খুঁজুন
                               
, ,
           

উত্তাল ভারত, এবার রাস্তায় নেমেছে কৃষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৮ অপরাহ্ণ
উত্তাল ভারত, এবার রাস্তায় নেমেছে কৃষকরা

প্রস্তাবিত ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে মহাসমাবেশে অংশ নিতে দিল্লি অভিমুখে যাত্রা করেছেন ভারতের শত শত কৃষক। তারা পাঞ্জাব থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে তাদের হরিয়ানায় প্রবেশের পথে শম্ভু সীমান্তে আটকে দিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্তে ব্যারিকেড স্থাপনের ঘটনা ২০২৪ সালের ‘দিল্লি চলো-২’ আন্দোলনের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। সে সময়ও রাজধানীতে কৃষকদের প্রবেশ ঠেকাতে কংক্রিটের ব্লক, লোহার পেরেক ও একাধিক স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে সীমান্ত এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছিল।

এনডিটিভি জানিয়েছে, যাতায়াতের সুযোগ না পেয়ে কৃষকেরা শম্ভু সীমান্তে সমাবেশ করেন। এ সময় তারা দিল্লিতে সমাবেশ করার গণতান্ত্রিক অধিকার দমনের জন্য হরিয়ানা ও পাঞ্জাব উভয় সরকারকেই অভিযুক্ত করেন।

বিকেইউ (শহীদ ভগৎ সিং)-এর নেতা তেজবীর সিং অভিযোগ করেন, হরিয়ানা পুলিশ পাঞ্জাবের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে ঢুকে ব্যারিকেড তৈরি করেছে। তিনি বলেন, পাঞ্জাব সরকার এই পদক্ষেপ ঠেকানোর বদলে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

পাঞ্জাবের কৃষকদের আটকে দেওয়া হলেও হরিয়ানার আম্বালা, কুরুক্ষেত্রসহ বিভিন্ন জেলার স্থানীয় কৃষকেরা দিল্লির উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন।

‘দেশ বাঁচাও মোর্চা’র ব্যানারে আয়োজিত এই কিসান মহাপঞ্চায়েতে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশের বিভিন্ন কৃষক সংগঠন অংশ নেয়। তাদের মূল দাবি, প্রস্তাবিত ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে।

কিসান মজদুর সংঘর্ষ কমিটির (কেএমএসসি) নেতা সারওয়ান সিং পান্ধের জানান, কেএমএসসি, কিসান মজদুর মোর্চা (পাঞ্জাব), আজাদ কিসান মোর্চা এবং বিকেইউ একতা সংঘর্ষের সদস্যরা পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকা থেকে রওনা হলেও শেষ পর্যন্ত শম্ভু সীমান্তেই তাদের আটকে দেওয়া হয়।

পান্ধের বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ভারত-মার্কিন যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশই ওই বছরের শরতের মধ্যে বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপ চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

তার দাবি, এই চুক্তি শুধু বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর আওতায় কৃষি, দুগ্ধজাত পণ্য, শিল্প, ডিজিটাল বাণিজ্য, ই-কমার্স, বিনিয়োগ, সরকারি ক্রয়, মেধাস্বত্ব এবং সেবা খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রও যুক্ত হতে পারে।

কৃষক নেতাদের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের কৃষি ও দুগ্ধ খাতে আরও বেশি প্রবেশাধিকার চেয়ে আসছে। বিশেষ করে সয়াবিন, ভুট্টা, তুলা, ইথানল, আপেল, বাদাম, দুগ্ধজাত পণ্য, পোলট্রি ও মৎস্যপণ্যের ওপর শুল্ক কমানো এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধ শিথিল করার দাবি তারা বারবার তুলেছে।

কৃষক সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ভর্তুকিপ্রাপ্ত মার্কিন কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য ভারতের বাজার উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে কোটি কোটি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবেন না। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, চুক্তির খসড়া ও শর্তাবলি এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি, ফলে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।

সংগঠনগুলোর দাবি, ভারতের শুধু দুগ্ধ খাতেই প্রায় ৮ কোটি গ্রামীণ পরিবারের জীবিকা নির্ভরশীল। এই খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে কৃষক, দুগ্ধ উৎপাদক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষিভিত্তিক শিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এবং গ্রামীণ অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খাবে।

এ কারণে ‘দেশ বাঁচাও মোর্চা’ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাবিত ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির সব নথি জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি কৃষক, শ্রমিক, দুগ্ধ উৎপাদক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ছাড়া কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর না করার আহ্বান জানিয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি।

কালের আলো/এসএকে

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন কর্মব্যস্ততায় কাটল আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন কর্মব্যস্ততায় কাটল আইজিপির
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে স্ক্যাম সেন্টার কম্পাউন্ড এবং আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধবিষয়ক আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পর থেকে কর্মব্যস্ত কাটিয়েছন বাংলাদেশ পুলিশের আইজি মো. আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ছিল এই সম্মেলনের শেষ দিন। এদিনটিও তার কর্মব্যস্ততায় অতিবাহিত হয়েছে।

pic-পুলিশ সদর দফতর জানিয়েছে, তিনি সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেছেন। রয়্যাল থাই পুলিশের সহায়তায় ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর আয়োজনে দুই (২০-২১ জুলাই) দিনব্যাপী এ সম্মেলন আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

সম্মেলনে এফবিআইয়ের ডিরেক্টর ক্যাশ প্যাটেল, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২০ দেশের পুলিশ প্রধানসহ ১০৯ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

মাহদী আমিনের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
মাহদী আমিনের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার ( ২১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে বিএনপির সরকারের উদ্যোগ-ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারা দেশে কার্যকরভাবে সম্প্রসারণ এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের আরও বেশি অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে তৃণমূল পর্যায়ের সকল মানুষের ক্ষমতায়ন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন অগ্রাধিকার, সরকারের পলিসি এবং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, জনকল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সকল পর্যায়ের জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও মতবিনিময় হয়।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট খাতে সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান।

এসময় বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলে ছিলেন গেইল এইচ. মার্টিন, ধ্রুব শর্মা, আনিকা রহমান, সৈয়দ রাশেদ, আল-জায়েদ জশ এবং শ্রায়না ভট্টাচার্য।

কালের আলো/এসএকে

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ অন্যান্য নেতাদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সঙ্গে রাহুলসহ কংগ্রেস নেতাদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের আটক করে এবং একটি বাসে করে তুলে নিয়ে যায়।

রাহুল গান্ধীকে যখন পুলিশ সদস্যরা ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তার নাক থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে।

এরআগে মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গতকাল সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের দমনপীড়নের প্রতিবাদে দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

এসময় তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করেন।

কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার সংসদে বা রাজপথে কোথাও শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিষয়ে আলোচনা করতে দিচ্ছে না, যার কারণে তারা এই নজিরবিহীন আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন।

এদিকে বিকালে বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিক্ষোভস্থলে এসে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলে আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন রাহুল গান্ধী। এরপরেই পুলিশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করে।

ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার দাবি করেছে, এই ধরনের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী মোদির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট (এনইইটি)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করে তরুণদের প্লাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীদের কাছে প্রশ্ন বিক্রি হওয়ায় লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

তাদের ভারতে প্রায় ২০ লাখ পরীক্ষার্থী মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার মেডিকেল আসনের জন্য প্রতিযোগিতা করেন। অনেক পরিবার সন্তানদের কোচিং করাতে সঞ্চয় ব্যয় করে বা ঋণ নেয়। প্রশ্নফাঁসের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এ ঘটনায় হতাশ হয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েক ডজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে দেশজুড়ে জনসমর্থন গড়ে তোলে সিজেপি।

জুনের শুরুতে দিল্লিতে প্রথম বড় কর্মসূচি পালন করে সিজেপি। মাসের শেষ দিকে দ্বিতীয় দফায় বিক্ষোভ শুরু করে তারা। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে যোগ দেন লাদাখের প্রকৌশলী ও শিক্ষা অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে অনশন শুরু করেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় অনশন চলার পর ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আদালত তার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেন। পরে অনশনের ২০তম দিনে দিল্লি পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ এটিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পদক্ষেপ বললেও একে বেআইনি আটক বলে দাবি করে ‘চলো সংসদ’ নামে লংমার্চ কর্মসূচির ডাক দেয় সিজেপি।

সোমবার (২০ জুলাই) সিজেপির ডাকে হাজারো মানুষ মধ্য দিল্লিতে জড়ো হন। আগের রাত থেকেই অনেক আন্দোলনকারী অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁসে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিভাবকেরাও বিক্ষোভে অংশ নেন।

তবে দিল্লি পুলিশ সংসদমুখী পদযাত্রার অনুমতি না দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসায় এবং কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সীমিত করে।

এরপরও দুপুরের আগেই ২০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভস্থলে জড়ো হন। দুপুরে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সংঘর্ষ বাধলে শতাধিক বিক্ষোভকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি