খুঁজুন
                               
, ,
           

জরুরি পরিস্থিতির কারণে ১১ জেলায় বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
জরুরি পরিস্থিতির কারণে ১১ জেলায় বিজিবি

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা কারণে জরুরি পরিস্থিতিতে ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জেলাগুলোতে বিজিবি উদ্ধার তৎপরতা ছাড়াও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ও চিকিৎসা সহায়তা করবে বলে জানা যায়।

রোববার (১২ জুলাই) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও ভূমিধসে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান ও ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষায় বান্দরবান, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুর জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই ১১ জেলায় মোট ৯০টি পয়েন্টে সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিজিবি। সেই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বান্দরবানের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতোমধ্যে ১১৬ জন পর্যটকসহ ১২২টি পরিবারের ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও ৪৮ জনকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিয়েছে বিজিবি। পাশাপাশি বান্দরবান-রোয়াংছড়ি সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে উপরে পড়া গাছ ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে তারা।

এছাড়াও নাইক্ষ্যংছড়িতে ভূমিক্ষয়ের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া স্টিলের সেতু রক্ষায় জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে বিজিবি।

কালের আলো/এসএকে

ইনফান্তিনোর পাশে আফ্রিকান ফুটবল, সর্বসম্মত সমর্থন দিল কাফ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
ইনফান্তিনোর পাশে আফ্রিকান ফুটবল, সর্বসম্মত সমর্থন দিল কাফ

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সর্বসম্মত সমর্থন জানিয়েছে কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (কাফ)। বৃহস্পতিবার কাফের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমন সময় এই সমর্থন এল, যখন ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাসহ কয়েকটি আঞ্চলিক ফুটবল সংস্থা ইনফান্তিনোর বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করছে।

কাফের এক বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাহী কমিটি সর্বসম্মতভাবে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং আফ্রিকান ফুটবলের উন্নয়নে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে।

আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা সভাপতি নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন ইনফান্তিনো। ফিফার ২১১ সদস্যদেশের মধ্যে ৫৪টি আফ্রিকার, ফলে ভোটের হিসাবে কাফকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০১৬ সালে ইনফান্তিনো দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছে আফ্রিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

সম্প্রতি বিশ্বকাপসহ ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন দেশের ফুটবল ফেডারেশন অভিযোগ তোলে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তাদের যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরে ফিফা পরিকল্পনাটি থেকে সরে এসে পুরো বিষয়টি পুনর্বিবেচনার ঘোষণা দেয়।

কাফ সভাপতি প্যাট্রিস মতসেপে ফিফার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রোমের যৌথ বার্তাকে সমর্থন জানায় কাফ। একই সঙ্গে সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে সদস্য সংস্থা ও অংশীজনদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

চলতি সপ্তাহেই আফ্রিকার কয়েকজন প্রভাবশালী ফুটবল কর্মকর্তা পৃথক বিবৃতিতে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান ফৌজি লেকজা, ফিফা কাউন্সিলের সদস্য হানি আবো রিদা, হামিদো জিব্রিলা, আহমেদ ইয়াহিয়া এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ভেরন মোসেঙ্গো-ওম্বা।

বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্কের পর কাফের এই প্রকাশ্য সমর্থন ইনফান্তিনোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে এই সামানজার সাঈদ?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে এই সামানজার সাঈদ?

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬’ বিজয়ী সামানজার সাঈদ এবার বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রস্তুত। আগামী রোববার ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে শুরু হতে যাওয়া মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে শনিবার দেশ ছাড়বেন তিনি।

যাত্রার আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা জানান সামানজার। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই সুন্দরী প্রতিযোগিতা দেখতে ভালো লাগলেও কখনো ভাবেননি নিজেই এমন একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন। তাঁর লক্ষ্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের সামর্থ্য তুলে ধরা এবং গর্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করা।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর কৌতূহল থেকেই ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন সামানজার। প্রথমবার অংশ নিয়েই বিজয়ীর মুকুট জিতে নেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, প্রতিযোগিতাটি কেবল সৌন্দর্যের নয়; ব্যক্তিত্ব, চিন্তাভাবনা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকাশেরও একটি বড় মঞ্চ।

বিজয়ী হওয়ার পর আন্তর্জাতিক উপস্থাপনা, ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন ও বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ গ্রুমিং নিয়েছেন সামানজার। তাঁর বিশ্বাস, এই অভিজ্ঞতা তাঁকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি চার বছর কথক ও ভরতনাট্যম নৃত্য শিখেছেন সামানজার। গান, নাচ ও খেলাধুলার প্রতিও রয়েছে তাঁর আগ্রহ। ভবিষ্যতে ভালো গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের প্রস্তাব পেলে অভিনয়েও কাজ করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।

গত ১১ জুলাই ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬’ হিসেবে সামানজার সাঈদের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিদায়ী বিজয়ী আকলিমা আতিকা কনিকার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্বাগতা সাহা এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন লাবিবা মনজুর।

ভিয়েতনামের হ্যানয়ে শুরু হওয়া মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ প্রতিযোগিতার সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর হো চি মিন সিটিতে।

কালের আলো/এসএ

বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু

ভালোবাসা দিবস, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় তারকা জুটি রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। তবে বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাঁদের দাম্পত্যে ভাঙনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, এই দম্পতি নাকি আলাদা থাকছেন। যদিও এ বিষয়ে এতদিন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই।

অবশেষে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে নীরবতা ভাঙেন রণজয় বিষ্ণু। শুটিং সেট থেকে শেয়ার করা ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, “ভাবিনি কখনো এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে হবে। যে কাদা–ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, তা কাম্য নয়। আমরা একে অন্যকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত কথা বলতে আমি আগ্রহী নই। এই মুহূর্তে মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত।”

তিনি আরও বলেন, একজন নারীকে নিয়ে মন্তব্য করার আগে সবার আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো তাঁর প্রাপ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন অভিনেতা।

বিচ্ছেদের গুঞ্জন প্রসঙ্গে রণজয়ের বক্তব্য, “আমরা বিয়ে করেছি। আমাদের মধ্যে যা-ই হোক, আমরা নিজেরাই বুঝে নেব। কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার দায় নেই। করজোড়ে অনুরোধ করছি, আমাদের বাঁচতে দিন। আমাদের মতো থাকতে দিন। এত মিথ্যা রটনা আর নিতে পারছি না।”

এদিকে, শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি রণজয়ের সহ-অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এসব দাবি নাকচ করে রণজয় বলেন, “এই রটনার কোনো প্রমাণ কী আছে? আমাদের ব্যক্তিগত জীবন আমরা নিজেরাই সামলে নেব। যা হচ্ছে, সেটা আমরা ডিজার্ভ করি না।”

যদিও নানা জল্পনা-কল্পনা চললেও, রণজয় বা শ্যামৌপ্তি—কেউই এখন পর্যন্ত তাঁদের বৈবাহিক সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা বা বিচ্ছেদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।

কালের আলো/এসএ