খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকার আইএমএফ থেকে শূন্য হাতে ফেরেনি: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
সরকার আইএমএফ থেকে শূন্য হাতে ফেরেনি: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ থেকে সরকার শূন্য হাতে ফিরে আসেনি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, সরকার আইএমএফ থেকে শূন্য হাতে ফেরেনি। বরং ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে গৃহীত প্রোগ্রামের কিছু কিছু শর্ত দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে না হওয়ায় আমরা সেসব প্রোগ্রাম থেকে নিজেরাই বেরিয়ে এসেছি। আমরা দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনাক্রমে নতুন প্রোগ্রাম গ্রহণ করবো।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর দেওয়া সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি মালয়েশিয়া এবং চীন সফর করে এসেছেন। আমি মনে করি তার এ সফর দেশে বিনিয়োগ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ম্যানুফেকচারিং দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ ধরনের পার্টনারশিপ সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

তিনি বলেন, আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান নীতি সংস্কার হচ্ছে বিনিয়ন্ত্রণকরণ। এ নীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে- অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা, ব্যবসার ব্যয় কমানো এবং রাষ্ট্রকে অনুমোদননির্ভর কাঠামো থেকে সেবানির্ভর কাঠামোয় রূপান্তর করা। আমাদের লক্ষ্য হলো- রাষ্ট্র যেন বিনিয়োগের প্রতিবন্ধক নয়, বরং সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেশীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। সে কারণে আমরা শিল্পায়ন, রপ্তানিমুখী উৎপাদন, প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা তৈরি এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির সম্প্রসারণে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি সেবা প্রদানের সময়সীমা সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে, যেন উদ্যোক্তাদের অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করতে না হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা উপলব্ধি করি যে জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকি ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা আমাদের শিল্প উৎপাদনসহ অর্থনীতির সব ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আমরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি—যার অন্যতম হলো জ্বালানির উৎসসমূহকে বহুমুখীকরণ, এলএনজি টার্মিনালের সংখ্যা বৃদ্ধি, বাপেক্সকে শক্তিশালীকরণ, দেশীয় গ্যাস উত্তোলন জোরদারে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান, তেল পরিশোধনে সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় ইস্টার্ন রিফাইনারি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ, ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এই উদ্যোগসমূহ বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। তাই, আমরা জনগণকে একটু ধৈর্যশীল হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, একটি অধিক উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক এবং কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আমরা চাই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতিটি ধাপ নতুন কর্মসংস্থানে রূপান্তরিত হোক। শিল্প, সেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতে যেসব কর্মপরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে- আমরা মনে করি তাতে কর্মসংস্থানের ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ, তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহায়তা এবং নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে। আমরা এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তরুণদের প্রধান শক্তি হবে তাদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা; যেখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে প্রবৃদ্ধির স্বাভাবিক ফলাফল হিসেবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সৌদিতে ফ্লাইট বিপর্যয়, আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক , কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৩ অপরাহ্ণ
সৌদিতে ফ্লাইট বিপর্যয়, আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় প্রায় ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী আটকে পড়েছেন। বিমান চলাচলে বিঘ্ন ও ফ্লাইট বাতিলের কারণে তাঁদের দেশে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা ও ভ্রমণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে দেশটির সরকার।

বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ) এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি সৌদি আরবে হাজারো ভারতীয় ওমরাহযাত্রীর আটকে পড়ার বিষয়টি সামনে আনেন।

ফ্লাইট বাতিলে বিপাকে যাত্রীরা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি জানান, ইন্ডিগো, আকাসা এয়ার ও এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে সৌদি আরবে যাওয়া প্রায় ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী মক্কা ও মদিনায় আটকে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তাঁদের দেশে ফেরা ব্যাহত হচ্ছে।

আটকে পড়া যাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে বড় উড়োজাহাজ পরিচালনার অনুমতি দেওয়ার জন্য ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএর প্রতি আহ্বান জানান ওয়াইসি। পাশাপাশি প্রয়োজন হলে তাঁদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট চালুর ব্যবস্থাও করতে বলেন তিনি।

ফিরেছেন ১৩ হাজারের বেশি যাত্রী
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রিয়াদে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দায় ভারতীয় কনস্যুলেট আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফেরাতে বিমান সংস্থা ও ভ্রমণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে পাওয়া ফ্লাইটের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার আটকে পড়া ওমরাহযাত্রী ভারতে ফিরেছেন। এ ছাড়া নিয়মিত ফ্লাইটে আরও ১০ হাজারের বেশি ওমরাহযাত্রী দেশে ফিরেছেন।

সৌদি আরবে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তা দিতে নিয়ন্ত্রণকক্ষও চালু করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব নিয়ন্ত্রণকক্ষের যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করে প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ রাখা হয়েছে।

হামলার পর বিমান চলাচলে বিঘ্ন
সৌদি আরবের দাম্মামে কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবকাঠামোয় হামলার পর বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর প্রভাবে বিভিন্ন ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন ও ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত ভারতীয় ওমরাহযাত্রীদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এমএসআইপি/জেএন

এভারকেয়ার হাসপাতালে মন্ত্রী আব্দুল মঈন খানকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
এভারকেয়ার হাসপাতালে মন্ত্রী আব্দুল মঈন খানকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রপতি হাসপাতালে গিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রপতি হাসপাতালে অবস্থানকালে ড. আব্দুল মঈন খানের বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। তবে মন্ত্রীর অসুস্থতার কারণ, শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত বিবরণ কিংবা চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

টানা তিন সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী তেলের বাজার, বাড়ছে সরবরাহ-উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক , কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
টানা তিন সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী তেলের বাজার, বাড়ছে সরবরাহ-উদ্বেগ

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সৌদি আরবে হামলার খবর এবং ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের জল্পনা বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এ নিয়ে টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার পথে রয়েছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০.৩৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৫৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ০.৩৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৯৯ দশমিক ৮০ ডলার।

চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে।

সৌদি আরবে হামলায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পেছনে সৌদি আরবে একাধিক হামলার খবর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধারা সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূলের ইয়ানবু বন্দরে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির একটি তেলক্ষেত্র ও বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এসব হামলার কারণে তেল উৎপাদন, পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ঝুঁকির মুখে পড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে।

ইরানে নতুন হামলার আশঙ্কা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানে নতুন করে হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—এমন খবরও তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে, আগামী মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই অভিযানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব জ্বালানি বাজারে অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধের কারণে সরবরাহপথ ও উৎপাদনকেন্দ্র নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ রয়েছে।

এক বছরে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ৮৫ শতাংশের বেশি
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের প্রভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তেলের বাজারে অস্থিরতার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘পরাস্ত’ করেছে। একই সঙ্গে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ‘আরও কিছুটা এগিয়ে যেতে পারে’। তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ও সরবরাহপথে হামলা অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও পণ্য সরবরাহের ব্যয়ও বাড়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে এর প্রভাব বিভিন্ন দেশের মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর পড়তে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয় এবং তেল উৎপাদন ও পরিবহনব্যবস্থা কতটা স্বাভাবিক থাকে, তার ওপরই আগামী দিনগুলোতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের গতিপথ অনেকাংশে নির্ভর করবে। সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/এমএসআইপি/জেএন