খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, কৃষি, বাণিজ্য, শ্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। এ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করতে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও এখানে বিপুল জনগোষ্ঠীর বসবাস। দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষির আধুনিকায়ন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি জরুরি। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত ও কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নজরুল ইসলাম খান জানান, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি  প্রধানমন্ত্রীর কৃষি কার্ড কর্মসূচি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সম্ভাবনা অনুযায়ী বিশেষ পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসব এলাকায় সৌরবিদ্যুৎসহ পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো গেলে কৃষি উৎপাদন, সেচ, পণ্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় কর্মসংস্থানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে আমসহ বাংলাদেশের কৃষিপণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদনের পর মানসম্মতভাবে সংরক্ষণ, পরিবহন ও রপ্তানির জন্য কার্যকর কোল্ড চেইন এবং রেফ্রিজারেটেড পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এসব অবকাঠামো ও প্রযুক্তি উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে আমদানি হওয়া মার্কিন পণ্য বন্দরে খালাসের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সরকার বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনা এবং আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা দূর করতে কাজ করছে। শিগগিরই এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে শ্রমিকদের অধিকার, কর্মপরিবেশ, ট্রেড ইউনিয়ন এবং শ্রম আইন সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সংশোধিত শ্রম আইনে শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষা জোরদার, আন্তর্জাতিক শ্রমমানের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠা এবং ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ ইতিবাচক।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সরকার এমন একটি শ্রমব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষিত থাকবে, একই সঙ্গে শিল্পের উৎপাদন ও বিনিয়োগের পরিবেশও বজায় থাকবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্প খাতে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও শ্রমমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তবে এখানেই থেমে থাকার সুযোগ নেই। ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রম শক্তিশালী করা, শ্রমিকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি, মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। নজরুল ইসলাম খান বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের একটি নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান জরুরি। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা এবং মিয়ানমারের ওপর প্রয়োজনীয় চাপ অব্যাহত রাখা দরকার। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি একটি জটিল সংকট এবং এর সমাধানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

শিক্ষা খাতের আলোচনায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, যোগ্যতা যাচাই এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নের বিষয় উঠে আসে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চলে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্র নতুন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। রোগ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা উন্নয়নে এ সহযোগিতা পরিচালিত হবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি কৃষি, বাণিজ্য, শ্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট (Erin Covert), পলিটিক্যাল অফিসার জেমস এ. স্টুয়ার্ট (James A. Stewart) এবং লেবার অ্যাটাশে লিনা খান (Leena Khan)। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এবং সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

টানা তৃতীয়বারের মত বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠা হল ফ্রান্সের। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২২ সালে রানার্স আপ হয় কিলিয়ান এমবাপের দল। এবারও টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ছিল ফরাসিরা। সেমিফাইনাল পর্যন্ত দাপুটে ফুটবল খেললেও শেষ চারেই আটকে গেল স্পেনের কাছে।

মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে ও কিলিয়ান এমবাপেরা থাকলেন নিজেদের ছায়া হয়ে, ভাঙতে পারলেন না স্প্যানশ রক্ষণের দেয়াল। ওদিকে ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে লিড নেওয়া লুই দে লা ফুয়েন্তের দল দ্বিতীয়ার্ধে দলীয় সমন্বয়ে করলো আরও এক গোল।

দিদিয়ের দেশমের দল শেষ পর্যন্ত একবারও জালের দেখা না পাওয়ায় ২-০ গোলের দাপুটে জয়ে এবারের আসরের ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে লামিন ইয়ামালের স্পেন।

এলিসে, দেম্বেলে ও এমবাপেদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণ ভাগ এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াবেন, এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকেই। তবে দুর্দান্ত এই আক্রমণ স্প্যানিশ প্রতিরোধের সামনে থাকল নিজেদের ছায়া হয়ে।

টিকিটাকার পসরা সাজিয়ে ছন্দময় ফুটবলে বলের দখল রাখার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের দখলেই রাখল স্প্যানিশরা। দারুণ দুই গোলে জিতে নিল ফাইনালের টিকিটও।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলেছে। ফরাসি ও স্প্যানিশ আক্রমণে শুরুতেই ম্যাচ জমে ওঠে। তবে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্পেনি।

ম্যাচের ২১ মিনিটে ফরাসিদের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন লামিন ইয়ামাল। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। এমবাপেরা প্রতিবাদ জানালেও তা ধোপে টেকেনি। স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোল করে ম্যাচের ২২ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়িয়ারসাবাল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

বিশ্বকাপের ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল স্পেন। এক ঘণ্টা না যেতেই দুইবার ফ্রান্সের জালে বল জড়াল তারা। ডালাসে সেমিফাইনালে ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

দানি ওলমো কাউন্টার অ্যাটাকে প্রথম সুযোগটি নষ্ট করেন এবং ওইয়ারজাবালকে বল পাস দিয়ে গোল দেওয়ার মতো পজিশনে পাঠাতে ব্যর্থ হন। তবে বলটি শেষ পর্যন্ত পেড্রো পোরোর কাছে ফিরে আসে, যিনি ওলমোর সাথে ওয়ান-টু খেলে মাগনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

তিন মিনিট পর একক চেষ্টায় ইয়ামাল তৃতীয়বার ফ্রান্সের জালে বল ঠেলে দেন। কিন্তু গোলটি উদযাপনের আগেই বাতিল হয় লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা ওড়ালে।

এর আগে নবম মিনিটে ওলমো ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন। বায়েনা কিক নেন। কিন্তু রক্ষণদেয়ালে আঘাত করে বল। ফ্রান্স দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ১৪ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এমবাপে দ্রুত বল নিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন। তার সামনে কেবল পোরো ও গোলকিপার ছিলেন। কুবারসি ও লাপোর্তে তাদের পজিশনে থেকে এমবাপেকে রুখে দেন।

হাইড্রেশন ব্রেকের আগে এগিয়ে যায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলেন দিনিয়ে। ডিবক্সের মধ্যে স্পেন তারকাকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি পায় লা রোজারা। তারপর মিকেল ওয়ারসাবালের কিকে এগিয়ে গেল তারা। ফ্রান্স ২৩তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে।

 

২০ মিনিটে স্পেন পেনাল্টি পায়। কুকুরেয়ার বক্সের মধ্যে বাড়ানো ক্রস দিনিয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই লেফটব্যাক ব্যর্থ হন। তার সামনে ছিল ইয়ামাল। তাকে ফাউল করে বসেন। রেফারি দ্রুত পেনাল্টির বাঁশি বাজান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে পেনাল্টি আদায় করলেন ১৯ বছর ও ১ দিনের ইয়ামাল।

ওয়ারসাবাল নেন পেনাল্টি কিক। রিয়াল সোসিয়েদাদ তারকার শট ডানকোণা দিয়ে নেন। ফরাসি কিপার মাগনিয়ঁ ঠিক দিকেই ডাইভ দিয়েছিলেন। কিন্তু বল তার নাগালে ছিল না। জালে জড়ায় বল। পিছিয়ে পড়ার পর দলের সেন্টার ব্যাক সালিবা ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লে তাদের বিপদ আরও বাড়ে।

৩৬ মিনিটে ফ্রান্সকে আরেকবার কাঁপিয়ে দেয় স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। মাইগনান তাকে রুখে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড শট নিতেই অফসাইডের বাঁশি বাজে। পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোলার ডানপায়ের বাঁকানো শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়।

তিন মিনিট পর স্পেন আরেকটি সুযোগ তৈরি করে। ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস করেন ইয়ামাল। তারপর ওলমোর ব্যাকহিল থেকে ইয়ামালের পাসে বল পান রুইজ। কিন্তু তার শট গোলবার ঘেঁষে যায়।

৪৩ মিনিটে ফ্রান্স চমৎকার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এমবাপেকে বল পায়েই নিতে দেননি সিমন। স্প্যানিশ কিপার দ্রুত বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করেন। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।

মূল একাদশ: দিনিয়ে, মাগনিয়ঁ, রাবিও, দেম্বেলে, এমবাপে, উপামেকানো, কুন্দে, চুয়ামেনি, সালিবা, অলিসে, বারকোলা।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: ব্রিস সাম্বা, কান্তে, লুকাস, তুরাম, থিও, জঁ-ফিলিপ মাতেতা, কোনাতে, মাক্সেন্স লাক্রোয়া, চেরকি, মানু কোনে, গুস্তো, জাইরে-এমেরি, মাগনেস আকলিউশ, দুয়ে, রবিন রিসার।

মূল একাদশ: লাপোর্তে, উনাই সিমন, কুকুরেয়া, ফ্যাবিয়ান রুইজ, ওয়ারজাবাল, অলমো, রদ্রি, অ্যালেক্স বায়েনা, পোরো, লামিনে ইয়ামাল, কুবারসি।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: গ্রিমালদো, ইগলেসিয়াস, লরেন্তে, ডেভিড রায়া, মেরিনো, ফেরান তোরেস, এরিক গার্সিয়া, মার্টিন জুবিমেন্দি, ইয়েরেমি, পেদ্রি, জোয়ান গার্সিয়া, নিকো উইলিয়ামস, মার্ক পুবিল, গাভি, ভিক্টর মুনিয়োজ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে স্পেন। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে মুখোমুখি ইউরোপিয়ান দুই পরাশক্তি। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট এই দুই দলের লড়াইয়ে শুরুতেই গোল পেয়ে লিড নেয় স্প্যানিশরা। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিপক্ষে পেনাল্টিতে এগিয়ে যান লামিন ইয়ামালরা। স্পটকিক থেকে করা সেই গোলেই ১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেছে লুই দে লা ফুয়েন্তের দল।

ইউরোপিয়ান দুই দলের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ শুরু থেকেই জমে ওঠেছে। দুই দলই চেষ্টা করছে একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সুযোগ তৈরির। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে দুই দল। তবে ফ্রান্সের আক্রমণের বিপরীতে পেনাল্টি থেকে গোল করে লিড নিয়েছে স্প্যানিশরাই।

ম্যাচের ২১ মিনিটে স্প্যানিশ আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বক্সের ভেতরে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। আর স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

দারুণ এক পেনাল্টি নেন ওইয়ারসাবাল। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইক মাইনিয়ঁ ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, নিজের বাঁ দিকে। কিন্তু ওইয়ারসাবালের জোরালো শট গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

এদিকে পিছিয়ে পড়ার পর দুঃসংবাদ পায় ফরাসিরা। ৩০ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন উইলিয়াম সালিবা। তাঁর জায়গায় আসলেন ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া। গোল হজম করে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়েই লড়েন এমবাপেরা। বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও সেসব ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দিদিয়ের দেশমের দল।

কালের আলো/এসআর/এএএন