খুঁজুন
                               
, ,
           

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তথ্যচিত্রে ‘ত্রুটি’, দুঃখ প্রকাশ মন্ত্রণালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তথ্যচিত্রে ‘ত্রুটি’, দুঃখ প্রকাশ মন্ত্রণালয়ের

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে তৈরিকৃত তথ্যচিত্রে থাকা ‘ত্রুটি’কে অনিচ্ছাকৃত উল্লেখ করে এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কারণ এই মন্ত্রণালয়ের আয়োজনেই ‘জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা’য় সেটি প্রদর্শিত হয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশের বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসের যথার্থতা ও পূর্ণাঙ্গতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে তথ্যচিত্রটি সংশোধন করে শিগগিরই পুনরায় জনসম্মুখে উন্মুক্ত করা হবে।’

‘প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, বিশেষ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা, ৯ দফা কর্মসূচি, ৩ আগস্ট ঘোষিত এক দফা এবং সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাবলির যথাযথ প্রতিফলন না হওয়া ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত।’

‘কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা কোনো পক্ষের ভূমিকা খাটো করা, উপেক্ষা করা বা ইতিহাসের কোনো অংশকে আড়াল করার কোনো উদ্দেশ্য মন্ত্রণালয়ের ছিল না এবং নেই। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নির্ভুল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিকভাবে সংরক্ষণে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

‘এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং আন্দোলনের প্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করে তথ্যচিত্রটি প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।’

‘সংশোধিত তথ্যচিত্র দ্রুত পুনরায় জনসমক্ষে উন্মুক্ত করা হবে, যাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস, ঘটনাপ্রবাহ, সংশ্লিষ্ট সবার গুরুত্বপূর্ণ অবদান, যথাযথ মর্যাদা ও ঐতিহাসিক সত্যতা নিষ্ঠার সঙ্গে উপস্থাপিত হয়।’

‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনায় সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য আবারও আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে সবার গঠনমূলক মতামত, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা কামনা করছে। সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইতিহাস সংরক্ষণই মন্ত্রণালয়ের অঙ্গীকার।’

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ‘জুলাই গণঅভ্যুথান দিবস’উপলক্ষে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনের উপস্থিতিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের তৈরিকৃত তথ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হয়।

সেটি দেখে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধাসহ এনসপির নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং অনেকে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে চলে যান। এসময় সেখানে একটি হট্টগোলেরও সৃষ্টি হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতেই সঙ্গে সঙ্গেই মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তথ্যচিত্রে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের আশ্বাস দেন।

পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনও বিষয়টি নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন। একইসঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোলের জন্য তিনি আশাহতও হন। জানান, জুলাই শহীদদের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ধরনের হট্টগোল কোনোভাবেই কাম্য নয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেল ৬ বারের ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা

মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব!

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব!

ফ্রান্সের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও সফল ফুটবল ক্লাব বোর্দোর মালিকানা বদল হয়েছে একেবারেই প্রতীকী মূল্যে। ভয়াবহ আর্থিক সংকট কাটিয়ে ক্লাবটিকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে ব্রিটিশ বিনিয়োগ কোম্পানি স্পার্টা ক্যাপিটাল ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান পার্ক বেঞ্চের যৌথ জোট মাত্র ১ ইউরোতে কিনে নিয়েছে ছয়বারের ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের।

ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক লেকিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কয়েক বছর ধরে চলা আর্থিক টানাপোড়েন এবং জাতীয় প্রতিযোগিতাগুলো থেকে নির্বাসিত হওয়ার শঙ্কার মধ্যে ক্লাবটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নতুন বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে ২০২১ সাল থেকে বোর্দোর মালিকানায় থাকা ব্যবসায়ী জেরার্ড লোপেজের অধ্যায়েরও অবসান ঘটেছে।

চুক্তিটি সম্পন্ন করতে লোপেজ তার পাওনা অর্থ মওকুফ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ক্লাবের পরিস্থিতির উন্নতি হলে সর্বোচ্চ ১২ মিলিয়ন ইউরো পুনরুদ্ধারের যে শর্ত বা ক্লজ ছিল, সেটিও ত্যাগ করেছেন।

সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বোর্দো।

২০০৮ থেকে ২০০৯ মৌসুমে সর্বশেষ লিগ ওয়ানের শিরোপা জেতা ক্লাবটি ২০২২ সালে দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যায়। এরপর আর শীর্ষ স্তরের ফুটবলে ফিরতে পারেনি তারা।

ফরাসি ফুটবলের আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্লাবটির প্রায় ৪০ মিলিয়ন ইউরোর ঘাটতি বা দেনা চিহ্নিত করে।

পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক হয়ে ওঠে যে, দীর্ঘ ৮৭ বছর পর ক্লাবটি পেশাদার ফুটবল ক্লাবের মর্যাদা হারায়। একই সঙ্গে তাদের যুব একাডেমিগুলোও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। জাতীয় প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়।

বোর্দোকে আবার ফুটবলে ফিরিয়ে আনতে নতুন মালিকপক্ষ প্রায় ১১ মিলিয়ন ইউরোর সংস্থান করেছে। ক্লাবের মৌসুমের দৈনন্দিন খরচ চালানো এবং বিচার বিভাগীয় পুনর্গঠন পরিকল্পনা পূরণের জন্য একটি ট্রাস্ট অ্যাকাউন্টে এই অর্থ জমা রাখা হয়েছে।

নতুন বিনিয়োগকারী স্পার্টা ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রাঙ্ক টুইল। তিনি এসি মিলানের সাবেক বোর্ড সদস্য। অন্যদিকে পার্ক বেঞ্চের মালিক ব্রিটিশ ব্যবসায়ী জেমস বোর্ড। স্কটিশ ক্লাব ডানফার্মলাইন অ্যাথলেটিক ও স্প্যানিশ ক্লাব কর্দোবার সঙ্গেও যুক্ত আছেন তিনি।

মালিকানা পরিবর্তনের ফলে বোর্দোর টিকে থাকার নতুন আশা তৈরি হলেও মাঠে তাদের ভবিষ্যৎ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। জাতীয় প্রতিযোগিতা থেকে তাদের বাদ দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ক্লাবটি। এ বিষয়ে ফরাসি অলিম্পিক ও স্পোর্টস কমিটির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে তারা।

কমিটির রায় ইতিবাচক হলে নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে বোর্দো অর্থনৈতিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি আবারও প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফেরার সুযোগ পাবে।

১৮৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক এই ক্লাবে খেলেছেন ফরাসি কিংবদন্তি ও দেশটির জাতীয় দলের বর্তমান কোচ জিনেদিন জিদান। একই ক্লাবে খেলেছেন আলাঁ জিরেস, বিসেন্টে লিস্তারাজু, ক্রিস্তফ দুগারি ও ইয়ান গুরকুফের মতো বিশ্বখ্যাত ফুটবলাররা।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

মাহবুব আলী খান স্মরণে দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
মাহবুব আলী খান স্মরণে দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী

রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল ও ইসলামী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাদ মাগরিব মরহুমের ধানমন্ডির ‘মাহবুব ভবনে’ তার পরিবারের পক্ষ থেকে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শহীদ মাহবুব আলী খানের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, শহীদ মাহবুব আলী খানের নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তনয়া ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ মরহুমের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন এই মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া, দোয়া মাহফিল ও ইসলামী আলোচনায় জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সামরিক- বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মরহুমের পরিবারের সদস্যগণ ও আত্মীয়-স্বজনরা অংশ নেন এতে।

এ সময় শহীদ রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের জীবন ও কর্মের উপর আলোকপাত করেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদগণ।

পরে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেও মোনাজাত করা হয়।

উল্লেখ্য, রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শশুর। সকালে বনানী সামরিক কবরাস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত করেন তার পরিবারের সদস্যরা।

পরে নৌ বাহিনীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মরুহমের কবরে পুস্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ১৯৭৯ সালে মাহবুব আলী খান নৌ বাহিনীর দায়িত্ব পান। পরে তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট মাহবুব আলী খান মারা যান। তাকে বনানী সামরিক কবরাস্থানে সমাহিত করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন দই মিষ্টি ও ঘি বিক্রেতাকে জরিমানা

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে অদ্য রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়াই ‘সুইটমিট (মিষ্টি)’ এবং নবায়ন ব্যতিরেকে ‘ফার্মেন্টেড মিল্ক (দই) ও ঘি’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করায় এবং পণ্যের

উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখসহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় তথ্য সম্বলিত লেবেল না থাকায় নগরীর ভদ্রা মোড় সংলগ্ন আরাফাত মিষ্টি প্রতিষ্ঠানটিকে ২০,০০০/- (বিশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নুরুল আবছার সবুজ এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।

এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি