খুঁজুন
                               
, ,
           

ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইল কাতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইল কাতার

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এবং মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়ে নিজেদের ভূখণ্ডে ও জলসীমায় সাম্প্রতিক হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানের কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে কাতার সরকার।

কাতারি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, চিঠিতে গত ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে হরমুজ প্রণালির কাছে কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাঙ্কার ‘আল রেকেয়াত’-এর ওপর ইরানের চালানো হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও গত ১২ জুলাই এবং ১৭ জুলাই কাতারের মূল ভূখণ্ড লক্ষ্য করে চালানো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিবরণ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে কাতার কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সফলভাবে প্রতিহত করলেও ১২ জুলাইয়ের ঘটনার সময় ওপর থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে এক শিশুসহ তিনজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন।

ইরানের এই হামলাগুলো জাতীয় সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন, ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবগুলোর চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে কাতার সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের জন্য সম্পূর্ণ আইনি দায় তেহরানের এবং তারা সমস্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।

তবে সাম্প্রতিক হামলায় ঠিক কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা উল্লেখ করেনি কাতার কর্তৃপক্ষ।

ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ চাওয়ার পাশাপাশি, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কাতার যেকোনো উপযুক্ত জবাব দেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে বলে চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে।

চিঠিতে কাতার বলেছে, ‘নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে তারা দ্বিধা করবে না।’

অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তাদের এই আক্রমণগুলো কাতারকে লক্ষ্য করে নয়, বরং সেখানে থাকা ‘মার্কিন সামরিক স্বার্থ ও ঘাঁটি’ ধ্বংস করার জন্য চালানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, যেসব দেশ নিজেদের ভূখণ্ডে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করতে দিচ্ছে, তাদের মার্কিন আগ্রাসনের সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এর জন্য তাদেরকে ‘ভারী মূল্য দিতে হবে’।

তবে ইরানের এই যুক্তি কাতার সরকার সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে সাম্প্রতিক ফোনালাপে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি বলেছেন, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তাদের বিমানবন্দর, বেসামরিক আবাসিক এলাকা এবং কাতারের মূল অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি এলএনজি (এলএনজি) উৎপাদন কেন্দ্রের অত্যন্ত কাছাকাছি আঘাত হেনেছে। ফলে এটিকে কাতারের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবেই বিবেচনা করছে দেশটি।

সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন কর্মব্যস্ততায় কাটল আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন কর্মব্যস্ততায় কাটল আইজিপির
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে স্ক্যাম সেন্টার কম্পাউন্ড এবং আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধবিষয়ক আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পর থেকে কর্মব্যস্ত কাটিয়েছন বাংলাদেশ পুলিশের আইজি মো. আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ছিল এই সম্মেলনের শেষ দিন। এদিনটিও তার কর্মব্যস্ততায় অতিবাহিত হয়েছে।

pic-পুলিশ সদর দফতর জানিয়েছে, তিনি সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেছেন। রয়্যাল থাই পুলিশের সহায়তায় ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর আয়োজনে দুই (২০-২১ জুলাই) দিনব্যাপী এ সম্মেলন আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

সম্মেলনে এফবিআইয়ের ডিরেক্টর ক্যাশ প্যাটেল, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২০ দেশের পুলিশ প্রধানসহ ১০৯ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

মাহদী আমিনের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
মাহদী আমিনের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার ( ২১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক ও তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে বিএনপির সরকারের উদ্যোগ-ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারা দেশে কার্যকরভাবে সম্প্রসারণ এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের আরও বেশি অন্তর্ভুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাক্ষাৎকালে তৃণমূল পর্যায়ের সকল মানুষের ক্ষমতায়ন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন অগ্রাধিকার, সরকারের পলিসি এবং সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, জনকল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সকল পর্যায়ের জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও মতবিনিময় হয়।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে, সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট খাতে সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান।

এসময় বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলে ছিলেন গেইল এইচ. মার্টিন, ধ্রুব শর্মা, আনিকা রহমান, সৈয়দ রাশেদ, আল-জায়েদ জশ এবং শ্রায়না ভট্টাচার্য।

কালের আলো/এসএকে

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ অন্যান্য নেতাদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সঙ্গে রাহুলসহ কংগ্রেস নেতাদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের আটক করে এবং একটি বাসে করে তুলে নিয়ে যায়।

রাহুল গান্ধীকে যখন পুলিশ সদস্যরা ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তার নাক থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে।

এরআগে মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গতকাল সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের দমনপীড়নের প্রতিবাদে দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

এসময় তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করেন।

কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার সংসদে বা রাজপথে কোথাও শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিষয়ে আলোচনা করতে দিচ্ছে না, যার কারণে তারা এই নজিরবিহীন আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন।

এদিকে বিকালে বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিক্ষোভস্থলে এসে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলে আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন রাহুল গান্ধী। এরপরেই পুলিশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করে।

ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার দাবি করেছে, এই ধরনের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী মোদির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট (এনইইটি)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করে তরুণদের প্লাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীদের কাছে প্রশ্ন বিক্রি হওয়ায় লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

তাদের ভারতে প্রায় ২০ লাখ পরীক্ষার্থী মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার মেডিকেল আসনের জন্য প্রতিযোগিতা করেন। অনেক পরিবার সন্তানদের কোচিং করাতে সঞ্চয় ব্যয় করে বা ঋণ নেয়। প্রশ্নফাঁসের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এ ঘটনায় হতাশ হয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েক ডজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে দেশজুড়ে জনসমর্থন গড়ে তোলে সিজেপি।

জুনের শুরুতে দিল্লিতে প্রথম বড় কর্মসূচি পালন করে সিজেপি। মাসের শেষ দিকে দ্বিতীয় দফায় বিক্ষোভ শুরু করে তারা। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে যোগ দেন লাদাখের প্রকৌশলী ও শিক্ষা অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে অনশন শুরু করেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় অনশন চলার পর ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আদালত তার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেন। পরে অনশনের ২০তম দিনে দিল্লি পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ এটিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পদক্ষেপ বললেও একে বেআইনি আটক বলে দাবি করে ‘চলো সংসদ’ নামে লংমার্চ কর্মসূচির ডাক দেয় সিজেপি।

সোমবার (২০ জুলাই) সিজেপির ডাকে হাজারো মানুষ মধ্য দিল্লিতে জড়ো হন। আগের রাত থেকেই অনেক আন্দোলনকারী অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁসে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিভাবকেরাও বিক্ষোভে অংশ নেন।

তবে দিল্লি পুলিশ সংসদমুখী পদযাত্রার অনুমতি না দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসায় এবং কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সীমিত করে।

এরপরও দুপুরের আগেই ২০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভস্থলে জড়ো হন। দুপুরে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সংঘর্ষ বাধলে শতাধিক বিক্ষোভকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি