খুঁজুন
                               
, ,
           

বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
বরিশালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরিশালের বাবুগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

পরিদর্শনের সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রমও প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে এই প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি এবং যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

এ সময় জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ দেন তিনি। একপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান এবং তাঁদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি তাঁকে পরিবেশন করা হয়।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি বলেন, সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি নিজে একটি সেনা পরিবারে বড় হয়েছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তাঁর ভালো লাগে এবং শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে। সেনাসদস্যদের সঙ্গে কথা বলা ও তাঁদের সান্নিধ্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে তিনি যেন শৈশবে ফিরে যান।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানোর খবরটি ‘গুজব’: সদরদফতর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ
পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানোর খবরটি ‘গুজব’: সদরদফতর

দেশজুড়ে বোমা হামলার আশঙ্কায় পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানোর খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য এবং এটি একটি গুজব বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ সদরদফতর।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায় যে, দেশজুড়ে বড় ধরনের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কায় পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইস এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, বোমা হামলার আশঙ্কায় সারা দেশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির বিষয়টি গুজব। সদরদফতর থেকে কর্মকর্তাদের ফোনে এমন কোনো সতর্কবার্তা পাঠানো হয়নি।

এরআগে গোপন সংবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে দেশের প্রতিটি এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে।

বার্তায় লেখা ছিল—‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে আজ সারা বাংলাদেশে বোমা হামলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার জেলাধীন যেসব পুলিশ সদস্য রাত্রিকালীন চেকপোস্ট/ টহল/ মোবাইল ডিউটিতে নিয়োজিত থাকবেন তারা সর্বোচ্চ সর্তকতারসহিত ডিউটি পালন করবেন। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক অবগত করবেন। অতীব জরুরি নির্দেশনা: পুলিশ হেডকোয়ার্টর্স।’

এরআগে শুক্রবার পুলিশ সদরদফতর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও জালিয়াতি নিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দেশি-বিদেশি দোসররা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা, পুলিশ বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ন করা এবং সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে।’

‘পুলিশ কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে জোরালো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ও অপপ্রচারকারীদের কোনো অন্যায় তদবির আমলে না নেওয়ায় অসন্তুষ্ট মহল মনগড়া তথ্যসংবলিত এ ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত, পুলিশসহ অন্যান্য সরকারি দফতরে বিভিন্ন অন্যায় তদবির করা ও অপপ্রচার না চালানোর শর্তে অর্থ দাবির তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। ’

পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য বিশ্বাস, শেয়ার বা প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালনেও পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধও জানানো হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে যাচ্ছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২২ পূর্বাহ্ণ
ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে যাচ্ছেন ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের পর এবার প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) সদর দফতরে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) যাচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান, বিচারক ও প্রসিকিউশন দলের সদস্যদের সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারকাজের অংশ হিসেবে এই পরিদর্শন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী থাকবেন। তাদের সঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী ও তাসমিরুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন দলের সদস্যরা থাকবেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও পরিদর্শনে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন।

এর আগে গত ১ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা এলাকায় র‍্যাব-১ সদর দফতরে থাকা টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক ও প্রসিকিউটররা। সেদিন তারা ছোট-বড় মোট ২৯টি কক্ষ ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া সাতটি ডেথ সেল পরিদর্শন করে সেখানে বন্দিদের আটকে রেখে নির্যাতনের বিষয়ে ধারণা নেন।

এর আগে ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে র‍্যাব, ডিজিএফআই ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাইব্যুনাল-১। ওই দিন চিফ প্রসিকিউটর আওয়ামী লীগ সরকারের টানা শাসনামলে এসব বন্দিশালায় বিরোধী মতাদর্শের ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে নির্যাতন ও গুমের অভিযোগ তুলে ধরেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ইয়েমেনে হুতিদের হামলায় ৫৮ সেনা নিহত

ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইয়েমেনে অন্তত ৫৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশটিতে এক দিনে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মারিব প্রদেশের আল-রুওয়াইক এবং সৌদি সীমান্তসংলগ্ন হাদ্রামাউত প্রদেশের আল-আবর ও আল-ওয়াদিয়া এলাকার সামরিক ঘাঁটিগুলোতে একযোগে হামলা চালানো হয়। ইয়েমেনের সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারিবের একটি সেনা ক্যাম্পে সকালের সমাবেশ চলাকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪৫ সেনা নিহত হন।

হুতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, ‘সৌদি-সমর্থিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি’র জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তিনি আল-রুওয়াইক, আল-থানিয়াহ ও আল-আবর এলাকার নাম উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা মোকাবিলার জন্য হুতি বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, সংঘাতের প্রভাব সৌদি আরবেও ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় হুতিদের হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনের চলমান সংঘাতও নতুন করে তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি