খুঁজুন
                               
, ,
           

হামে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়াল ৯০০, একদিনে প্রাণ গেল ৮ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
হামে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়াল ৯০০, একদিনে প্রাণ গেল ৮ জনের

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭২৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭০ জন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতি বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ শিশু। উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ জনে।

এ ছাড়া গত এক দিনে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২৮ জনের শরীরে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জনে।

এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে হামের উপসর্গজনিত মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

রোববার কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
রোববার কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল রোববার (১৬ আগস্ট) সড়ক পথে কিশোরগঞ্জ আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জেলা সদরসহ তিনটি উপজেলা সফর করবেন তিনি।

দিনব্যাপী এ সফরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, মৎসপক্ষ উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তিদের অনুদান ও সম্মানী প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুযায়ী এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শেষ মুহূর্তে চলছে জোর প্রস্তুতি। এ সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা কর্মী এবং সমর্থকদের মাঝে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার দীর্ঘদিনের ভাঙা সড়ক মেরামত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দিনরাত একাকার করে শ্রমিকরা বালু-সুড়কি ফেলছেন সড়কের গর্তগুলোতে।

সড়কের দুপাশে দীর্ঘদিন জমে থাকা ময়লা আবর্জনা এখন নেই বললেই চলে।

প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী কর্মসূচী:

রোববার দুপুর আড়াইটায় প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ছাত্রদল আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করবেন। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এরপর সাড়ে ১২টায় কটিয়াদী উপজেলায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুর ১টার দিকে কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

এরপর সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেল ৪টায় জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণসহ বিভিন্ন অনুদান দেবেন। পরে মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে ও বক্তব্য শুনতে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকসহ সাধারণ মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলীয় সংসদ সদস্যরা।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে কিশোরগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও মৎস্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসতে পারে।

তারা বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষের মতো বড় আয়োজন সাধারণত রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে হয়ে থাকে। তবে এবারই প্রথম রাজধানীর বাইরে এ আয়োজন হচ্ছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহে দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ হয়ে থাকে। এ অঞ্চলের সম্ভাবনা, উদ্যোক্তা ও খামারিদের সাফল্য জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতেই প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে এবারের মূল আয়োজন কটিয়াদীতে করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা করছেন, এ সফরের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন-প্রত্যাশা পূরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নেওয়ার জন্য।

দিনব্যাপী কর্মসূচী শেষে সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে কিশোরগঞ্জ ত্যাগ করবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেটে ধীরগতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেটে ধীরগতি

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রায় আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেটে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-ডব্লিউই-৫-এর পূর্ব ও পশ্চিম—দুই দিকের সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সি-মি-ডব্লিউই-৫-এর পূর্ব ও পশ্চিম—দুই দিকের সংযোগই বন্ধ ছিল। পরে ক্যাবলটির সংযোগ স্বাভাবিক হয়।

বিএসসিপিএলসি জানিয়েছে, কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-ডব্লিউই-৫ প্রায় আড়াই ঘণ্টা ডাউন ছিল। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাবলটির সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে দুপুর ২টার দিকে এটি আবার সচল হয়। এ সময় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবহারে ধীরগতি দেখা দেয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় শহর মাতারায় এসএমডব্লিউ-৫-এর ল্যান্ডিং স্টেশন বা সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামে ত্রুটি দেখা দিতে পারে। তবে ত্রুটির সুনির্দিষ্ট স্থান ও কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিএসসিপিএলসি সূত্র জানায়, ক্যাবলটি অচল থাকার সময়ে বিকল্প পথে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হলেও কোথাও কোথাও ইন্টারনেটের গতি কমে যায়। ক্যাবলটি সচল হওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

বিএসসিপিএলসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে ক্যাবলটি কিছু সময়ের জন্য ডাউন ছিল। এখন এটি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে ইন্টারনেট সেবায় খুব বেশি প্রভাব পড়েনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

অবসর ভাতা পেতে শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
অবসর ভাতা পেতে শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

অবসর ভাতা পেতে বেসরকারি শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রাপ্য অর্থ যথাসময়ে অনলাইনের মাধ্যমে তাদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার অর্থ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে দীর্ঘ চার বছর ধরে আটকে থাকা ৭০ হাজার ১১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকার বকেয়া ভাতা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। সরকারের এককালীন ২ হাজার ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় iBAS+ সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। আগামী দিনগুলোতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানি ছাড়াই অনলাইনে যথাসময়ে তাদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে যাবে।

শিক্ষকদের ভোগান্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যারা নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দিয়ে লাখো শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলেন, তাদের নিজেদের প্রাপ্য অর্থ পেতে ঘুষ দিতে বা বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হলে তা শুধু শিক্ষকদের হয়রানি নয়, বরং জাতি হিসেবে আমাদের জন্যও লজ্জার।

প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়াটি সহজ ছিল না। তার দাবি, আগের সরকারের সময় ব্যাংক-বিমাসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়মের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের দুটি তহবিলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাল ইনডেক্স তৈরি এবং দুর্বল ব্যাংকে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার কারণে তহবিল দুটি প্রায় দেউলিয়া হয়ে পড়েছিল।

তিনি বলেন, এর ফলে ২০২২ সাল থেকে শিক্ষকরা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। বর্তমান সরকার বিশেষ ব্যবস্থায় তাদের দুরবস্থার কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করেছে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের কল্যাণে ১৯৯১ সালে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট এবং ২০০২ সালে অবসর সুবিধা বোর্ড প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা ছিল।

প্রধানমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমাজের ‘আলোকবর্তিকা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পেশাগত জীবন থেকে অবসর নিলেও সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি শিক্ষকদের দায়িত্ব শেষ হয় না।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি