খুঁজুন
                               
, ,
           

শেরপুরে নিখোঁজের ৮ দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার 

শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
শেরপুরে নিখোঁজের ৮ দিন পর অর্ধগলিত  মরদেহ উদ্ধার 

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার জারুলতলা গ্রামে নিখোঁজের আট দিন পর মাটির নিচে পুঁতে রাখা ধান ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে ঝিনাইগাতী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারী-পুরুষসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট ধান ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন নিখোঁজ হন। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে ঝিনাইগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের পর থেকেই তাকে উদ্ধারে তৎপরতা চালায় পুলিশ।

১২ আগষ্ট দুপুরে জারুলতলা গ্রামের একটি খালে মাছ ধরতে যায় স্থানীয় কিছু বালক, তারা সেখানে দুর্গন্ধ অনুভব করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খালের পাশের একটি স্থানে মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখা অবস্থায় বিল্লাল হোসেনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেন।

মরদেহটি  উদ্ধার করে ময়নাতনদের জন্য প্রেরণ করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত এবং কী কারণে বিল্লাল হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে, তা তদন্তের পর জানা যাবে। জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ড্রাইভিং টেস্ট পাসের পর দেশের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জাইমা রহমানের পোস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
ড্রাইভিং টেস্ট পাসের পর দেশের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জাইমা রহমানের পোস্ট

Oplus_131072

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনেক সেবা ডিজিটাল করার উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তবে ডিজিটাল সেবা তখনই কাজে আসে, যখন তা সত্যি সত্যি মানুষের জীবন সহজ করে—বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে করা এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওই পোস্টে তিনি জীবনের দ্বিতীয় ড্রাইভিং টেস্ট দেওয়ার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন।

ফেসবুক পোস্টে জাইমা লেখেন, ‘গত সপ্তাহে আমি জীবনের দ্বিতীয় ড্রাইভিং টেস্ট দিলাম, এবার বাংলাদেশে গাড়ি চালানোর অনুমতির জন্য। প্রথমটি দিয়েছিলাম লন্ডনে, দশ বছরেরও বেশি আগে। দুটিতেই প্রথমবারে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু গাড়ি চালানোর বাস্তবতার জন্য একটি পরীক্ষা আমাকে যতটা প্রস্তুত করেছে, অন্যটি ততটা করেনি।’

তিনি লেখেন, ‘এখানকার পুরো প্রক্রিয়াটির ভেতর দিয়ে যেতে যেতে আমি কেবল ড্রাইভিং টেস্ট বা লাইসেন্স নিয়ে ভাবিনি। ভেবেছি আমাদের সড়ক ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা নিয়ে, আর সেই সড়ক নিয়ন্ত্রণের জন্য তৈরি ব্যবস্থাগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে।’

‘অনেক তরুণ বাংলাদেশির, বিশেষ করে ঢাকার তরুণদের, একটি মৌলিক হতাশা আছে: আমাদের কাছ থেকে নিয়ম মেনে চলার প্রত্যাশা করা হয় এমন একটি ব্যবস্থার ভেতরে, যেটি সব সময় নিরাপদ বা অনুমানযোগ্য মনে হয় না।’ —ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন ব্যারিস্টার জাইমা।

তিনি আরও লেখেন, পথচারী হিসেবে আপনাকে হয়তো পর্যাপ্ত ক্রসিং ছাড়াই দ্রুতগতির সড়ক পার হতে হয়, এমন ফুটপাত ধরে হাঁটতে হয় যেটি হঠাৎ শেষ হয়ে যায় কিংবা দখল হয়ে থাকে, আর পথ করে নিতে হয় বাস, মোটরসাইকেল, রিকশা ও প্রাইভেট কারের ভিড়ের মধ্য দিয়ে, যেগুলোর প্রত্যেকটি চলছে আলাদা আলাদা অলিখিত নিয়মে।

প্রধানমন্ত্রী কন্যা পোস্টে লেখেন, যাত্রী হিসেবে আপনার হাতে কার্যত কিছুই থাকে না। আপনার বাসটি যাত্রী তোলার জন্য অন্য বাসের সঙ্গে পাল্লা দেবে কিনা, হঠাৎ ব্রেক কষবে কি না, গাড়িটির যান্ত্রিক ফিটনেস আছে কিনা, কিংবা চালক ঠিকমতো প্রশিক্ষণ ও বিশ্রাম পেয়েছেন কিনা, কোনো কিছুই আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই।

আর নতুন চালক হিসেবে সবকিছু নিয়ম মেনে করতে গেলে আরেক দফা প্রশ্ন সামনে এসে দাঁড়ায়। নিয়মগুলো আসলে কী? কেন সেগুলো একেকজনের জন্য একেক রকম মনে হয়? সঠিক পদ্ধতিটা কী? অনলাইন প্রক্রিয়া কেন সব সময় যথেষ্ট নয়? দালাল ধরলে কেন কাজটা দ্রুত হয়ে যায়? পরীক্ষায় পাস করার পরও কেন মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয় সেই কাগজটির জন্য, যা প্রমাণ করে আমি পাস করেছি? এভাবে প্রশ্ন চলতেই থাকে।

ব্যারিস্টার জাইমা রহমান আরও লেখেন, বিআরটিএ তার অনেক সেবা ডিজিটাল করেছে, যা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কিন্তু ডিজিটাল করা তখনই কাজে আসে, যখন তা সত্যি সত্যি মানুষের জীবন সহজ করে।

তিনি লেখেন, অনলাইনে শুরু হওয়া কোনো সমস্যার সমাধান যদি শেষ পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায় ‘অফিসে এসে কথা বলুন’-এ, তাহলে সমস্যাটির সমাধান আসলে হয়নি। প্রতিটি অপ্রয়োজনীয় সশরীর যোগাযোগ দেরি, পক্ষপাত কিংবা লেনদেনের নতুন সুযোগ তৈরি করে। ব্রোকারেরা এই প্রক্রিয়ার ফাটলটিরই সুযোগ নেয়। মানুষ আইন ভাঙতে চায় বলে নয়, বরং সরকারি প্রক্রিয়াটি এতটাই কঠিন হয়ে ওঠে যে একজন মধ্যস্থতাকারীই সবচেয়ে সহজ পথ হয়ে দাঁড়ায়। এটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর, কারণ এতে দুর্নীতি ব্যতিক্রম না থেকে কাজ আদায়ের স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়।

একই সমস্যা আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রেও। লাইসেন্স, ফিটনেস, প্রশিক্ষণ ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশ চমৎকার সব নিয়ম করতে পারে। কিন্তু নিয়ম যদি বেছে বেছে প্রয়োগ হতে দেখা যায়, মানুষ দ্রুতই সেসব নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে। একজন নতুন চালক তখন ভাবেন: আমাকে বলা হচ্ছে নিয়ম মানা অপরিহার্য, অথচ চোখের সামনেই ফিটনেসবিহীন গাড়ি, বেপরোয়া চালনা আর নানা লঙ্ঘন দিব্যি চলছে। কেন?

দুর্নীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা তাই কেবল অন্যায়টি ঘটা নয়, সেটির প্রতিকার কীভাবে হয়, সেটিও। অভিযোগ করে কিছু হবে না, বরং নিজেরই বাড়তি ভোগান্তি হবে, মানুষ যদি এমনটা বিশ্বাস করে, তাহলে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াটি দাঁড়ায়: ‘কী দরকার? চেনাজানা কাউকে বলি।’ আর এই ভাবে ব্যাপারটি চলতেই থাকে।

জাইমা লেখেন, এ কারণেই সড়ক নিরাপত্তা কেবল গাড়ি, লাইসেন্স আর শাস্তির বিষয় হতে পারে না। এটি হতে হবে সেই মানুষগুলোকে ঘিরে, যারা প্রতিদিন পথ চলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে হেঁটে যাওয়া একজন শিক্ষার্থী। সন্ধ্যার পর বাড়ি ফেরা একজন নারী। পরের অর্ডারটি ধরার তাড়ায় থাকা একজন ফুড ডেলিভারি রাইডার। অতিরিক্ত সময় ধরে গাড়ি চালানো একজন বাসচালক। ব্যস্ত সড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করা একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। একজন রিকশাচালক, যার বাহনটিই তার জীবিকা। একই সড়ক তাদের প্রত্যেকের কাছে সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা।

ভালো নীতিমালাকে এই বাস্তবতাগুলো বুঝতে হবে। নইলে নিয়ম উল্টো দরিদ্র বা বেশি ঝুঁকিতে থাকা সড়ক ব্যবহারকারীদের আরও গভীরভাবে অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দেবে, আর তাতে শোষণ ও ঘুষের নতুন সুযোগই তৈরি হবে।

এসব কথা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নিরাপদ সড়কের দাবিতে তরুণেরা বছরের পর বছর কথা বলে আসছেন। ২০১৮ সালে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমেছিল, লাইসেন্স পরীক্ষা করেছিল, যানবাহন চলাচল সামলানোর চেষ্টা করেছিল এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও লাইসেন্সহীন চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। আট বছর পরও সেই উদ্বেগগুলোর অনেকটাই রয়ে গেছে।

তাই প্রশ্নটি এখন সম্ভবত আর এই নয় যে ‘সড়ক নিরাপদ নয়’। প্রশ্নটি বরং এই: ‘সমস্যাগুলো তো আমরা আগেই চিহ্নিত করে দিয়েছি। ব্যবস্থাটি এখনো সেগুলো ঠিক করল না কেন?’

আমার মনে হয়, এখানেই আমাদের প্রশ্নটা বদলে যায়। প্রশ্ন কেবল এটি হতে পারে না যে ‘নাগরিকদের দিয়ে কীভাবে নিয়ম মানানো যাবে?’

আমাদের এটিও জিজ্ঞাসা করা উচিত:
‘সংযোগ থাকুক বা না থাকুক, আমরা কীভাবে নিশ্চিত করবো যে সবাই একই পরিষেবা পাবে?’
‘আমরা কীভাবে আইন প্রয়োগকে ন্যায্য ও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পারি?’
‘কীভাবে আমরা অভিযোগ ও অন্যায়ের বিষয়ে জানানোকে নিরাপদ ও সার্থক করে তুলতে পারি?’
‘এবং আমরা কীভাবে রাস্তা ডিজাইন করব যাতে একটি সাধারণ ভুলের কারণে কারও জীবনহানি না ঘটে?’

পোস্টের শেষে জাইমা রহমান লেখেন, পরিবর্তন যদি আমরা সত্যিই চাই, তাহলে আমাদের ভাবনার কাঠামোটাই নতুন করে সাজাতে হবে।

কালের আলো/এসএকে

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রাশীদ।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পর্যটন, মানবসম্পদ ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা  বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মালদ্বীপে বাংলাদেশি জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের জন্য অনুরোধ করেন।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এসএকে

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় জামায়াত আমিরের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় জামায়াত আমিরের চিঠি

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনা করে তার কাছে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকায় মালয়েশিয়ান হাইকমিশনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বিরোধী দলীয় নেতার পক্ষ থেকে লেখা চিঠিটি বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা বিন ওসমানের কাছে হস্তান্তর করেন।

চিঠিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অসুস্থতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তার দ্রুত আরোগ্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়েছে।

চিঠি হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়।

এসময় বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ