খুঁজুন
                               
, ,
           

১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন

Oplus_131072

রক্তাক্ত জুলাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ১৮ জুলাই। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও, সেদিন রাজপথে নেমে আসেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের অংশগ্রহণে নতুন গতি পায় আন্দোলন এবং সফল হয় শিক্ষার্থীদের ঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি।

সেদিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ ২৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত তিন হাজার মানুষ। আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ নিহতদের হত্যার বিচার এবং বৈষম্যের অবসানের দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেন।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলন অনেকটাই থমকে গেলেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন শক্তি হিসেবে রাজপথে নামেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, রংপুরে আবু সাঈদকে হত্যার পর রাজপথে নামা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, পুলিশের গুলির মুখেও তারা আন্দোলন থেকে সরে যাননি।

১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনে আশ্রয় নেন। ভবনের ভেতর থেকে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে শব্দবোমা ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ভবনটি ঘিরে ফেললে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৬০ জন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়।

একই সময়ে রামপুরা, নতুনবাজার ও প্রগতি সরণিসহ বিভিন্ন এলাকায়ও শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছিলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরাইয়া বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে এদিন বড় প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে দেশের ৪৭ জেলার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। স্কুল-কলেজের অনেক শিক্ষার্থীও রাজপথে নামেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করে।

সংঘর্ষে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, আজিমপুর, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, সাভার, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, মাদারীপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত তিন হাজার মানুষ।

দুপুরে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো সংলাপ নয়।

রাতে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুজব ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দিনভর সংঘর্ষের পরও রাতে শনির আখড়া, কাজলা, সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের আন্দোলনের পাশে থাকার আহ্বান জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচির প্রস্তুতি নেন।

জুলাইয়ের শুরু থেকেই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী সক্রিয় থাকলেও, ১৮ জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমদের মৃত্যুর প্রতিবাদে সেদিন রামপুরা, নতুনবাজার, প্রগতি সরণি, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। সেই প্রতিরোধই পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের গতি আরও ত্বরান্বিত করে।

কালের আলো/এসএকে

চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায়

Oplus_131072

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ পরিস্থিতিতে ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখতে বলা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এর আগে, পৃথক এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

একই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়।

কালের আলো/এসএকে

চার বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
চার বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। – প্রতীকী ছবি

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চার বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ ভারী বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের অন্য বিভাগের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন ঝাড়খন্ড এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপ আকারে বর্তমানে বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ওপর সক্রিয় এবং দেশের অন্যত্র এটি মোটামুটিভাবে সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।আগামী মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় বরখাস্ত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় বরখাস্ত ৭

Oplus_131072

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে রিম্পা (২১) নামে এক বন্দি নারী দেওয়াল টপকে পালানোর ঘটনায় দুইজন মেট্রন ও পাঁচ মহিলা কারারক্ষীসহ মোট সাতজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ।

তিনি বলেন, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় রিপোর্টের ভিত্তিতে গতকাল তাদের ৭ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলেন— মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেট্রন মেরিনা, মেট্রন রেহেনা এবং মহিলা কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। ওই সময় দায়িত্বে থাকা মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে বন্দি রিম্পা (২১) কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।

পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালালেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন। পরে গতকাল (শুক্রবার) রাতে কোনাবাড়ী মডেল থানায় কারা কর্তৃপক্ষ একটি মামলা করে।

কালের আলো/এসএকে