খুঁজুন
                               
, ,
           

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন ঝালকাঠী-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল।

সোমবার (২২ জুন) সংসদে নিজের বক্তব্যে তিনি ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে এ দাবি জানান।

এ সময় রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, ১৯৭১ সালে যে দলটি এদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের বাংলাদেশের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।

বক্তব্যে তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের নির্বাচনি প্রচারণার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, নামের সাথে ‘ইসলাম’ থাকলেই তা প্রকৃত ইসলাম হয় না। নির্বাচনের সময় এই দলের প্রার্থীরা বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন।

ঝালকাঠী-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হকের বিতর্কিত মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, তারা ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশতের নিশ্চয়তা দেওয়ার মতো অগ্রহণযোগ্য কাজ করেছে, যা ধর্মের নামে রাজনীতিকে বিতর্কিত করেছে।

একই দিনে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ ধর্মীয় উপাসনালয়ে রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেখানে নামাজ ও কোরআন পড়ার পরিবেশ থাকতে হবে। কোনো রাজনৈতিক দল সেখানে কোনোভাবেই সভা-সমাবেশ বা রাজনীতির চর্চা করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, অন্য সব রাজনৈতিক দল যদি মাঠে বা খোলা জায়গায় কর্মীসভা করতে পারে, তবে জামায়াত কেন মসজিদে রাজনীতি করবে? তিনি মসজিদে বা মাদরাসায় রাজনৈতিক মিটিং নিষিদ্ধ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আইন প্রণয়নের অনুরোধ জানান।

কালের আলো/এসএকে

হজের ব্যয় অন্তত ৪০ হাজার টাকা কমবে : বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
হজের ব্যয় অন্তত ৪০ হাজার টাকা কমবে : বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী

২০২৬ সালের সফল হজ ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালে হাজযাত্রীদের খরচ আরও কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি বলেন, বিমান ভাড়া এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কর কমানোর মাধ্যমে অন্তত ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা খরচ কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে হজ প্যাকেজের সামগ্রিক মূল্য আরো কমাতে হলে বিমান ভাড়ার পাশাপাশি আবাসন বা ঘরভাড়া কমাতে উদ্যোগ নিতে হবে। এই কাজটি এজেন্সিগুলোকে করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী (৩০ জুলাই-১ আগস্ট) ‘জাতীয় পর্যায়ে হজ ও ওমরা ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন করেছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। এতে স্পন্সর হিসেবে রয়েছে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। আর স্পন্সর হিসেবে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সাউদিয়া ও সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি। এছাড়া সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিমানের মুনাফা পূর্বের তুলনায় কমিয়ে বিমান ভাড়া ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, সৌদি আরবে বিমানবন্দর কর এবং গাকা চার্জ বাবদ প্রায় ১০ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা ব্যয় হয়। এই চার্জগুলো কমানোর জন্য সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারা আমাদেরকে আশস্তও করেছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে একটি কারিগরি দল এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, বিমান ভাড়ার প্রশাসনিক খরচ হ্রাস এবং সৌদি আরবের চার্জ কমানো সম্ভব হলে এভিয়েশন সেক্টর থেকেই প্রায় ৪০ হাজার থেকে ৪২ হাজার টাকা খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমান ভাড়া কমানোর পর হজ প্যাকেজের মূল্য আরও কমানোর প্রধান দায়িত্ব নিতে হবে এজেন্সিগুলোকে। সৌদিতে তারা যেই ঘরভাড়া বা আবাসন ব্যয় নির্ধারণ করবেন, সেটি কমিয়ে আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে এজেন্সিগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, হজযাত্রীদের সেবার মান না কমিয়েই তাদেরকে এই কাজটি করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, হজ এজেন্সিগুলো যাতে হজযাত্রীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে পারে এবং ঘরভাড়া সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারে, সেজন্য সরকার কিছু বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। হাব সদস্যদের প্রায় ৬২ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা দ্রুত পরিশোধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে এজেন্সিগুলো আর্থিক সক্ষমতা ফিরে পায়। ছোট-বড় সব এজেন্সি যাতে সমানভাবে হজ ব্যবস্থাপনায় অংশ নিতে পারে এবং কেউ যেন বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়েও তদারকি জোরদার করা হবে।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, হজ ক্যাম্পে হজযাত্রীদের খাবারের খরচ লাভবিহীন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে খাবারের মান উন্নত রেখে দাম কমানো হয়েছে, যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। এছাড়া নুসুক কার্ড এবং রোড টু মক্কা প্রজেক্টের মাধ্যমে হাজীদের যাতায়াত ও কার্ড সংক্রান্ত হয়রানি কমানো হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার দরিদ্র মানুষের জন্য হজ সহজতর করতে যাকাত ফান্ড ব্যবহার বা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি দেওয়ার চিন্তাভাবনাও করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে হজ প্যাকেজের দাম সাধারণ মানুষের নাগালে আসবে।

হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ (এনডিসি), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ এবং রয়েল অ্যাম্বাসি অব সৌদি আরাবিয়া, ঢাকার ডেপুটি হেড অব মিশন খালেদ সাঈদ আল হাদাল।

কালের আলো/এসএকে

প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেছেন তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি।

কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আয়শা আক্তার, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নীলা খাতুন এবং নড়াইল সদর উপজেলার মো. হাসমত আলী।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র পেয়ে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাদের জন্য দিনটি ছিল নতুন কর্মজীবনের পাশাপাশি নতুন স্বপ্নেরও সূচনা।

আয়শা আক্তার ও নীলা খাতুন দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা নীলা খাতুন পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তাকে রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আয়শা আক্তারও পা দিয়ে লিখে সম্পন্ন করেন স্নাতকোত্তর। হাত না থাকায় মুখ দিয়ে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন তিনি। তাকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

গুজব–অপতথ্য প্রচারে ১০ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
গুজব–অপতথ্য প্রচারে ১০ বছর কারাদণ্ড

Oplus_131072

তিন মাসের ব্যবধানে ‘সাইবার সুরক্ষা আইন’ আবার সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন ধারা যুক্ত করে আইনটি আরও কঠোর করা হচ্ছে; একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে শাস্তিও। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গুজব, অপতথ্য, হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানিকর তথ্য—এ চারটি শব্দকে অপরাধের সংজ্ঞায় এনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। এ ছাড়া আইন বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য সংস্থাকে যুক্ত করা হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধিত আইনটি পাস হতে পারে।

সংশোধিত আইনে নতুন একটি ধারা (২৬/ক) যুক্ত করে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সাইবার পরিসরে গুজব ও অপতথ্য প্রকাশ বা প্রচার করলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। কেউ এ ধরনের অপরাধ করলে তিনি অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করবেন বা অনধিক ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

সংশোধিত আইনের খসড়ায় গুজবের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়, গুজব অর্থ এমন কোনো অসমর্থিত বা অযাচাইকৃত তথ্য, সংবাদ বা দাবি, যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করে অথবা অস্থিরতা তৈরি করার ঝুঁকি থাকে।

অপতথ্যের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, এমন কোনো মিথ্যা, বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য যা ব্যক্তি, জনসাধারণ, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত, প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ বা প্রচার করা হয়।

জানা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও, অডিও, বিভ্রান্তিকর ছবি দিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হচ্ছে।

সংশোধিত আইনের ২৫ নম্বর ধারায় নতুন দুটি শব্দ যোগ করা হচ্ছে। মানহানি ও হেয়প্রতিপন্ন–সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড নিয়ে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন করতে কোনো তথ্য অডিও, ভিডিও চিত্র, অডিও-ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য উপায়ে ধারণ বা সম্পাদিত, এআই দিয়ে নির্মিত কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তবে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ অপরাধে ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে বা অনধিক ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কোনো নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সীদের বিরুদ্ধে মানহানি বা হেয়প্রতিপন্ন করে কিছু প্রচার করলে অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মানহানির ব্যাখ্যায় দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার কথা বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি, রাজনৈতিক দলের নেতাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের বিরুদ্ধে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। এ বাস্তবতায় বিদ্যমান আইন সংশোধন করে নতুন কিছু ধারা যুক্ত করা হচ্ছে।

এর আগে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাপক বিরোধিতার মুখে ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হয়। এরপর ভিন্নমত দমনে প্রায়ই আইনটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার আইনটি বাতিল করে। পরে তারা ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করে। গত ৩০ এপ্রিল অধ্যাদেশ রহিত করে ‘সাইবার সুরক্ষা বিল-২০২৬’ সংসদে পাস করে। বিলটি পাস হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যে আবারও সংশোধন করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে