খুঁজুন
                               
, ,
           

ঝুঁকি নিয়েই লিটনকে দলে রাখল বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
ঝুঁকি নিয়েই লিটনকে দলে রাখল বিসিবি

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে লিটন দাসকে দলে রাখতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে পুরোপুরি চোটমুক্ত না হলেও তার পুনর্বাসনের অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়ে প্রথম টেস্টের দলে রাখা হয়েছে এই উইকেটকিপার-ব্যাটারকে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে লিটনকে পাওয়ার আশা করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু পায়ের পেশির (ক্যাফ) চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় সেসব সিরিজে খেলতে পারেননি তিনি। জুনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে চোট পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং জিম্বাবুয়ের পুরো সাদা বলের সিরিজও মিস করেন লিটন।

গত রোববার থেকে হালকা দৌড় শুরু করেছেন তিনি। এরপর দুটি ব্যাটিং সেশন সম্পন্ন করে গত রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন এই ব্যাটার।

আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হতে যাওয়া প্রথম টেস্টে লিটনের খেলা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বিসিবির বিশ্বাস, সফরের মধ্যেই পুনর্বাসনের শেষ ধাপ সম্পন্ন করে মাঠে ফেরার মতো প্রস্তুতি নিতে পারবেন তিনি।

বিসিবির একটি সূত্র জানায়, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়ের ইচ্ছা এবং দলের প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে। লিটনের উন্নতি ভালো হয়েছে এবং মেডিকেল পরীক্ষাতেও বড় কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তার বর্তমান অবস্থার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

এর আগে জিম্বাবুয়ে সফরের সময় চোটের কারণে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল লিটনের। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন বলে মনে করছে বিসিবি। অস্ট্রেলিয়ায় হাতে থাকা সময়ের মধ্যে তার শারীরিক উন্নতির ওপর নির্ভর করবে প্রথম টেস্টে তার অংশগ্রহণ।

প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার পরই লিটনকে দলে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “শারীরিক বিষয়গুলো যারা দেখেন, তারাই মূল সিদ্ধান্ত দেন। আমরা দক্ষতার দিকটি দেখি। অবশ্যই দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আমার মতামত থাকে, তবে তার আগে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়া হয়েছে বলেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

লিটনের চোট ব্যাটিংয়ে কোনো সমস্যা তৈরি করেনি বলেও জানান হাবিবুল বাশার। তার মূল সমস্যা ছিল ক্যাফ ইনজুরি, যার কারণে দ্রুত দৌড়ানো ও টার্ন নেওয়ার সময় অসুবিধা হচ্ছিল।

বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনও মনে করেন, টেস্ট ক্রিকেটে লিটনের এই চোট তুলনামূলক কম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি বলেন, “টেস্ট ম্যাচে সাধারণত তিন-চার রান নেওয়ার ক্ষেত্রে গতি কম থাকে। উইকেটকিপিংয়ের সময়ও তাকে বেশি স্প্রিন্ট করতে হবে না। যদি সে খেলার মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে অভিজ্ঞ একজন খেলোয়াড়কে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক।”

বিসিবি আপাতত পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় না থেকে সম্ভাব্য লাভের দিকটিকে গুরুত্ব দিয়েছে। প্রথম টেস্টে খেলতে না পারলেও দ্বিতীয় টেস্টে লিটনের ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

অভিজ্ঞ এই ব্যাটারকে দলে রাখার সিদ্ধান্ত দেখাচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে দলের ভারসাম্য ও অভিজ্ঞতাকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

কালের আলো/এসএ

চাঁদে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’, জানুন কোথা থেকে দেখা যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চাঁদে দেখা যাবে ‘ব্লাড মুন’, জানুন কোথা থেকে দেখা যাবে

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাত থেকে আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের মধ্যে আকাশে দেখা যাবে বিরল এক মহাজাগতিক দৃশ্য। এ সময় সংঘটিত হবে গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এতে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাবে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এর মূল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।

এ ছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও চাঁদ ওঠা বা ডোবার সময় গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।

চাঁদের বেশিরভাগ অংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় ঢেকে গেলেও এটি পুরোপুরি অদৃশ্য হবে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলো চাঁদের ওপর পৌঁছানোর কারণে চাঁদ তামাটে বা লালচে রঙ ধারণ করতে পারে। এ ধরনের দৃশ্যকে সাধারণভাবে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়।

পুরো চন্দ্রগ্রহণের প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে। তবে চাঁদের লালচে হয়ে ওঠার দৃশ্য তুলনামূলকভাবে অল্প সময় স্থায়ী হবে।

চন্দ্রগ্রহণ দেখতে সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক চশমার প্রয়োজন নেই। আকাশ পরিষ্কার থাকলে খালি চোখেই নিরাপদে এ মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কালের আলো/এমএসআইপি 

চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ গবেষণায় গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ
চীনের সঙ্গে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ গবেষণায় গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি কার্যক্রম বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) চীনের গুয়াংজুর সাউথ চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত ‘চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা বিনিময় সম্মেলনে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি কার্যক্রম দুই দেশের শিক্ষা সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিতে পারে। এ জন্য বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল শিক্ষা চাহিদার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশীদারত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। বাংলাদেশে চীনা ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সম্মেলনে বাংলাদেশের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। চীনের পক্ষ থেকেও গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুয়াংডং প্রদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৬১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেছেন। এছাড়া ২০২৫ সালে গুয়াংডং সরকারের বৃত্তি পেয়েছেন ২০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী।

শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য চীনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ বাড়বে বলে সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১২ পূর্বাহ্ণ
নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধসে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগকবলিত নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

শোকবার্তায় তারেক রহমান বলেন, নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের জনগণ গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। বাংলাদেশ পরিস্থিতির সর্বশেষ খবর নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি জানান, দুর্যোগের ঘটনায় শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের অনেকেই মারা গিয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে পর্যটকরাও রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপাল সরকার এবং দেশটির বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি দুর্যোগে নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ার আশা প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে নেপালের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও শোকবার্তায় জানানো হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি