খুঁজুন
                               
, ,
           

চীনে বড় ভূমিধস : ৮ জন নিহত, ৩৪ জন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
চীনে বড় ভূমিধস : ৮ জন নিহত, ৩৪ জন নিখোঁজ

চীনের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ চংকিংয়ের পেংশুই জেলায় বড় ভূমিধস হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন ৮ জন এবং এখন পর্যন্ত নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৩৪ জন।

এছাড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ জনকে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১০ (বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা দশ) মিনেটে এই ভূমিধস ঘটে বলে জানিয়েছেন পেংশুই জেলা প্রশাসনের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা রেন জুজিয়াং।

আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ভূমিধসের অল্প সময়ের মধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের উদ্ধারকর্মীরা তৎপরতা শুরু করেন। বর্তমানে ৮০০ কর্মী ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং নিখোঁজদের সন্ধান পেতে এখনও তৎপরতা জারি আছে।

পেংশুইয়ের যে এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেটি একটি পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার সড়ক। ভূমিধসের পর ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে চীনা সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি। সেই ছবিতে দেখা গেছে, ওই এলাকার সড়কের একাংশ মাটি-পাথরের স্তূপে ঢেকে গেছে।

ভূমিধসের পর পর ধূলোবালির মেঘে ঢেকে গিয়েছিল ওই এলাকা। সেই মেঘের ভেতর আতঙ্কিত অবস্থায় চিৎকার-ছোটাছুটি করছিলেন লোকজন। সেই ফুটেজও প্রকাশ করেছে সিসিটিভি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে একজন স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, যে এলাকায় ভূমিধসটি ঘটেছে সেটি ‘বিপজ্জনক’ খাড়া ভূখণ্ডের জন্য পরিচিত। তিনি আরও বলেন যে, খাড়া পাহাড়ের পাশ বরাবর এখনও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা এবং উপদ্রুত লোকজনকে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের জন্য চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ৫ কোটি ইউয়ান (৭৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার) বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিসিটিভি।

চংকিংয়ে ভূমিধসের মাত্র দু’সপ্তাহেরও কম সময়ের আগে চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে ভূমিধস ঘটেছি। সেই ভূমিধসের পর ১২ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল, নিহত হয়েছিলেন ২১ জন।

সূত্র : এএফপি, গালফ নিউজ

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে তিনি এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি পর্ব তিন বছর বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

(শনিবার)১৮জুলাই মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে ইকোসকের সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার কাছে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব এবং অন্যান্য বাহ্যিক প্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ নির্ধারিত প্রস্তুতি পর্বের পুরো সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ উত্তরণ বিলম্বিত করার জন্য নয়। বরং উত্তরণকে আরও মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করাই এর উদ্দেশ্য।

মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত এই সময় কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সুশাসন জোরদার করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী,

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -এর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।

ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোকপাত করে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ
চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কায়

Oplus_131072

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ পরিস্থিতিতে ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখতে বলা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এর আগে, পৃথক এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

একই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়।

কালের আলো/এসএকে

চার বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
চার বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। – প্রতীকী ছবি

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চার বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ ভারী বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের অন্য বিভাগের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন ঝাড়খন্ড এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপ আকারে বর্তমানে বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ওপর সক্রিয় এবং দেশের অন্যত্র এটি মোটামুটিভাবে সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।আগামী মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।আগামী বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি