খুঁজুন
                               
, ,
           

ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও ইস্পাতকঠিন জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে জুলাই-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৭ বছরের ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং শত-সহস্র শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয় কোনো একক গোষ্ঠীর চেতনা বিক্রির হাতিয়ার হতে পারে না। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে উসকানিমূলক ফাঁদে পা না দিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা ও সহনশীলতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

‘২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে অধীনে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছিল, তা ছিল দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের আরাধনার ফল।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন, গুম-খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন ঘটেছে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার রাজনীতির মৃত্যু হয়েছে ঢাকায় আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। ফলে চেতনা বিক্রির রাজনীতি দিয়ে আর বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।

রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচিত সরকার যাতে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের মধ্যে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর সব গণতান্ত্রিক দেশের সংবিধানগুলো ধারাবাহিকভাবে সমাজের প্রয়োজনে, চাহিদার নিরিখে সংশোধন করা হয়েছে। একইভাবে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জনআকাঙ্ক্ষা ও জনপ্রত্যাশা পূরণে আমাদের সংবিধানও গণতান্ত্রিক উপায়ে সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও তরুণদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক অপরিপক্কতার পরিচয় দিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। বুয়েটসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের ফাঁদে ফেলার অপচেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে ধৈর্য, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান।

ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক মর্যাদা, সম্মান ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে।

তিনি বলেন, একদিকে ভারতের মাটিতে বসে দণ্ডিত ও পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য বা রাজনৈতিক অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে, আর অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাওয়া হবে—এ দুটি অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত সরকার এ বিষয়টি অনুধাবন করবে এবং ‘হাসিনা কার্ড’ খেলা বন্ধ করবে।

ঢাবি সাদা দল এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক এবং ইউট্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

এ ছাড়াও সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যের পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শফিউল আলম, শহীদ আবু সাঈদের ভাই মো. আবু হোসেন এবং শহীদ একরামুল হক সাজিদের মা নাজমা খাতুন লিপি।

কালের আলো/এসএকে

শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকার উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, যাদের অবদান ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, শিশুদের তাদের সম্পর্কে জানানো অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য শিশু-কিশোরদের উপযোগী বই, লেখনী ও চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা রচিত ‘শহিদ জিয়ার গল্প শোনো’ ও ‘ছোটদের প্রিয় খালেদা জিয়া’ বই দুটির মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য বাংলাদেশের আসল ইতিহাস এবং যাদের কারণে আমরা স্বাধীন দেশ ও গণতন্ত্র পেয়েছি, তাদের সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে জানানো খুবই দরকার। কিন্তু সে অনুপাতে বই, লেখনী বা চলচ্চিত্র সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। এ ধরনের উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।’

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের জন্য এ ধরনের বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এতে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম সহজেই বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ত্যাগী নেতাদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, “আই রিভোল্ট’ না বলতেন, তবে হয়তো আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না।’’

তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন। তাদের এই অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে না ধরলে কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। দেশে যেন পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সর্বস্তরের জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’-এর স্বত্বাধিকারী দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী, কে এম বাবর ও মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আক্তার টপি এবং সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন লেখক কালাম ফারায়েজি, বই দুটির লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা, কবি মিন্টু হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও তৌহিদুর রহমান আওয়াল।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের চেকপোস্ট গেট থেকে শুরু করে চারমাথা মোড় হয়ে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গত ৫ আগস্ট চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভারতে পলায়নকৃত স্বৈরাচার সরকার ও তাদের সহযোগীরা যে ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করার উসকানি দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

তিনি আরও বলেন, আইনে যদি তিনি খালাস পেয়ে যান, খুবই ভালো কথা। কিন্তু তাকে আইন-আদালতের মুখোমুখি হয়ে বিচারের সম্মুখীন হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলা উচিত। স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের মানুষ অনেক ভালো আছে। অহেতুক মানুষকে উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণ যেকোনো উপায়েই হোক প্রতিহত করবে।

এ সময় সেখানে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিখ্যাত বাবুনগর মাদরাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩টায় হেলিকপ্টার যোগে সরকারপ্রধান পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন। এসময় সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

সেখান থেকে সড়কপথে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান তারেক রহমান।

হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর প্রধানমন্ত্রী পাশের হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন। সেখানকার আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসায় হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন সরকারপ্রধান।

এর আগে দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সহায়তা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আর সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতাবাড়ীর গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সরকারপ্রধান।

কালের আলো/এসএকে