খুঁজুন
                               
, ,
           

জনগণের বিপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
জনগণের বিপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে তাদের যেকোনো বিপদ-আপদে পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রধান লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।’

শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শুধু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নয়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও গবাদিপশুপালকদের জন্যও সরকার সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যাদের বীজতলা, চারা বা কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের সার, বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতির জরিপ করে সহায়তা দেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, সড়কসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার সবসময় দেশের মানুষের পাশে থাকবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করবে।’

সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজারে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কর্সসূচি অনুযায়ী, দুপুরে কক্সবাজার সার্কিট হাউসে ফিরে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম নেওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন সালাহউদ্দিন আহমদ এবং রাত ৮টা ৫ মিনিটে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৬৯৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক লক্ষ ১৬ হাজার ৭১০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৩১৮ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ২৪৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৫২৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৮৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লেগুনা চালকদের সংঘর্ষ, যান চলাচলে বিঘ্ন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনা চালকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন চালক আহত হন এবং কিছু সময়ের জন্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক পক্ষ অপর পক্ষের কয়েকজন চালককে আটকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

যাত্রাবাড়ী-গাউছিয়া রুটে চলাচলকারী লেগুনাগুলোকে বিভিন্ন স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা করতে হয়। সম্প্রতি একদল চালক ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় যাত্রী ওঠানো-নামানো বন্ধ করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরই জেরে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী চালক সালাউদ্দিন বলেন, সকালে যাত্রাবাড়ী থেকে গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিই।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন চালক আমাকে মারধর করে এবং আমার গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেয়। শুধু আমার নয়, আরও কয়েকটি লেগুনার যাত্রীদেরও জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতেই আমরা তাদের আটকাই।

লেগুনাচালক সালাউদ্দিন আরও জানায়, যদি ভবিষ্যতে আমাদের সাথে এ ধরনের আচরণ করে তাহলে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতেও পারে আমরা কাউকে ছেড়ে দেবো না। সংঘর্ষের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

দেশের পুঁজিবাজারে টানা ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে প্রধান মূল্যসূচক এবং দৈনিক গড় লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন মোট ১৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সপ্তাহজুড়ে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৫৫টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে বাজার মূলধন বেড়েছে ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা।

সূচকের দিক থেকেও ছিল ইতিবাচক চিত্র। গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৯৬ দশমিক ৩০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে যায়। এর ফলে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইএক্স সূচকের মোট উত্থান হয়েছে ২৪৭ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট।

এ ছাড়া শরিয়াহভিত্তিক ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৪৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

লেনদেনের পরিমাণও আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।

সপ্তাহজুড়ে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাভেলো আইসক্রিমের শেয়ারে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এছাড়া শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, লাফার্জহোলসিম, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, ইস্টার্ন হাউজিং এবং মেঘনা ইন্স্যুরেন্স।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ধারাবাহিকভাবে সূচক, বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এই ইতিবাচক ধারা ধরে রাখতে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগের প্রবণতা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা মনে করছেন।

প্রয়োজনে এটি আরও সংবাদপত্রের রিপোর্টিং স্টাইলে বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্টের ভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।

কালের আলো/এসএ