খুঁজুন
                               
, ,
           

আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির একজন কর্মী: মীর শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু নই, বিএনপির একজন কর্মী: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, কোনো কারণেই তাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন না করতে। তিনি বিএনপির সাধারণ একজন কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে চেনেন, ব্যক্তিগতভাবে জানেন এটুকুই আমাদের সম্পর্ক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এ কথা বলেন।

বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপ সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

মীর শাহে আলম বলেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাকে তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এমনকি তার সম্পদ বৃদ্ধি বা অন্যান্য বিষয়ে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনের শিরোনামেও ‘তারেক রহমানের বন্ধু মীর শাহে আলম’ কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান ঢাকা শহরে বড় হয়েছেন, পড়াশোনা করেছেন। আর আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা বগুড়া ও শিবগঞ্জে। রাজনৈতিকভাবে তার সঙ্গে আমার পরিচয় হয় ১৯৯৩-৯৪ সালে, যখন আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পর তার বগুড়ায় যাতায়াত শুরু হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের মাধ্যমে আবারও বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি, কোনো কারণেই আমাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করবেন না। আমি বিএনপির সাধারণ একজন কর্মী।

মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপির কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সময় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া এবং বগুড়া জেলার দায়িত্ব পালনের সুবাদে তারেক রহমানের সঙ্গে তার বহুবার সাক্ষাৎ হয়েছে। বগুড়া তারেক রহমানের নিজ জেলা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তাদের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। তিনি আমাকে চেনেন, ব্যক্তিগতভাবে জানেন এটুকুই আমাদের সম্পর্ক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের বয়সেরও অনেক পার্থক্য রয়েছে। তারপরও যখন বিভিন্নভাবে বলা হয়, ‘তারেক রহমানের বন্ধু মীর শাহে আলম’ এটা করেছেন বা ওটা করেছেন, তখন বিষয়টি আমি, আমার পরিবার এবং সমাজের মানুষ ভালোভাবে নেয় না। এ ধরনের উপস্থাপন থেকে বিরত থাকার জন্য আমি অনুরোধ করছি।

নিজের মন্ত্রণালয়ের কাজ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিনি স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করছেন। গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত মন্ত্রীর অনুমোদনের মাধ্যমে হওয়ায় দায়িত্ব পালনে তিনি স্বস্তি ও নিরাপত্তা বোধ করেন।

গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা থাকলেও তিনি কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চান। সরকারের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে গণমাধ্যম গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে ১০ জনের মৃত্যু, সহিংসতা পরিহারের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে ১০ জনের মৃত্যু, সহিংসতা পরিহারের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

বিশ্বকাপ ঘিরে দেশে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে উল্লেখ করে খেলা নিয়ে সহিংসতা পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে বেসরকারি সংসদ সদস্যদের উপর উত্থাপিত বিলের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ তাদের টিম হেরে গেছে। দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার যে পরিবেশ, তা যেন আনন্দময় থাকে।

এটাকে কেন্দ্র করে দেশে যেন দেশে প্রাণনাশেকর ঘটনা না ঘটে। আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল ঝড়ে আক্রান্ত। দেশের প্রত্যেকটা মানুষ বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজ বা ভবিষ্যত প্রজন্ম তাদের মধ্যে আমেজটা বেশি।

বিভিন্ন মাধ্যমে সবাই ফুটবল উপভোগ করছেন। সারা দেশবাসীর কাছে এটকা আহ্বান জানাতে চাই। আমরা দেখেছি এই বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে বেশকিছু সহিংসতা ঘটেছে। বেশকিছু জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।

আমার কাছে যে তথ্য আছে তাতে ১০ জন মারা গেছে এটা দুর্ভাগ্যজনক। খেলা একটা আনন্দদায়ক বিষয়, এটা নিয়ে উন্মাদনা থাকবে উৎসাহ থাকবে। ঘরে ঘরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার য়ুদ্ধ চলমান রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধে সরকারের যুগান্তকারী উদ্যোগ

আহসান হাবিব বরুন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধে সরকারের যুগান্তকারী উদ্যোগ

রাষ্ট্রের কোষাগারে যে অর্থ জমা হয়, তার প্রতিটি টাকার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একজন কৃষকের ঘাম, একজন শ্রমিকের পরিশ্রম, একজন প্রবাসীর ত্যাগ, একজন ব্যবসায়ীর কর এবং কোটি মানুষের স্বপ্ন। তাই রাষ্ট্রের অর্থ কেবল সংখ্যার হিসাব নয়; এটি জনগণের বিশ্বাসের প্রতীক। সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। আর সেই দায়িত্ববোধ থেকেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে একটি সাহসী, সময়োপযোগী এবং সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ।

বিশ্ব অর্থনীতি এখনও নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। যুদ্ধ, বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দামের ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অস্থিরতা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এই বাস্তবতায় রাষ্ট্রের প্রতিটি ব্যয়কে আরও বিচক্ষণ, আরও দায়িত্বশীল এবং আরও ফলপ্রসূ করে তোলার বিকল্প নেই।

এই প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন ও পরিচালন বাজেটের আওতায় নতুন মোটরযান, জলযান ও আকাশযান ক্রয় স্থগিত, সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে কড়াকড়ি, সুদমুক্ত বিশেষ ঋণে গাড়ি কেনা বন্ধ এবং নতুন ভবন নির্মাণে বিধিনিষেধ আরোপ—এসব সিদ্ধান্ত একটি সুস্পষ্ট বার্তা বহন করে: তারেক রহমানের সরকার এখন ব্যয়ের চেয়ে প্রয়োজনকে, আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে জনস্বার্থকে এবং বিলাসিতার চেয়ে জবাবদিহিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায়।

দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি প্রশ্ন ছিল—সরকারি অর্থের প্রতিটি ব্যয় কি সত্যিই জনকল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে? বিদেশ সফর, নতুন গাড়ি, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যয় কিংবা অহেতুক আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে নানা সময়ে সমালোচনা হয়েছে। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত সেই প্রশ্নের একটি বাস্তবধর্মী উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এটি প্রমাণ করে, রাষ্ট্র চাইলে নিজের ব্যয়ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের প্রতি আরও সংবেদনশীল হতে পারে।

এই নীতির আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো বাস্তবতার প্রতি সম্মান। জরুরি সেবা, নিরাপত্তা, অ্যাম্বুলেন্স, দশ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন প্রতিস্থাপন কিংবা নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের যৌক্তিক প্রয়োজনকে ব্যতিক্রম হিসেবে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ উন্নয়নের গতি থামিয়ে নয়, অপচয়ের পথ বন্ধ করেই সাশ্রয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায় সরকার।

পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের বিষয়টিও এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নতুন সরকারি জিপ বা কারকে ফুল ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (এফইভি) করার সিদ্ধান্ত শুধু আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের প্রতীক নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিও। জ্বালানি আমদানির চাপ কমানো, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিদেশ সফরের ক্ষেত্রেও সরকার অযথা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি। আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ, উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষা এবং বিশেষ প্রযুক্তিগত প্রয়োজনের জন্য সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সরকারের লক্ষ্য দক্ষতা অর্জনের পথ বন্ধ করা নয়; বরং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—সীমিত সম্পদ দিয়ে অসীম চাহিদা পূরণ করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামো—সব ক্ষেত্রেই বিনিয়োগের প্রয়োজন বাড়ছে। তাই অপচয়ের প্রতিটি টাকা যদি সাশ্রয় করে জনকল্যাণে ব্যয় করা যায়, তবে সেটিই হবে প্রকৃত উন্নয়নের দর্শন।

তবে একটি বিষয় কখনোই ভুলে গেলে চলবে না—ভালো সিদ্ধান্তের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় তার বাস্তবায়নে। যদি এই নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়, যদি ব্যতিক্রমের সুযোগ অপব্যবহারের পথ বন্ধ হয়, যদি প্রতিটি ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়, তবে জনগণই হবে এর সবচেয়ে বড় উপকারভোগী। অন্যথায় পরিপত্র কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকবে, আর পরিবর্তনের প্রত্যাশা অপূর্ণ থেকে যাবে।

অর্থ বিভাগের পরিপত্রে “ভ্যালু ফর মানি”—অর্থাৎ প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে, সেটিই এই নীতির প্রাণ। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় উন্নয়নের মান নির্ধারণ হয় ব্যয়ের পরিমাণ দিয়ে নয়; বরং জনগণের জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব দিয়ে।

রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের আমানত। সেই আমানতের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই একটি গণমুখী সরকারের সবচেয়ে বড় পরিচয়। আজ যে সাশ্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা যদি আগামী দিনের স্বচ্ছ প্রশাসন, জবাবদিহিমূলক শাসন এবং জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের ভিত্তি হয়ে ওঠে, তাহলে ইতিহাস একে শুধু একটি ব্যয়সংকোচন নীতি হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার এক সাহসী সূচনা হিসেবেই স্মরণ করবে। সুতরাং ভ্যালু ফর মানি-এর কার্যকর বাস্তবায়নের কোন বিকল্প নেই।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন।

ফ্রান্সকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী মরক্কো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী মরক্কো

কাতারে গত বিশ্বকাপে মরক্কোর চমক থেমেছিল ফ্রান্সের কাছে। সেমিফাইনালে তারা ২-০ গোলে হেরেছিল। এবার আরেক ধাপ আগেই দুই দল মুখোমুখি হচ্ছে। গত হারের শোধ কি নিতে পারবে মরক্কো। ফেভারিট ফ্রান্স, কিন্তু তাদের হারানো অসম্ভব নয়, এই বিশ্বাস রেখে মাঠে নামতে পারে মরক্কো। কিছু ফ্যাক্টর আফ্রিকানদের মনে ফ্রান্সবধের বিশ্বাস এনে দিচ্ছে।

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ভয়ডরহীন

চলতি বিশ্বকাপের শুরুতেই মরক্কো স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল। তারা কারও বিপক্ষে আত্মসমর্পণ করবে না। হার না মানা লড়াই করবে, এমনকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষেও।

ব্রাজিলিয়ানদের ওপর প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করেছিল মরক্কো। ম্যাচটি শেষ হয়েছিল ১-১ গোলের ড্রয়ে। ২০২২ বিশ্বকাপে তারা আরেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল।

এছাড়া পর্তুগাল ও বেলজিয়ামের মতো শীর্ষ স্তরের দলকেও পরাজিত করেছিল তারা। তবে সেমিফাইনালে ফ্রান্স তাদের থামিয়ে দিয়েছিল। বিশ্বকাপের আগের পরিবর্তন কাজে লেগেছে

২০২২ বিশ্বকাপের দৃশ্যপট ফিরিয়ে এনে এই বছরের টুর্নামেন্ট শুরু করেছে মরক্কো। টুর্নামেন্টের আগ দিয়ে কোচিংয়ে পরিবর্তন এনেছিল।

মরক্কো কর্মকর্তাদের চাওয়া ছিল, ২০২২ সালের মতো কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে প্রতিক্রিয়া দেখানো নয়, খেলায় দাপট ধরে রাখাই হবে প্রধান কাজ। মোহামেদ ওয়াহবির দল সেই কাজ ঠিকঠাক করে যাচ্ছেন।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নকআউট পর্বের কথাই ধরুন। আধিপত্য ধরে রেখে তারা টাইব্রেকারে জিতেছিল। ইতোমধ্যে তারা টুর্নামেন্টে ১০ গোল করেছে, যা আফ্রিকান দলের রেকর্ড। তাদের পাশে আছে সেনেগাল।

ফ্রান্সের নাড়িনক্ষত্র জানেন হাকিমি

হাকিমি পিএসজিতে খেলেছেন। ফ্রান্সের আক্রমণের দৌড় ভালোভাবে জানা তার। তিনি জানেন, ফরাসি খেলোয়াড়রা কোন কৌশলে তাদের কাবু করতে পারে। মরক্কান জাতীয় দলের একজন প্রধান খেলোয়াড় হাকিমি। কয়েক বছর এমবাপের সঙ্গে খেলেছেন এই ফুলব্যাক এবং পিএসজিতে এখনো তিনি দেম্বেলে, দুয়ে ও বারকোলার সতীর্থ।

সর্বোচ্চ স্তরে থাকা খেলোয়াড়রা

বিশ্বের সেরা রাইট ব্যাক মনে করা হয় হাকিমিকে। কিন্তু মরক্কান দলে তিনিই একমাত্র তারকা খেলোয়াড় নয়।ইসমাইল সাইবারি বাদ পড়লেও মিডফিল্ডে আছেন বুয়াদ্দি ও আল আইনুনি। তারা যথাক্রমে লিল ও রোমায় খেলে নিজেদের সম্ভাবনার প্রমাণ দিয়েছেন।তারা বাদেও সর্বোচ্চ স্তরে খেলা মাজরাউই (ম্যানইউ) ও ব্রাহিম দিয়াজের (রিয়াল মাদ্রিদ) মতো খেলোয়াড় আছেন।

পেনাল্টি কিকের মাস্টার

ম্যাচ যদি পেনাল্টিতে যায়, তাহলে মরক্কো এগিয়ে থাকবে। কারণ খুব কম দলই তাদের মতো দারুণ প্রস্তুতি সেরে রেখেছে।

গত বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ইয়াসিন বোনো। সোলার ও বুসকেটসকে পেনাল্টিতে রুখে দেন তিনি। এবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। সামরভিলের পেনাল্টি রুখে দিয়েই তো মরক্কোকে শেষ ষোলোতে তোলেন তিনি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি