খুঁজুন
                               
, ,
           

বন্যায় দেশে ৫৬ জনের মৃত্যু, ১০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
বন্যায় দেশে ৫৬ জনের মৃত্যু, ১০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

Oplus_131072

অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে দেশে এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৩২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ হাজার ৮৫৪ জন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলো হলো— খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। মন্ত্রণালয়ের সারসংক্ষেপে বন্যাপ্লাবিত উপজেলার সংখ্যা ৫৯টি বলা হলেও জেলাভিত্তিক তালিকার মোট হিসাবে ৫৭ উপজেলা উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ৩৩৪ এবং পৌরসভা ১২।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। জেলাটিতে ৩১ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। সেখানে আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। চট্টগ্রামে ১৫ জনের মৃত্যু ও ১২ জন আহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। বান্দরবানে ছয়জন, রাঙামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজন মারা গেছেন। খাগড়াছড়িতে একজন এবং বান্দরবানে দুজন আহত হয়েছেন।

বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চট্টগ্রামে ৭০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে তিন হাজার ১৪০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। রাঙামাটির ৪০ কেন্দ্রে তিন হাজার ১৫৮ জন, বান্দরবানের ৫৪ কেন্দ্রে দুই হাজার ৫৮৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ১০ কেন্দ্রে এক হাজার ৭৪৫ জন অবস্থান করছেন।

খাগড়াছড়িতে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪ জন এবং কক্সবাজারে তিনটি কেন্দ্রে ১৯৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। হবিগঞ্জে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার তথ্য থাকলেও সেখানে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। জেলা-ভিত্তিক হিসাবে মোট ৩২৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ১০ হাজার ৮৫৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রামের মহানগরসহ ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জেলার ১২২ ইউনিয়ন বা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারের ১০ উপজেলার ৭১ ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা, রাঙামাটির ৯ উপজেলার ৪৩ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা এবং বান্দরবানের সাত উপজেলার ৩৪ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা দুর্যোগের কবলে পড়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য মোট এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং তিন হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রামের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা ও এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারে ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, রাঙামাটিতে ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ মেট্রিক টন চাল, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে পৃথকভাবে ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মৌলভীবাজারে ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল এবং হবিগঞ্জে পাঁচ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের অন্য ৫৭ জেলার জন্য জেলাপ্রতি পাঁচ লাখ টাকা এবং ১০০ মেট্রিক টন চালের সাধারণ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৪ জেলার জন্য চার কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং আট হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

কালের আলো/এসএকে

এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

টানা তৃতীয়বারের মত বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠা হল ফ্রান্সের। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২২ সালে রানার্স আপ হয় কিলিয়ান এমবাপের দল। এবারও টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ছিল ফরাসিরা। সেমিফাইনাল পর্যন্ত দাপুটে ফুটবল খেললেও শেষ চারেই আটকে গেল স্পেনের কাছে।

মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে ও কিলিয়ান এমবাপেরা থাকলেন নিজেদের ছায়া হয়ে, ভাঙতে পারলেন না স্প্যানশ রক্ষণের দেয়াল। ওদিকে ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে লিড নেওয়া লুই দে লা ফুয়েন্তের দল দ্বিতীয়ার্ধে দলীয় সমন্বয়ে করলো আরও এক গোল।

দিদিয়ের দেশমের দল শেষ পর্যন্ত একবারও জালের দেখা না পাওয়ায় ২-০ গোলের দাপুটে জয়ে এবারের আসরের ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে লামিন ইয়ামালের স্পেন।

এলিসে, দেম্বেলে ও এমবাপেদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণ ভাগ এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াবেন, এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকেই। তবে দুর্দান্ত এই আক্রমণ স্প্যানিশ প্রতিরোধের সামনে থাকল নিজেদের ছায়া হয়ে।

টিকিটাকার পসরা সাজিয়ে ছন্দময় ফুটবলে বলের দখল রাখার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের দখলেই রাখল স্প্যানিশরা। দারুণ দুই গোলে জিতে নিল ফাইনালের টিকিটও।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলেছে। ফরাসি ও স্প্যানিশ আক্রমণে শুরুতেই ম্যাচ জমে ওঠে। তবে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্পেনি।

ম্যাচের ২১ মিনিটে ফরাসিদের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন লামিন ইয়ামাল। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। এমবাপেরা প্রতিবাদ জানালেও তা ধোপে টেকেনি। স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোল করে ম্যাচের ২২ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়িয়ারসাবাল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

বিশ্বকাপের ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল স্পেন। এক ঘণ্টা না যেতেই দুইবার ফ্রান্সের জালে বল জড়াল তারা। ডালাসে সেমিফাইনালে ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

দানি ওলমো কাউন্টার অ্যাটাকে প্রথম সুযোগটি নষ্ট করেন এবং ওইয়ারজাবালকে বল পাস দিয়ে গোল দেওয়ার মতো পজিশনে পাঠাতে ব্যর্থ হন। তবে বলটি শেষ পর্যন্ত পেড্রো পোরোর কাছে ফিরে আসে, যিনি ওলমোর সাথে ওয়ান-টু খেলে মাগনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

তিন মিনিট পর একক চেষ্টায় ইয়ামাল তৃতীয়বার ফ্রান্সের জালে বল ঠেলে দেন। কিন্তু গোলটি উদযাপনের আগেই বাতিল হয় লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা ওড়ালে।

এর আগে নবম মিনিটে ওলমো ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন। বায়েনা কিক নেন। কিন্তু রক্ষণদেয়ালে আঘাত করে বল। ফ্রান্স দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ১৪ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এমবাপে দ্রুত বল নিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন। তার সামনে কেবল পোরো ও গোলকিপার ছিলেন। কুবারসি ও লাপোর্তে তাদের পজিশনে থেকে এমবাপেকে রুখে দেন।

হাইড্রেশন ব্রেকের আগে এগিয়ে যায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলেন দিনিয়ে। ডিবক্সের মধ্যে স্পেন তারকাকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি পায় লা রোজারা। তারপর মিকেল ওয়ারসাবালের কিকে এগিয়ে গেল তারা। ফ্রান্স ২৩তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে।

 

২০ মিনিটে স্পেন পেনাল্টি পায়। কুকুরেয়ার বক্সের মধ্যে বাড়ানো ক্রস দিনিয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই লেফটব্যাক ব্যর্থ হন। তার সামনে ছিল ইয়ামাল। তাকে ফাউল করে বসেন। রেফারি দ্রুত পেনাল্টির বাঁশি বাজান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে পেনাল্টি আদায় করলেন ১৯ বছর ও ১ দিনের ইয়ামাল।

ওয়ারসাবাল নেন পেনাল্টি কিক। রিয়াল সোসিয়েদাদ তারকার শট ডানকোণা দিয়ে নেন। ফরাসি কিপার মাগনিয়ঁ ঠিক দিকেই ডাইভ দিয়েছিলেন। কিন্তু বল তার নাগালে ছিল না। জালে জড়ায় বল। পিছিয়ে পড়ার পর দলের সেন্টার ব্যাক সালিবা ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লে তাদের বিপদ আরও বাড়ে।

৩৬ মিনিটে ফ্রান্সকে আরেকবার কাঁপিয়ে দেয় স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। মাইগনান তাকে রুখে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড শট নিতেই অফসাইডের বাঁশি বাজে। পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোলার ডানপায়ের বাঁকানো শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়।

তিন মিনিট পর স্পেন আরেকটি সুযোগ তৈরি করে। ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস করেন ইয়ামাল। তারপর ওলমোর ব্যাকহিল থেকে ইয়ামালের পাসে বল পান রুইজ। কিন্তু তার শট গোলবার ঘেঁষে যায়।

৪৩ মিনিটে ফ্রান্স চমৎকার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এমবাপেকে বল পায়েই নিতে দেননি সিমন। স্প্যানিশ কিপার দ্রুত বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করেন। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।

মূল একাদশ: দিনিয়ে, মাগনিয়ঁ, রাবিও, দেম্বেলে, এমবাপে, উপামেকানো, কুন্দে, চুয়ামেনি, সালিবা, অলিসে, বারকোলা।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: ব্রিস সাম্বা, কান্তে, লুকাস, তুরাম, থিও, জঁ-ফিলিপ মাতেতা, কোনাতে, মাক্সেন্স লাক্রোয়া, চেরকি, মানু কোনে, গুস্তো, জাইরে-এমেরি, মাগনেস আকলিউশ, দুয়ে, রবিন রিসার।

মূল একাদশ: লাপোর্তে, উনাই সিমন, কুকুরেয়া, ফ্যাবিয়ান রুইজ, ওয়ারজাবাল, অলমো, রদ্রি, অ্যালেক্স বায়েনা, পোরো, লামিনে ইয়ামাল, কুবারসি।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: গ্রিমালদো, ইগলেসিয়াস, লরেন্তে, ডেভিড রায়া, মেরিনো, ফেরান তোরেস, এরিক গার্সিয়া, মার্টিন জুবিমেন্দি, ইয়েরেমি, পেদ্রি, জোয়ান গার্সিয়া, নিকো উইলিয়ামস, মার্ক পুবিল, গাভি, ভিক্টর মুনিয়োজ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে স্পেন। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে মুখোমুখি ইউরোপিয়ান দুই পরাশক্তি। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট এই দুই দলের লড়াইয়ে শুরুতেই গোল পেয়ে লিড নেয় স্প্যানিশরা। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিপক্ষে পেনাল্টিতে এগিয়ে যান লামিন ইয়ামালরা। স্পটকিক থেকে করা সেই গোলেই ১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেছে লুই দে লা ফুয়েন্তের দল।

ইউরোপিয়ান দুই দলের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ শুরু থেকেই জমে ওঠেছে। দুই দলই চেষ্টা করছে একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সুযোগ তৈরির। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে দুই দল। তবে ফ্রান্সের আক্রমণের বিপরীতে পেনাল্টি থেকে গোল করে লিড নিয়েছে স্প্যানিশরাই।

ম্যাচের ২১ মিনিটে স্প্যানিশ আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বক্সের ভেতরে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। আর স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

দারুণ এক পেনাল্টি নেন ওইয়ারসাবাল। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইক মাইনিয়ঁ ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, নিজের বাঁ দিকে। কিন্তু ওইয়ারসাবালের জোরালো শট গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

এদিকে পিছিয়ে পড়ার পর দুঃসংবাদ পায় ফরাসিরা। ৩০ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন উইলিয়াম সালিবা। তাঁর জায়গায় আসলেন ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া। গোল হজম করে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়েই লড়েন এমবাপেরা। বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও সেসব ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দিদিয়ের দেশমের দল।

কালের আলো/এসআর/এএএন