খুঁজুন
                               
, ,
           

পোশাকশিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
পোশাকশিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

দেশের পোশাকশিল্পের বিকাশ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই খাতের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই আশ্বাস দেন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

বৈঠকে বিজিএমইএ নেতারা পোশাক খাতের চলমান বিভিন্ন সংকট ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং শিল্পের বিকাশে কিছু স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং যেসব সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব, সেগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো নিরসনে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এসবের অনেকগুলোই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা হলেও যেসব বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব, সরকার তা করছে। তৈরি পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বাজেট প্রস্তুত থেকে শুরু করে অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। এই উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হলে জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গতি সঞ্চারিত হবে।

পোশাক খাতের অগ্রযাত্রায় সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বিজিএমইএ নেতাদের জানান, ব্যবসায়ের সুপরিবেশ নিশ্চিতে যা করা প্রয়োজন, সরকার তার সবই করবে। বৈঠক শেষে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

বৈঠকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেনসহ বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ
দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের নয়টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এদিকে সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়।

দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এআই বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে: ইসমাইল জবিউল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
এআই বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে: ইসমাইল জবিউল্লাহ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও দ্রুত হবে এবং নাগরিক সেবা সহজ ও উন্নত করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ডিজিটাল সরকার ও অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ (ইডিজিই) প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রযুক্তি। এর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং নাগরিক সেবার মান আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার দেখানো নয়, প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সহজ করাই সরকারের লক্ষ্য। এমন একটি স্মার্ট সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে নাগরিকরা দ্রুত ও সহজে সেবা পাবেন, সিদ্ধান্ত হবে তথ্যভিত্তিক এবং প্রশাসন হবে আরও কার্যকর, দক্ষ ও জনবান্ধব।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও বলেন, কৃষি, শিল্প ও ডিজিটাল বিপ্লবের পর বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন প্রযুক্তিকে গ্রহণ করতে হবে। এআই মানুষের বিকল্প নয়; বরং মানুষের সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়ানোর একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

তিনি জানান, এআইয়ের ব্যবহারে নিয়মিত ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের চাপ কমবে। ফলে কর্মকর্তারা আরও গুরুত্বপূর্ণ ও সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি নাগরিকরা দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পাবেন।

তবে প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ কারণে কর্মকর্তাদের এআই, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও তথ্য বিশ্লেষণে দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মানুষের দক্ষতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে সমন্বয় করে ‘হিউম্যান-এআই’ সহযোগিতা বাড়ানো ভবিষ্যতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও কাজ করছে। খুব শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ

ইরানকে একঘরে করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ইরানকে একঘরে করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক অভিযান

ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তেহরানের বৈশ্বিক আর্থিক স্বার্থ ও আয়ের প্রধান উৎসগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসেন্ট বলেন, ইরানের তেল খাতসহ বিভিন্ন আয়ের উৎস বন্ধ করে দেওয়া এবং দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা থেকে অন্যান্য দেশ ও কোম্পানিগুলোকে বিরত রাখাই নতুন অভিযানের মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে তেল বাণিজ্য ও অন্যান্য ব্যবসা অব্যাহত রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়বে। তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ব্যবসায়িক অংশীদারদের বিরুদ্ধেও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।

মার্কিন প্রশাসন নতুন এই অর্থনৈতিক চাপের অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’। বেসেন্ট এটিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর ফ্রান্সে অবতরণের সঙ্গে তুলনা করে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি খাতকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এগুলো হলো—ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, সোনা, বিমান চলাচল ও শিপিং।

বেসেন্ট আরও বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে থাকবে তারা অংশীদারিত্বের সুফল পাবে। অন্যদিকে ইরানি প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হতে হবে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত এবং পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালীতে জলযানে হামলা বন্ধ করার জন্য তেহরানের ওপর চাপ বাড়ানো হবে।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/এমএসআইপি