খুঁজুন
                               
, ,
           

বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ষড়যন্ত্র, অস্থিরতা, নির্যাতন, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের রাজনীতি জনগণ কখনও গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। বিএনপি একটি আধুনিক, উদার ও গণতান্ত্রিক দল এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। বিএনপি কোনো নিউজ কন্ট্রোল করে না, গণমাধ্যমকে অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। যতবার বাংলাদেশের মানুষ নিরপেক্ষভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবার বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে বেছে নিয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তরুণ নেতৃত্বের কাছ থেকে মানুষ দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। জনগণ এখন বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ চায়। পাঁচ বছর পর জনগণই সরকারের কর্মকাণ্ডের বিচার করবে এবং কারা দেশ পরিচালনা করবে, সেই সিদ্ধান্তও জনগণই নেবে।

তিনি বলেন, ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফিশারিজ খাতেও ৫০০টির বেশি পদের অনুমোদন হয়েছে। দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এর আগে ‘টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণার কার্যকর প্রয়োগ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিএসভিইআরের ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক, প্রাণিচিকিৎসক, নীতিনির্ধারক, প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে ১৬টি সমান্তরাল বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে মোট ৩১৮টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১১৬টি মৌখিক এবং ২০২টি পোস্টার উপস্থাপনা রয়েছে।

বিএসভিইআরের সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং ইন্টার অ্যাগ্রো বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ. কে. এম. খসরুজ্জামান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসভিইআরের কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহা, ৩২তম বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তাহসিন ফারজানাসহ বিএসভিইআরের কার্যনির্বাহী ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে উচ্চ উৎপাদনশীল বাণিজ্যিক জাতের পাশাপাশি দেশের পরিবেশ ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার উপযোগী জাত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশি গরু যেন গড়ে চার লিটার দুধ, দেশি ছাগল এক লিটার দুধ এবং মুরগি বছরে ন্যূনতম ১৫০টি ডিম দিতে পারে; এমন জাত উন্নয়নে গবেষণা ও পরিকল্পনা প্রয়োজন। এছাড়া, দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নীতিনির্ধারণ ও গবেষণায় আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকার উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, যাদের অবদান ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, শিশুদের তাদের সম্পর্কে জানানো অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য শিশু-কিশোরদের উপযোগী বই, লেখনী ও চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা রচিত ‘শহিদ জিয়ার গল্প শোনো’ ও ‘ছোটদের প্রিয় খালেদা জিয়া’ বই দুটির মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য বাংলাদেশের আসল ইতিহাস এবং যাদের কারণে আমরা স্বাধীন দেশ ও গণতন্ত্র পেয়েছি, তাদের সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে জানানো খুবই দরকার। কিন্তু সে অনুপাতে বই, লেখনী বা চলচ্চিত্র সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। এ ধরনের উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।’

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের জন্য এ ধরনের বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এতে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম সহজেই বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ত্যাগী নেতাদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, “আই রিভোল্ট’ না বলতেন, তবে হয়তো আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না।’’

তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন। তাদের এই অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে না ধরলে কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। দেশে যেন পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সর্বস্তরের জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’-এর স্বত্বাধিকারী দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী, কে এম বাবর ও মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আক্তার টপি এবং সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন লেখক কালাম ফারায়েজি, বই দুটির লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা, কবি মিন্টু হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও তৌহিদুর রহমান আওয়াল।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের চেকপোস্ট গেট থেকে শুরু করে চারমাথা মোড় হয়ে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গত ৫ আগস্ট চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভারতে পলায়নকৃত স্বৈরাচার সরকার ও তাদের সহযোগীরা যে ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করার উসকানি দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

তিনি আরও বলেন, আইনে যদি তিনি খালাস পেয়ে যান, খুবই ভালো কথা। কিন্তু তাকে আইন-আদালতের মুখোমুখি হয়ে বিচারের সম্মুখীন হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলা উচিত। স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের মানুষ অনেক ভালো আছে। অহেতুক মানুষকে উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণ যেকোনো উপায়েই হোক প্রতিহত করবে।

এ সময় সেখানে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিখ্যাত বাবুনগর মাদরাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩টায় হেলিকপ্টার যোগে সরকারপ্রধান পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন। এসময় সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

সেখান থেকে সড়কপথে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান তারেক রহমান।

হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর প্রধানমন্ত্রী পাশের হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন। সেখানকার আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসায় হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন সরকারপ্রধান।

এর আগে দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সহায়তা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আর সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতাবাড়ীর গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সরকারপ্রধান।

কালের আলো/এসএকে