খুঁজুন
                               
, ,
           

আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক শিশু : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক শিশু : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আধুনিক জীবনযাত্রার প্রভাবে অনেক নবজাতক প্রয়োজনীয় মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক মানসিক বিকাশের জন্য উদ্বেগজনক।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, ‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান : টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে পরিবারে শিশুর লালন-পালন এবং মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিত করার বিষয়ে যে সচেতনতা ও গুরুত্ব ছিল, আধুনিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই চর্চা অনেক ক্ষেত্রে কমে এসেছে। জন্মের পরপরই নবজাতককে মায়ের কাছ থেকে আলাদা করে রাখা, কর্মব্যস্ততা এবং পরিবর্তিত জীবনধারার কারণে অনেক মা শিশুকে প্রয়োজনীয় সময় মাতৃদুগ্ধ পান করাতে পারছেন না।

তিনি বলেন, আমরা আধুনিক হয়ে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নবজাতকের জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই শালদুধ পান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।

মন্ত্রী বলেন, মায়ের দুধ শিশুর সর্বোত্তম ও প্রাকৃতিক খাদ্য। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি, শারীরিক বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি মায়ের স্নেহ, স্পর্শ ও মাতৃদুগ্ধ শিশুর সুস্থ মানসিক বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। পরিবারে অশান্তি, অবহেলা কিংবা শিশুকে দীর্ঘসময় মায়ের কাছ থেকে দূরে রাখার নেতিবাচক প্রভাব শিশুর আচরণ ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ে।

সাম্প্রতিক হাম (মিজলস) পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অপুষ্টির কারণে অনেক শিশু সংক্রমণের ঝুঁকিতে বেশি রয়েছে। মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিত করা গেলে শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে এবং সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়বে। অতিরিক্ত ফাস্টফুড গ্রহণ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সুষম খাদ্যের অভাব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে শিশুর খাদ্য হিসেবে মায়ের দুধের পরিবর্তে বাজারজাত বিকল্প খাদ্যের ওপর অতিনির্ভরশীলতা কমানোর আহ্বান জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালনের মধ্যে সচেতনতা কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সারা বছর জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এ লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সুস্থ, সক্ষম ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে মাতৃদুগ্ধ পান নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের তুলনায় ইতিবাচক অবস্থানে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যগত সুফল নিশ্চিত করতে এখনও সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়মিত ও সঠিকভাবে মাতৃদুগ্ধ পান করালে মায়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে এবং ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। তাই মাতৃদুগ্ধ পানের গুরুত্ব সম্পর্কে পরিবার, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার, পরিবার পরিকল্পনার মহাপরিচালক ডা. জিন্নাত রেহানা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনূস আলী।

কালের আলো/এসএকে

১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রফতানি আয় জুলাইয়ে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রফতানি আয় জুলাইয়ে জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৪৭৩ কোটি মার্কিন ডলার। গত এক বছরের মধ্যে কোনো একক মাসে এটিই সর্বোচ্চ রফতানি আয়। তবে গত অর্থবছরের একই মাসের তুলনায় রফতানি আয় সামান্য কমেছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে মোট রফতানি হয়েছে ৪৭২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই মাসে রফতানি হয়েছিল প্রায় ৪৭৭ কোটি ডলার। সে হিসাবে এবার রফতানি আয় কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১২ মাসে জুলাইয়ের চেয়ে বেশি রফতানি আয় আর কোনো মাসে হয়নি। গত আগস্টে রফতানি ছিল ৩৯২ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় ৩৬৩ কোটি ডলারে। অক্টোবরে বেড়ে ৪১৩ কোটি ডলার হলেও নভেম্বরে আবার নেমে আসে ৩৮৯ কোটি ডলারে। ডিসেম্বরে রফতানি হয় ৩৯৭ কোটি ডলার।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে রফতানি বেড়ে ৪৪১ কোটি ডলারে পৌঁছালেও ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ৩৫০ কোটি এবং মার্চে ৩৪৮ কোটি ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে ৪০০ কোটি, মে মাসে ৪৪০ কোটি এবং জুনে ৪২০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়। ফলে জুলাইয়ের ৪৭২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের আয় গত এক বছরের সর্বোচ্চ মাসিক রফতানি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক থেকেই জুলাই মাসে এসেছে ৩৮৯ কোটি ডলার। জুন মাসে এ খাতের রফতানি ছিল ৩৩৯ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে পোশাক রফতানি বেড়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। তবে গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় এ খাতের রফতানি ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কমেছে। তখন পোশাক রফতানি হয়েছিল ৩৯৬ কোটি ডলার।

ইভিন্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রফতানিতে নেতিবাচক প্রবণতার মধ্যে জুলাই মাসে এত বড় রফতানি আয় ইতিবাচক খবর। তবে রফতানি আদেশ কম থাকায় এ পরিসংখ্যান নিয়ে কিছুটা প্রশ্নের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইপিবির তথ্য যদি একই চিত্র দেখায়, তাহলে এটি অবশ্যই স্বস্তিদায়ক।

তার মতে, মৌসুমি কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কিংবা পরিবহন-সংক্রান্ত জটিলতায় জুনের কিছু চালান জুলাইয়ে রফতানি হওয়ায় এ প্রবৃদ্ধি দেখা যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই মাসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রফতানি প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ওষুধ রফতানি বেড়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি বেড়েছে ৫৪ শতাংশ, যার পরিমাণ প্রায় ৯ কোটি ডলার।

এ ছাড়া হোম টেক্সটাইল খাতের রফতানি প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়ে ৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি দাঁড়িয়েছে। কৃষিপণ্য রফতানি হয়েছে ৮ কোটি ২৩ লাখ ডলার। যদিও এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম, তবে গত ১২ মাসের অধিকাংশ মাসের তুলনায় রফতানি বেশি হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে দেশজুড়ে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে দেশজুড়ে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) র‍্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব আয়োজনকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন কিংবা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‍্যাব।

র‍্যাব জানিয়েছে, অনুষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত জারি করা সব নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক সোর্স নিয়োগ এবং গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

এ ছাড়া ৪ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে অনুষ্ঠানস্থল, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এবং পদযাত্রা ও রোডমার্চের নির্ধারিত রুটে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের পথে সাদা পোশাকে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

র‍্যাব আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের নিরাপত্তায় অন্তত সাত দিন আগে থেকেই পোশাকধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার পেট্রোলিং কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাব জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বাহিনীটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৫৮, মামলা ৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৫৮, মামলা ৬৪

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে ৬৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৪ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৭ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৯ জন, মতিঝিল বিভাগে ৩৬ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৫৭ জন, মিরপুর বিভাগে ১৩৫ জন, গুলশান বিভাগে ৩১ জন, উত্তরা বিভাগে ৭১ জন, গোয়েন্দা বিভাগে ৬ জন এবং সিটিটিসি বিভাগে ২ জন রয়েছেন।

অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ১১ কেজি ৯৮০ গ্রাম গাঁজা, ৬ হাজার ৩৩৬ পিস ইয়াবা, ৯০ বোতল ফেনসিডিল, একটি ওয়ান শুটারগান, একটি সামুরাই, ১৭টি মোবাইল ফোন, ৩০টি খালি চেক বইয়ের পাতা, নগদ ১ হাজার ৮০ টাকা এবং ২৮ লাখ জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি