খুঁজুন
                               
, ,
           

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ ও জরুরি বন্ধু: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ ও জরুরি বন্ধু: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবিক অর্থেই আমাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং জরুরি বন্ধু ও মিত্র।

সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টায় বরিশালের গৌরনদী ক্যাথলিক চার্চে আয়োজিত আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের উপস্থিতিতে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই এলাকার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, আমরা বিভিন্ন ধর্মের মানুষের আবাস এলাকা হিসেবে একইসঙ্গে বসবাস করছি। আমাদের মধ্যে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি দীর্ঘদিন ধরে আমরা চর্চা করছি এবং বহন করছি, যা আজকের এই আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন করে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি, আমাদের দেশ তুলনামূলকভাবে একটি অর্থনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে, মার্কিন সরকারের তুলনায়। আমাদের এই অর্থনৈতিক সংগ্রামকে একটি সমৃদ্ধিশালী অর্থনীতিতে যদি আমরা নিতে চাই, তাহলে আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার।

সেই কারণে আমাদের দেশের সব বাসিন্দাদের মধ্যে একটি সামাজিক সম্প্রীতির সম্পর্ক দরকার। ফলে এটা কেবলমাত্র সুখ-শান্তির ব্যাপার নয়, এটা দেশের অর্থনীতির সমৃদ্ধিরও বিষয়।

আমরা যদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি করতে না পারি, তাহলে আমাদের নাগরিকদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারব না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের গার্মেন্টস শ্রমিকরা যে পণ্য উৎপাদন করে, সেটা আমরা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি একক দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

আমাদের দেশের অনেক অভিবাসীও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করেন এবং সেখান থেকে তারা প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স দেশে পাঠান। ফলে গার্মেন্টস রপ্তানির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

একইসঙ্গে আমাদের দেশে যে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই), সেক্ষেত্রেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে সবার আগে। তারা আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি টাকা বিনিয়োগ করেছে। ফলে এই বিনিয়োগের টাকাও আমাদের দেশের অর্থনীতির প্রক্রিয়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সেই বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাস্তবিক অর্থেই আমাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং জরুরি বন্ধু ও মিত্র। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

ঘণ্টাব্যাপী চলা সংলাপে চার্চের ফাদার লিটন ফ্রান্সিস গোমেজের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, বশির আহম্মেদ পান্না, ধর্মীয় নেতা মাওলানা আসাদুজ্জামান, যতীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী ও ফাদার মাইকেল দেউরি।

সংলাপ শেষে দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর গৌরনদী উপজেলার সরিকলস্থ বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূত সস্ত্রীক গৌরনদীতে আসায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

সংলাপ শেষে গৌরনদী উপজেলার সরিকল এলাকায় তথ্যমন্ত্রীর বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী। রাষ্ট্রদূতের গৌরনদী সফরে আসায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

এসএসসি পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগেও শুটিং, কত জিপিএ পেলেন অভিনেত্রী?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
এসএসসি পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগেও শুটিং, কত জিপিএ পেলেন অভিনেত্রী?

অভিনয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ‘ফারহানা’ চরিত্রের অভিনেত্রী ইসরাত তিথি। উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি জিপিএ-৪ অর্জন করেছেন।

ইসরাত তিথি নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেছিলেন। তবে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে বোর্ডে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাওয়ার পরও পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন তিনি।

স্বল্প সময়ের মধ্যে নতুন বিভাগের পড়াশোনার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন ইসরাত। শুধু তাই নয়, টেস্ট পরীক্ষায় নিজের সেকশনে প্রথমও হয়েছিলেন তিনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনায় ইসরাতের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার পরিবার। তিন বোনের মধ্যে ছোট ইসরাতের ফলাফল নিয়ে তার মেজো বোন সাফিনা বলেন, ‘ওর ফলাফলে আমরা অনেক খুশি। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও অনেক পরিশ্রম করেছে ও।’

ইসরাতের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে সাফিনা আরও বলেন, এসএসসি পরীক্ষার মাত্র দুই দিন আগেও শুটিং করেছেন ইসরাত। এমনকি টেস্ট পরীক্ষার সময় কক্সবাজারে শুটিং শেষ করে সকাল ৮টায় ঢাকায় ফিরে সকাল ১০টায় পরীক্ষায় বসতে হয়েছিল তাকে।

শুটিং সেটেও কাজের ফাঁকে বই নিয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছে ইসরাতকে। অভিনয় ও পড়াশোনার দুই ব্যস্ততা সামলে শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

এসএসসির ফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ইসরাত লিখেছেন, ‘সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও ইসরাত তিথির এই সাফল্য তার পরিশ্রম ও অধ্যবসায়েরই প্রমাণ বলে মনে করছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

কালের আলো/এসএ

‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে রাখি কাফনের কাপড়’: লাকি আলী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
‘মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে রাখি কাফনের কাপড়’: লাকি আলী

নব্বইয়ের দশকে স্বাধীন ধারার সংগীতে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করা গায়ক লাকি আলী। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য শ্রোতার ভালোবাসা পাওয়া এই শিল্পী সম্প্রতি এক কনসার্টে গিয়ে ভক্তদের আবেগে ভাসিয়েছেন। তবে গান ও স্মৃতিচারণার একপর্যায়ে মৃত্যু ও জীবনের নশ্বরতা নিয়ে তার করা একটি মন্তব্য মুহূর্তেই স্তব্ধ করে দেয় পুরো আসর।

৬৭ বছর বয়সী লাকি আলী কনসার্টের মঞ্চে দাঁড়িয়ে জানান, তিনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। এমনকি ভ্রমণের সময়ও সঙ্গে ইহরামের কাপড় রাখেন, যা তিনি নিজের কাফনের কাপড় হিসেবে উল্লেখ করেন।

ভক্তদের ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে লাকি আলী বলেন, ‘আমি জানি, আমিও তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি। একদিন আমাদের সবাইকেই চলে যেতে হবে। আমি তোমাদের তার জন্য প্রস্তুত করছি না, তবে আমি নিজে প্রস্তুত। আমি যখনই ভ্রমণ করি, সঙ্গে ইহরাম রাখি, যেটি আমার কাফনের কাপড়। যেখানেই আমার মৃত্যু আসুক, সেখানেই আমাকে ছেড়ে দিও।’

শিল্পীর এমন আধ্যাত্মিক বক্তব্যে আবেগঘন হয়ে ওঠে কনসার্টের পরিবেশ। একপর্যায়ে দর্শকসারির এক অনুরাগী আবেগ ধরে রাখতে না পেরে চিৎকার করে বলেন, ‘৩০ বছর হয়ে গেল। আমি লাকিকে কখনো ছাড়িনি।’

কনসার্টের এই আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও পরে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন লাকি আলী। ভিডিওটি প্রকাশের পর তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রিয় শিল্পীর এমন বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে নানা মন্তব্য করেন ভক্তরা। কেউ তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন, আবার কেউ তার বক্তব্যের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন।

নব্বইয়ের দশকে স্বাধীন ধারার সংগীতের মাধ্যমে ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে আলাদা পরিচয় তৈরি করেন লাকি আলী। কিংবদন্তি অভিনেতা মেহমুদের ছেলে হয়েও বলিউডের প্রচলিত ধারায় নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি। বরং স্বতন্ত্র কণ্ঠ ও গায়কির মাধ্যমে তৈরি করেছেন নিজের আলাদা শ্রোতাগোষ্ঠী।

‘কাহো না পেয়ার হ্যায়’, ‘ইউভা’, ‘বাচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘আনজানা আনজানি’ ও ‘তামাশা’র মতো সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন লাকি আলী। তবে তার গাওয়া ‘ও সানাম’ গানটি এখনো সংগীতপ্রেমীদের কাছে সমান জনপ্রিয়।

২০১৫ সালের পর থেকে বলিউড ও মূলধারার বাণিজ্যিক সংগীত থেকে কিছুটা দূরে সরে নিজের মতো করে স্বাধীন সংগীতচর্চায় মনোনিবেশ করেন এই শিল্পী। ব্যক্তিগত জীবনেও নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। তিনবার বিয়ে করলেও কোনো সম্পর্কই স্থায়ী হয়নি। তবে সাবেক স্ত্রীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সন্তানদের প্রতিও দায়িত্বশীল থেকেছেন বলে জানা যায়।

কালের আলো/এসএ

২০ কোটি পারিশ্রমিক নয়, সিনেমার প্রযোজক হতে চান শ্রদ্ধা কাপুর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
২০ কোটি পারিশ্রমিক নয়, সিনেমার প্রযোজক হতে চান শ্রদ্ধা কাপুর

বলিউডে তারকাদের পারিশ্রমিক নেওয়ার প্রচলিত ধরনে পরিবর্তন আসছে। সিনেমায় অভিনয়ের বিনিময়ে এককালীন বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক নেওয়ার পাশাপাশি এখন অনেক তারকাই সিনেমার লাভ, স্বত্বাধিকার ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির অংশীদার হচ্ছেন। এবার সেই পথেই হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর।

‘শার্ক ট্যাংক ইন্ডিয়া’খ্যাত উদ্যোক্তা অশনির গ্রোভারের জীবন নিয়ে নির্মিতব্য বায়োপিকে তার স্ত্রী মাধুরী জৈন গ্রোভারের চরিত্রে অভিনয় করার কথা রয়েছে শ্রদ্ধার। সিনেমাটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন রাহুল মোদি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য শ্রদ্ধাকে প্রায় ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে সর্বশেষ খবর বলছে, এককালীন এই বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক নেওয়ার পরিবর্তে সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছেন অভিনেত্রী।

এ ক্ষেত্রে শুরুতে নির্দিষ্ট কোনো পারিশ্রমিক না-ও নিতে পারেন শ্রদ্ধা। পরিবর্তে সিনেমার স্বত্ব, ওটিটি বিক্রি ও বক্স অফিস থেকে অর্জিত লাভের একটি নির্দিষ্ট অংশ পাওয়ার সুযোগ থাকবে তার। সিনেমাটি ব্যবসাসফল হলে এই মডেলে শ্রদ্ধার আয় প্রস্তাবিত ২০ কোটি রুপির চেয়েও বেশি হতে পারে।

বলিউডে অবশ্য এ ধরনের ব্যবসায়িক মডেল একেবারে নতুন নয়। সম্প্রতি অক্ষয় কুমারও এমন কাঠামো থেকে লাভবান হয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় তুলনামূলক কম পারিশ্রমিক নিয়ে সিনেমাটির বড় একটি অংশের স্বত্ব নিজের ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নামে রেখেছিলেন তিনি। সিনেমাটি সফল হওয়ার পর লাভের অংশ হিসেবে তার আয় ৩৫ কোটি রুপির বেশি হয়েছে বলে জানা যায়।

অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি শাহরুখ খান, আমির খান, সালমান খান, অজয় দেবগন ও রণবীর সিংয়ের মতো শীর্ষ তারকারাও শুধু নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভর না করে সিনেমার লাভের অংশীদার হওয়ার মডেলের দিকে ঝুঁকছেন। এতে সিনেমা সফল হলে তারকাদের আয়ের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ার সুযোগ থাকে। একই সঙ্গে সিনেমা ব্যবসায় প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলে ঝুঁকির অংশও নিতে হয় তাদের।

এদিকে শ্রদ্ধা কাপুর বর্তমানে তার পরবর্তী সিনেমা ‘ইথা’র শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। জানা গেছে, সিনেমাটির জন্য তিনি ১২ থেকে ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পাচ্ছেন।

তবে অশনীর গ্রোভারের বায়োপিকের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধা শেষ পর্যন্ত ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেবেন, নাকি প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়ে সিনেমার লাভের অংশীদার হবেন—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে অভিনেত্রীর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই নজর এখন।

কালের আলো/এসএ