খুঁজুন
                               
, ,
           

বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেল ৬ বারের ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা

মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব!

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব!

ফ্রান্সের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও সফল ফুটবল ক্লাব বোর্দোর মালিকানা বদল হয়েছে একেবারেই প্রতীকী মূল্যে। ভয়াবহ আর্থিক সংকট কাটিয়ে ক্লাবটিকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে ব্রিটিশ বিনিয়োগ কোম্পানি স্পার্টা ক্যাপিটাল ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান পার্ক বেঞ্চের যৌথ জোট মাত্র ১ ইউরোতে কিনে নিয়েছে ছয়বারের ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের।

ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লেকিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কয়েক বছর ধরে চলা আর্থিক টানাপোড়েন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতাগুলো থেকে নির্বাসিত হওয়ার শঙ্কার মধ্যে ক্লাবটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নতুন বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে ২০২১ সাল থেকে বোর্দোর মালিকানায় থাকা ব্যবসায়ী জেরার্ড লোপেজের অধ্যায়েরও অবসান ঘটেছে।

চুক্তিটি সম্পন্ন করতে লোপেজ তার পাওনা অর্থ মওকুফ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ক্লাবের পরিস্থিতির উন্নতি হলে সর্বোচ্চ ১২ মিলিয়ন ইউরো পুনরুদ্ধারের যে শর্ত বা ক্লজ ছিল, সেটিও ত্যাগ করেছেন।

সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বোর্দো।

২০০৮ থেকে ২০০৯ মৌসুমে সর্বশেষ লিগ ওয়ানের শিরোপা জেতা ক্লাবটি ২০২২ সালে দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যায়। এরপর আর শীর্ষ স্তরের ফুটবলে ফিরতে পারেনি তারা।

ফরাসি ফুটবলের আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্লাবটির প্রায় ৪০ মিলিয়ন ইউরোর ঘাটতি বা দেনা চিহ্নিত করে।

পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক হয়ে ওঠে যে, দীর্ঘ ৮৭ বছর পর ক্লাবটি পেশাদার ফুটবল ক্লাবের মর্যাদা হারায়। একই সঙ্গে তাদের যুব একাডেমিগুলোও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। জাতীয় প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়।

বোর্দোকে আবার ফুটবলে ফিরিয়ে আনতে নতুন মালিকপক্ষ প্রায় ১১ মিলিয়ন ইউরোর সংস্থান করেছে। ক্লাবের মৌসুমের দৈনন্দিন খরচ চালানো এবং বিচার বিভাগীয় পুনর্গঠন পরিকল্পনা পূরণের জন্য একটি ট্রাস্ট অ্যাকাউন্টে এই অর্থ জমা রাখা হয়েছে।

নতুন বিনিয়োগকারী স্পার্টা ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রাঙ্ক টুইল। তিনি এসি মিলানের সাবেক বোর্ড সদস্য। অন্যদিকে পার্ক বেঞ্চের মালিক ব্রিটিশ ব্যবসায়ী জেমস বোর্ড। স্কটিশ ক্লাব ডানফার্মলাইন অ্যাথলেটিক ও স্প্যানিশ ক্লাব কর্দোবার সঙ্গেও যুক্ত আছেন তিনি।

মালিকানা পরিবর্তনের ফলে বোর্দোর টিকে থাকার নতুন আশা তৈরি হলেও মাঠে তাদের ভবিষ্যৎ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। জাতীয় প্রতিযোগিতা থেকে তাদের বাদ দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ক্লাবটি। এ বিষয়ে ফরাসি অলিম্পিক ও স্পোর্টস কমিটির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে তারা।

কমিটির রায় ইতিবাচক হলে নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে বোর্দো অর্থনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি আবারও প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফেরার সুযোগ পাবে।

১৮৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক এই ক্লাবে খেলেছেন ফরাসি কিংবদন্তি ও দেশটির জাতীয় দলের বর্তমান কোচ জিনেদিন জিদান। একই ক্লাবে খেলেছেন আলাঁ জিরেস, বিসেন্টে লিস্তারাজু, ক্রিস্তফ দুগারি ও ইয়ান গুরকুফের মতো বিশ্বখ্যাত ফুটবলাররা।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

চাঁদে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’, জানুন কোথা থেকে দেখা যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’, জানুন কোথা থেকে দেখা যাবে

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাত থেকে আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের মধ্যে আকাশে দেখা যাবে বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য। এ সময় সংঘটিত হবে গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এতে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাবে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এর মূল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।

এ ছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও চাঁদ ওঠা বা ডোবার সময় গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।

চাঁদের বেশিরভাগ অংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় ঢেকে গেলেও এটি পুরোপুরি অদৃশ্য হবে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলো চাঁদের ওপর পৌঁছানোর কারণে চাঁদ তামাটে বা লালচে রঙ ধারণ করতে পারে। এ ধরনের দৃশ্যকে সাধারণভাবে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

পুরো চন্দ্রগ্রহণের প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে। তবে চাঁদের লালচে হয়ে ওঠার দৃশ্য তুলনামূলকভাবে অল্প সময় স্থায়ী হবে।

চন্দ্রগ্রহণ দেখতে সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক চশমার প্রয়োজন নেই। আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই নিরাপদে এ মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কালের আলো/এমএসআইপি 

চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ গবেষণায় গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ গবেষণায় গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) চীনের গুয়াংজুর সাউথ চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা বিনিময় সম্মেলনে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি কার্যক্রম দুই দেশের শিক্ষা সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে পারে। এ জন্য বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল শিক্ষা চাহিদার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশীদারত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বাংলাদেশে চীনা ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সম্মেলনে বাংলাদেশের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। চীনের পক্ষ থেকেও গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুয়াংডং প্রদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৬১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেছেন। এছাড়া ২০২৫ সালে গুয়াংডং সরকারের বৃত্তি পেয়েছেন ২০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী।

শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য চীনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ বাড়বে বলে সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১২ পূর্বাহ্ণ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগকবলিত নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

শোকবার্তায় তারেক রহমান বলেন, নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের জনগণ গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। বাংলাদেশ পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি জানান, দুর্যোগের ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের অনেকেই মারা গিয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে পর্যটকরাও রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপাল সরকার এবং দেশটির বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি দুর্যোগে নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ার আশা প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে নেপালের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও শোকবার্তায় জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি