গত ২২ জুলাই বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এক অনুষ্ঠানে বলেন, এলএনজি গ্রহণ ও রূপান্তরের জন্য মাত্র দুটি টার্মিনাল থাকায় একটিতে সমস্যা দেখা দিলেই সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় চাপ তৈরি হয়।

আরপিজিসিএল সূত্র জানায়, বর্তমানে দুটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে ল্যান্ড বেইজড ও মহেশখালীতে ‘কুতুবজোম’ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হচ্ছে। সরকার পায়রা বন্দর এলাকায় আরেকটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র (যুগ্ম সচিব) মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের ওপর পড়েছে। কোনো কোনো এলাকায় চাপ কমে যাওয়ায় সিএনজি স্টেশনগুলো প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস নিতে পারছে না। ফলে কয়েকটি স্থানে সিএনজি নিতে দীর্ঘ লাইন এবং জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

দেশজুড়ে বেশিরভাগ সিএনজি স্টেশনে গাড়িতে গ্যাস দেওয়ার মতো চাপ নেই। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ১৫ পিএসআই (চাপ মাপার একক) গ্যাস পাওয়া যেত, এখন তা নেমেছে ৩ থেকে ৫ পিএসআইয়ে, কোথাও প্রায় শূন্য। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও যানবাহনের জন্য গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।

গত বুধবার থেকে রাজধানীসহ সারাদেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। রাতভর অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না অনেক চালক। গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক স্টেশন আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ইরানে নতুন করে হামলা বন্ধের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে নতুন করে হামলা বন্ধের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প

টানা ১৩ দিনের হামলার পর ইরানে নতুন করে সামরিক আক্রমণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও অ্যাক্সিওস।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুদ্ধ আরও তীব্র হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা অস্ত্রের মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে যেতে পারে এমন উদ্বেগ থেকেই প্রেসিডেন্ট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ট্রাম্প তার শীর্ষ উপদেষ্টা ও মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেন।

অন্যদিকে অ্যাক্সিওস সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবগত দুটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, হামলা বন্ধের নির্দেশটি সাময়িক নাকি দীর্ঘ সময়ের জন্য কার্যকর থাকবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত একদিকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য আরও সময় দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে বড় ধরনের যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হলে বর্তমান পর্যায়ের মার্কিন হামলা কার্যকারিতার সীমায় পৌঁছে গেছে—এমন উপলব্ধিরও প্রতিফলন।

তবে সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর জন্য পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ