খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ হাজি, সৌদিতে মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬০ হাজার ৫৮৮ হাজি, সৌদিতে মৃত্যু ৫৪ বাংলাদেশির

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রত্যাবর্তনকারী ৬০ হাজার ৫৮৮ জন হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫৬ হাজার ২৬৯ জন।

সৌদি আরবে মারা যাওয়া ৫৪ জন বাংলাদেশির মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় সর্বোচ্চ ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

১৯ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৮৬৮ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইনস পরিবহন করেছে ২১ হাজার ৪৫ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ৩ জন হাজি।

হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৫২টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৭৬টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৪টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যান। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ৩০ জুন। হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ঢাকাসহ ৮ বিভাগে ১০ দিন ঝড় ও ভারী বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
ঢাকাসহ ৮ বিভাগে ১০ দিন ঝড় ও ভারী বৃষ্টির আভাস

ঢাকাসহ দেশের ৮ বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ১০ দিন ঝড় ও বৃষ্টি হতে পারে আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সময়ে দেশের অনেক জায়গায় ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে জানানো হয়েছে পূর্বাভাসে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাস সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। একইসঙ্গে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এ অবস্থায় পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এসময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল শনিবার (২০ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (২১ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

সোমবার (২২ জুন) রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এছাড়া, বর্ধিত পাঁচ দিনেও বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কালের আলো/এসএকে

জ্বালানি রূপান্তর সূচকে যে অবস্থানে বাংলাদেশ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
জ্বালানি রূপান্তর সূচকে যে অবস্থানে বাংলাদেশ 

Oplus_131072

জ্বালানি ব্যবস্থার পরিবর্তন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা মূল্যায়নের সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ১২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয়েছে ৯৯তম।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ও অ্যাকসেঞ্চারের যৌথ প্রকাশিত ‘জ্বালানি রূপান্তর সূচক ২০২৬’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে। দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা এবং সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করার সক্ষমতার ভিত্তিতে এই মূল্যায়ন করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় এগিয়ে শ্রীলঙ্কা ও ভারত

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটি ৬৮তম স্থানে রয়েছে। এরপর ভারত ৭০তম, পাকিস্তান ৯০তম এবং বাংলাদেশ ৯৯তম অবস্থানে রয়েছে। নেপালের অবস্থান ১১১তম।

বিশ্বের মধ্যে টানা তৃতীয় বছরের মতো সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে সুইডেন। এরপর রয়েছে ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো শীর্ষ ২০টির মধ্যে ১৪টি স্থান দখল করেছে।

বিদ্যুৎ সুবিধা বাড়লেও জ্বালানিতে নির্ভরতা কমেনি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সুবিধার উন্নতি ও জ্বালানি ব্যবস্থার কিছু অগ্রগতি হলেও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের প্রস্তুতিতে এখনও দুর্বলতা রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বড় বিনিয়োগ হলেও পরিচ্ছন্ন জ্বালানির দিকে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অবকাঠামোগত সমস্যা, অর্থায়নের সংকট এবং বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে অনেক দেশ একসঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী মূল্য ও পরিবেশ রক্ষার ভারসাম্য রাখতে পারছে না।

২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি ডলারের বেশি হয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি ডলার গেছে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রযুক্তিতে।

প্রস্তুতির সক্ষমতায় বড় ধস

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জ্বালানি পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি, অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে অবনতি দেখা যাচ্ছে।

জ্বালানি রূপান্তরের সামগ্রিক সূচক সামান্য বাড়লেও প্রস্তুতির সক্ষমতা কমেছে। অর্থায়ন ও বিনিয়োগ খাতে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে। পাশাপাশি নীতি, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও দুর্বলতা দেখা গেছে।

পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ সীমিত কয়েকটি দেশে

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের মোট পরিচ্ছন্ন জ্বালানি বিনিয়োগের প্রায় ৭৫ শতাংশ কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। ভবিষ্যতে যেসব দেশে বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বাড়বে, সেসব দেশ এখনো প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত সুবিধা পেতে সমস্যায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি পরিবর্তনে এগিয়ে যেতে হলে বাংলাদেশকে আমদানিনির্ভর জ্বালানি কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

নাইজারের বিমানবন্দরে সশস্ত্র হামলা, নিহত ৩৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
নাইজারের বিমানবন্দরে সশস্ত্র হামলা, নিহত ৩৫

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারের রাজধানী নিয়ামের ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সশস্ত্র জঙ্গি হামলায় কমপক্ষে ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানবন্দরে এটি দ্বিতীয় হামলার ঘটনা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে।

বিমানবন্দরটির আশপাশের সাধারণ বাসিন্দারা জানান, ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার ঠিক পরপরই তারা বিমানবন্দর এলাকা থেকে বিকট বিস্ফোরণ এবং প্রচণ্ড গোলাগুলি শুরু হয়।

নাইজারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘর্ষে নিহত ৩৫ জনের মধ্যে ২২ জনই মূলত আক্রমণকারী সশস্ত্র হামলাকারী, ১১ জন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য এবং ২ জন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। এছাড়াও এই ঘটনায় ৪ জন হামলাকারী আহত হয়েছে এবং ২০ জনকে জীবিত আটক করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদা সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী- জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

নাইজারের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যেই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং পলাতক জঙ্গিদের ধরতে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বিগত প্রায় এক দশক ধরেই নাইজারে অভ্যন্তরীণ চরমপন্থী ইসলামপন্থি সশস্ত্র বিদ্রোহীদের হিংসাত্মক তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও আইএস-সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী এই বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ