খুঁজুন
                               
, ,
           

খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ

হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। এর অংশ হিসেবে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চাসেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস, চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করে বাংলাদেশ মান (বিডিএস) প্রণয়ন করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে টিএফএ মুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। এর মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল ও মেঘনা গ্রুপের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ‘অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এসডিজির তাগিদ এবং সরকারের অগ্রাধিকার’ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক (কৃষি ও খাদ্য) এনামুল হক।

সভায় বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উৎপাদন পর্যায়ে সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে শিল্পখাতের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা থেকে ট্রান্স ফ্যাট নির্মূল অকালমৃত্যু প্রতিরোধে কার্যকর ও ব্যয়সাশ্রয়ী পদক্ষেপ।

বাংলাদেশেও এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রবিধানটির কার্যকর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘিয়ের জন্য প্রণীত বাংলাদেশ জাতীয় মানও সংশোধন করেছে বিএসটিআই।

সংশোধিত মানে ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণের আধুনিক প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে খাদ্যশিল্পে টিএফএমুক্ত বা কম ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত পণ্য উৎপাদনের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নতুন মান প্রণয়নের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে একটি সুস্পষ্ট মানদণ্ড তৈরি হলো। বিশেষ করে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্চাসেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস ও চানাচুরের মতো বহুল ব্যবহৃত খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ ভোক্তা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অংশীজন সভায় সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা ট্রান্স ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং শিল্পখাতের বাস্তব চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতামত দেন। এসব মতামত বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে পুলিশের প্রস্তুতি সভা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে পুলিশের প্রস্তুতি সভা

আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের সিএমপি সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

সভায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নানা দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, অনুষ্ঠানটি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন সিএমপি কমিশনার।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া।

এ ছাড়া, সভায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ওয়াসা ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন পরিষদের নেতারা অংশ নেন।

সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং আসন্ন ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের চাপ, নতুন নীতিমালা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের চাপ, নতুন নীতিমালা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। নতুন নীতিমালায় কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মিলন বলেন, এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ইতোমধ্যে ১২ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এত বিপুলসংখ্যক আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এ কারণে খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা যাবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সহজে বাংলাদেশের ভিসা পেতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের (টিভিইটি) বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এছাড়া অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন এবং কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান বক্তব্য দেন। কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মূল সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
মূল সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর মূল সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তবে হকারদের জীবিকা বন্ধ না করে নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে তাদের পুনর্বাসনের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) নগর ভবন অডিটোরিয়ামে হকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার মতো দ্রুত বর্ধনশীল শহরে নাগরিকদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে সুশৃঙ্খল হকার ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। হকারদের জীবিকা বন্ধ করা যেমন আমাদের উদ্দেশ্য নয়, তেমনি সারাদেশের ভাসমান মানুষকে ঢাকায় এনে হকার হিসেবে পুনর্বাসন করাও সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ‘ঢাকা শহরের হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৬’ অনুযায়ী নিবন্ধন, নির্ধারিত ফি প্রদান এবং নির্দিষ্ট সড়ক ও সময়ে ব্যবসা করার নিয়ম মানতে হবে।

আবদুস সালাম বলেন, মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। প্রশস্ত ফুটপাত রয়েছে, এমন সড়কে পথচারীদের চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা উন্মুক্ত রেখে নির্দিষ্টসংখ্যক নিবন্ধিত হকারকে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হবে। অন্যদের জন্য হলিডে মার্কেট ও নাইট মার্কেট চালু করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, হকারদের এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা, বার্ষিক নবায়ন ফি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং স্থান ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাবদ মাসে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে।

নিবন্ধিত হকারদের বারকোড বা কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। ফুটপাথে পথচারী চলাচলের জন্য ন্যূনতম ১ দশমিক ৫ মিটার জায়গা খোলা রাখা বাধ্যতামূলক। নারী ও প্রতিবন্ধী হকারদের জন্য ৩০ শতাংশ স্থান সংরক্ষণের বিধানও রাখা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিনে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত স্থানে হলিডে মার্কেট এবং বাণিজ্যিক এলাকায় অফিস সময়ের পর সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নাইট মার্কেট পরিচালনা করা যাবে।

লাইসেন্স ছাড়া বা নির্ধারিত সীমানা লঙ্ঘন করে ব্যবসা করলে উচ্ছেদসহ নিবন্ধন বাতিল করা হবে। হকারদের নিজ দায়িত্বে ব্যবসাস্থল পরিষ্কার রাখা এবং নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার নির্দেশনাও রয়েছে।

সভায় ডিএসসিসি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হকার সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ