খুঁজুন
                               
, ,
           

সময়মতো অফিসে না এলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
সময়মতো অফিসে না এলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিতি ও নাগরিক সেবা কার্যক্রমের গতি ত্বরান্বিত করতে নগর ভবনে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন সংস্থাটির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে নগর ভবনের বিভিন্ন বিভাগ ও শাখা সরেজমিনে ঘুরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির খোঁজ নেন তিনি।

এ সময় নির্ধারিত কর্মঘণ্টা মেনে যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে নাগরিক সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন প্রশাসক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। নগরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, সময়ানুবর্তিতা ও কর্মনিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও কার্যকারিতা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। নাগরিক সেবা দিতে কোনো ধরনের শৈথিল্য, বিলম্ব বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে দাফতরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাস করছে ‘টেসলা’

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাস করছে ‘টেসলা’

দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নীরব চাপ তৈরি করেছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা—স্থানীয় ভাষায় যা পরিচিত ‘টেসলা’ নামে। যাত্রী পরিবহনে স্বল্প খরচ ও সহজলভ্যতার কারণে নগর থেকে মফস্বল—সবখানেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এসব যান। কিন্তু এই জনপ্রিয়তার আড়ালে বিদ্যুৎ চুরির মাধ্যমে ব্যাপক রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। জটিল এক সমীকরণ তৈরি হয়েছে সড়ক নিরাপত্তাতেও।

  • বিদ্যুৎ চুরির বিশাল সিন্ডিকেট
  • বছরে ২১ হাজার কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন
  • জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশই প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জে। জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে শুধু এসব যান চার্জ দিতে। অথচ এর বড় একটি অংশই ব্যবহার হচ্ছে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে। ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে সরকারি কোষাগারে জমা পড়ছে না প্রত্যাশিত রাজস্ব।

একেকটি রিকশায় দিনে ৯ ইউনিট বিদ্যুৎ

একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় সাধারণত ৪ থেকে ৬টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি থাকে। এসব ব্যাটারি চার্জ দিতে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ১০০ ওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। আট ঘণ্টা চার্জে রাখলে একটি রিকশার পেছনে খরচ হয় প্রায় ৯ ইউনিট বিদ্যুৎ।

কত অটোরিকশা চলছে, তার হিসাবেও নেই একমত

ব্যাটারিচালিত যানবাহনের প্রকৃত সংখ্যা নিয়েও রয়েছে বড় ধরনের তথ্যঘাটতি।সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) হিসাবে দেশে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ। তবে সিপিডি ও বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে এই সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। এই বিশাল বহরের মধ্যে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই প্রায় ২০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যুৎ চুরি থেকে বছরে হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

অবৈধ সংযোগের কারণে সরকার শুধু বিদ্যুৎ হারাচ্ছে না, হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্বও। সংশ্লিষ্ট গবেষণার তথ্যমতে, এই খাতের অবৈধ সংযোগের কারণে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও বড় একটি অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি।

সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে থাকা প্রায় ২০ লাখ অটোরিকশার প্রতিটি থেকে গ্যারেজ ভাড়া ও চার্জ বাবদ দিনে গড়ে ১০০ টাকা আদায় করা হয়। অর্থাৎ শুধু ঢাকাতেই প্রতিদিন এ খাতে লেনদেন হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। বছরে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। দেশজুড়ে একই ধরনের লেনদেন বিবেচনায় নিলে গ্যারেজ ও চার্জকেন্দ্রিক এই অবৈধ অর্থনীতির আকার বছরে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ ‘টেসলা’ এখন শুধু একটি যানবাহন নয়; এর চারপাশে গড়ে উঠেছে গ্যারেজ, চার্জিং, বডি তৈরি, যন্ত্রাংশ আমদানি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের লেনদেনকে ঘিরে বিশাল এক অর্থনৈতিক বলয়।

জনপ্রিয়তার কারণও স্পষ্ট

দ্রুত যাতায়াত, সহজলভ্যতা এবং তুলনামূলক কম ভাড়ার কারণে প্রায় ৮২ শতাংশ যাত্রী ব্যাটারিচালিত রিকশাকে প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করেন বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। এ খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৬০ লাখ চালকের পরিবার জড়িয়ে আছে। তাদের অনেকের জীবিকা নির্ভর করছে এই যানটির ওপর। ফলে হঠাৎ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করে দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখানেই তৈরি হয়েছে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ—একদিকে বিদ্যুৎ চুরি ও অবৈধ অর্থনীতি বন্ধ করা, অন্যদিকে লাখ লাখ মানুষের জীবিকা ও সাধারণ মানুষের সাশ্রয়ী যাতায়াত নিশ্চিত করা।

বিদ্যুতের পাশাপাশি সড়কেও বড় ঝুঁকি

‘টেসলা’র সংকট শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সড়ক নিরাপত্তার প্রশ্নও। গবেষণার তথ্য বলছে, এসব অটোরিকশার প্রায় ৭৫ শতাংশ চালকেরই যান চালানোর পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নেই। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার ঘাটতি থাকায় সড়কে তৈরি হচ্ছে বাড়তি ঝুঁকি। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার অভাবে শুধু এক বছরেই অটোরিকশাসংক্রান্ত দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৭৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

‘টেসলা’ বন্ধ নয়, প্রয়োজন নিয়ন্ত্রণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তবতা হলো—ব্যাটারিচালিত রিকশা একদিনে দেশের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবিকা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত। তাই প্রয়োজন নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে একটি সমন্বিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা। একই সঙ্গে অবৈধ যন্ত্রাংশ আমদানিকারক, রিকশার বডি প্রস্তুতকারক এবং বিদ্যুৎ চুরির সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

বুয়েটের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘অবৈধ হলেও চালকেরা চাঁদা দিয়েই সড়কে গাড়ি চালাচ্ছেন। ঘাটে ঘাটে বিশাল এক অর্থনীতি জড়িয়ে আছে। তাই এই খাত নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সরকারকে অত্যন্ত কৌশলী হতে হবে।’‌

কালের আলো/এসআর/এএএন

৬ মাস পূর্তি, গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
৬ মাস পূর্তি, গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা

সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করার পর প্রথম ১৮০ দিন অর্থাৎ ছয় মাস পার করছে বিএনপি। এ উপলক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তারা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেবেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের শাপলা হলে বেলা ১১টায় এ মতবিনিময় শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই মতবিনিময় সভায় সরকারের উচ্চপর্যায়ের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অংশ নেবেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন।

এ ছাড়া উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ডা. জাহিদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রেস সচিব ও কার্যালয়ের মুখপাত্র সালেহ শিবলী, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।

কালের আলো এসআর/এএএন

সীমান্তে পুশ-ইন-চোরাচালান বন্ধে একমত বিজিবি-বিএসএফ

ফেনী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
সীমান্তে পুশ-ইন-চোরাচালান বন্ধে একমত বিজিবি-বিএসএফ

সীমান্ত হত্যা, পুশইন ও চোরাচালান বন্ধে একমত হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ ও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড- বিজিবি। শূন্যরেখায় জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলার বার্তাও দিয়েছেন তারা।

রোববার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মজুমদারহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বাংলাদেশ অংশে বিলোনিয়া আইসিপিতে বিজিবি-বিএসএফ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক থেকে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ফেনী সীমান্তে একাধিক পুশইন চেষ্টা বিজিবির দৃঢ়তায় ব্যর্থ হওয়ার পর আজকের অধিনায়ক পর্যায়ের এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি পরশুরামের পশ্চিম সাহেবনগর ও কেতরাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে একাধিক নারী ও শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর জেরে সীমান্তে তৈরি হওয়া উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পুশইন সম্পূর্ণ বন্ধে ভারতীয় পক্ষকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়।

জবাবে বিএসএফের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। সীমান্তে কোনো ধরনের প্রাণহানি গ্রহণযোগ্য নয় বলে উভয়পক্ষ ঐকমত্য প্রকাশ করেছে। মাদকদ্রব্যসহ যেকোনো চোরাচালান বন্ধে সীমান্তরক্ষী দুই বাহিনী তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়া শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের ভেতরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ না করা এবং জমিসংক্রান্ত স্থানীয়দের বিরোধে কোনো বলপ্রয়োগ না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে উত্তেজনা এড়াতে এখন থেকে যেকোনো জটিলতা শুরুতেই কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সেখানে সিদ্ধান্ত না এলে তাৎক্ষণিকভাবে অধিনায়ক (কমান্ড্যান্ট) পর্যায়ে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে ফেনী ব্যাটালিয়ানের (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেন। অন্যদিকে ৪৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট এসএইচ রবীন্দ্র মাদানির নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, নিয়মিত সূচির অংশ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুইপক্ষের কর্মকর্তাদের পরিচয় পর্ব হয়েছে।

এছাড়া সীমান্তের নানা বিষয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে কথা হয়েছে। পুশইন বন্ধের বিষয়েও তাদের বলা হয়েছে। এতে তাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া এসেছে।

এর আগে গত ২৫ জুলাই ফেনীর পরশুরাম সীমান্ত দিয়ে সাত নারী-শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। মির্জানগর ইউনিয়নের পশ্চিম সাহেবনগর সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই সাতজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি বাধা দিলে পরে বিএসএফ তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেয়।

এর পরদিন একই উপজেলার কেতরাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় ফের বিএসএফের সহায়তায় এক নারী ও তিন শিশুসহ মোট চারজনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। সেদিনও বিজিবি তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয় এবং অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ