খুঁজুন
                               
, ,
           

বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রতিটি নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে, কেউ অবহেলিত থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যসেবাকে প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় সহজলভ্য করা এবং বিনা চিকিৎসায় যেন কেউ মারা না যায় তা নিশ্চিত করা। সবাইকে সততা ও সরলতার সাথে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, অনেকে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে অন্যান্য অনেক কিছুর তুলনা করতে চান। কিন্তু একটাবার ভেবে দেখুন— একাত্তর আমাদের কী দিয়েছে? আমাদের কুদ্দুস ভাইদের মতো বীর মানুষেরা কী দিয়েছেন? উনারা আমাদের একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ও সীমারেখা দিয়েছেন, একটি স্বাধীন সরকার দিয়েছেন এবং সর্বোপরি দিয়েছেন আমাদের অমূল্য সার্বভৌমত্ব।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেদিন যদি বীর মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে তুলে না নিতেন এবং একদিকে ভয়ঙ্কর পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ, আর অন্যদিকে রাজাকারদের খুঁজে খুঁজে ধরে নিয়ে তুলে দেওয়ার মতো এই দ্বিমুখী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের মতো যুবকেরা না দাঁড়াত। তবে আজকে জাহিদ হোসেন সাহেব (বর্তমান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী) মন্ত্রী হতে পারতেন না, সাখাওয়াত হোসেন বকুল মন্ত্রী হতে পারতেন না, এফ এম সিদ্দিকী সাহেব বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হতে পারতেন না। এমনকি আজকের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান কোনো বাঙালি মায়ের সন্তান হতেন না; এতগুলো সচিব, রাষ্ট্রদূত কিংবা এত হাজারো ডাক্তারের জন্মও এই স্বাধীন বাংলাদেশে হতো না।

তিনি বলেন, এই সমস্ত অর্জনের মূল ভিত্তি স্বাধীনতার সেই ঐতিহাসিক ঘোষণা, যা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। পাশাপাশি আজকের এই দিনে গভীর শ্রদ্ধায় মাগফিরাত কামনা করি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল কুদ্দুস সাহেবের।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এখানে কোনো ডাক্তারের পরিচয়ে আসিনি; একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং যুদ্ধকালীন ৯০ সদস্যের একটি গ্রুপের কমান্ডার হিসেবে উপস্থিত হয়েছি। একাত্তরের সেই যুদ্ধদিনের চিত্র কী যে বীভৎস ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না! আমাদের যখন ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর মুখোমুখি লড়াইয়ে পাঠানো হতো, তখন রাজাকাররা ছিল এক বড় বাধা। গ্রামের সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে ও সংকেত দিতে রাজাকাররা টিন ও বাসনে লাঠি পিটিয়ে আওয়াজ তুলত। পরে স্থানীয় একজন আমাদের সচেতন করে জানান যে, এই সংকেত শুনলেই পাকিস্তানি বাহিনী সতর্ক হয়ে যাবে এবং এই রাজাকারদের তৈরিই করা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য দিতে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা নিজ চোখে দেখেছি, কীভাবে হিন্দু পাড়াগুলোর পর পাড়া জ্বালিয়ে ছারখার করে দেওয়া হয়েছিল। নারীদের গুলি ও বেয়নটের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করে রেললাইনের পাশে ফেলে রাখা হতো, আর কুকুরে সেই লাশগুলোকে ছিঁড়ে খাচ্ছিল। সেপ্টেম্বরের দিকে আমাকে যখন সাই মিলোনিয়া সীমান্তে বদলি করা হয়, সেখানে এক প্রাপ্তবয়স্ক তরুণীকে দুই দিন ধরে পাকিস্তানি বাহিনীর বাঙ্কারে আটকে রেখে যে অমানবিক নির্যাতন ও ধর্ষণ চালানো হয়েছিল, তা স্মরণ করলেও শিউরে উঠতে হয়।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, বিএমএ ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হক, ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ
ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘বিদেশে কিছু পেলে শুধু ১০% দিয়েন’—দুদকের অভিযোগে আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
‘বিদেশে কিছু পেলে শুধু ১০% দিয়েন’—দুদকের অভিযোগে আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসা, এলজিইডি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে কর্মকর্তা নিয়োগে মোট ১৮৭ কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়া এবং নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এসব অভিযোগের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।

এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে শুধু ১০% দিয়েন, চলতে কষ্ট হচ্ছে।’

তার এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে দুদকের অভিযোগকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বন্ধ ইউনিট চালু, জাতীয় গ্রিডে ফিরছে আদানির বিদ্যুৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বন্ধ ইউনিট চালু, জাতীয় গ্রিডে ফিরছে আদানির বিদ্যুৎ

কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ফের সচল হয়েছে। ফলে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ২৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বাড়িয়ে প্রায় ৭৫০ মেগাওয়াটে নেওয়া হবে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে কেন্দ্রটির একটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে দুটি ইউনিট থেকে বাংলাদেশে ঘণ্টায় এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর সরবরাহ কমে প্রায় ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এর আগে কয়লা সরবরাহ সংকটের কারণেও গোড্ডা কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। গত ৭ আগস্ট ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। পরে আগস্টের শেষ দিকে কয়লা সরবরাহ বাড়লে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়তে শুরু করে।

দিনের বেলায় কেন্দ্রটি প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় ওই সময় দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছিল।

১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৮০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। ২০১৭ সালে কেন্দ্রটির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রটি থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ড রয়েছে।

বর্তমানে দেশে ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে পিডিবি প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে। গোড্ডা কেন্দ্রের বন্ধ ইউনিট ফের চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যোগ্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
যোগ্যতা ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই: রাষ্ট্রপতি

দেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে গণতন্ত্রের নিয়মিত চর্চা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি। দেশের মানুষ একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চায়।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ দুর্বল হলে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার সুরক্ষিত রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

সাক্ষাৎকালে পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সরকারের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা, পুরোহিত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন সন্তোষ শর্মা। এসব পদক্ষেপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সন্তুষ্টির বিষয়টি তিনি রাষ্ট্রপতিকে জানান।

এ সময় পরিষদের নেতারা হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নাগরিকদের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিনিধিদল আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে ভক্ত ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানায়। রাষ্ট্রপতি সাদরে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং যোগ্যতা, ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও সমতার ভিত্তিতে সব নাগরিকের জন্য ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়সহ দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি