খুঁজুন
                               
, ,
           

বস্তি থেকে দুর্গম পাহাড়ে পৌঁছাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
বস্তি থেকে দুর্গম পাহাড়ে পৌঁছাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

একটি কার্ড। মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা। আর সেই অর্থ যাবে সরাসরি পরিবারের হাতে। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী নয়, থাকবে ডিজিটাল পরিচয় ও গভর্নমেন্ট টু পারসন বা জি-টু-পি পদ্ধতি। দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তার প্রচলিত কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এবার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬’-এর আওতায় দেশের প্রায় ২ কোটি অতি দরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নীতিমালাটি প্রকাশ করা হয়। এই কর্মসূচির বিশেষ দিক হলো—সহায়তা দেওয়া হবে ব্যক্তি ধরে নয়, পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে বিবেচনা করে। আর পরিবারে নারী সদস্যের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কার্ডটি সাধারণত পরিবারের মা, বয়োজ্যেষ্ঠ বা দায়িত্বশীল নারীর নামে ইস্যু করা হবে।

সমতল থেকে দুর্গম পাহাড়—বাদ যাবে না কেউ
ফ্যামিলি কার্ড শুধু শহর বা সমতলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সীমাবদ্ধ থাকছে না। নীতিমালায় দেশের তৃণমূল থেকে শুরু করে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম পাড়া পর্যন্ত সব জনগোষ্ঠীকে কর্মসূচির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। এ জন্য স্থানীয় পর্যায়ে কমিটি কাজ করবে। অর্থাৎ ভৌগোলিক অবস্থান বা দুর্গমতার কারণে যাতে দরিদ্র পরিবার বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যেই তৈরি করা হচ্ছে স্থানীয় পর্যায়ের বাছাই কাঠামো। এর আগে পরীক্ষামূলকভাবে ৩ লাখ ২০ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। পাইলট কর্মসূচির আওতায় রাজধানীর কড়াইল, অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ী বস্তিসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নির্বাচিত এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ছিল রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পতেঙ্গা, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাশন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ। পাইলট পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই এবার বড় পরিসরে কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাঠামো তৈরি হলো।

মাসে ২,৫০০ টাকা, তবে পরিবারের আকারেও আছে হিসাব
নীতিমালা অনুযায়ী, লক্ষ্যভুক্ত পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। তবে পাঁচ সদস্যের বেশি পরিবারকে সর্বোচ্চ দুটি কার্ড এবং পরিবারের সদস্যসংখ্যা ১০ জনের বেশি হলে ক্ষেত্রবিশেষে তিনটি কার্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। অর্থাৎ পরিবারের সদস্যসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহায়তার পরিমাণ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে বৃহৎ ও অতি দরিদ্র পরিবারগুলো তুলনামূলক বেশি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবে। তবে কারা এই সুবিধা পাবেন, তার পাশাপাশি কারা পাবেন না—নীতিমালায় সেটিও স্পষ্ট করা হয়েছে।

আট কারণে মিলবে না ফ্যামিলি কার্ড
নীতিমালায় একটি ‘নেগেটিভ লিস্ট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক, পেশাগত ও সম্পদগত সক্ষমতা থাকলে পরিবারটি এই সুবিধার বাইরে থাকবে। সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতন-ভাতা পাওয়া নারীপ্রধান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কিংবা নিয়মিত সরকারি পেনশনভোগী পরিবার এই সুবিধা পাবে না। একইভাবে পরিবারের কোনো সদস্যের নামে ৫ লাখ টাকার বেশি জাতীয় সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত বা ফিক্সড ডিপোজিট থাকলেও বাদ পড়তে হবে। তিন বা চার চাকার মোটরযান, বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা থাকলেও মিলবে না কার্ড। পরিবারের কোনো সদস্য নিয়মিত করদাতা হলে কিংবা করযোগ্য আয় থাকলেও পরিবারটি অযোগ্য বিবেচিত হবে। এ ছাড়া বসতভিটাসহ মোট আবাদি জমি শূন্য দশমিক ৫০ একর বা তার বেশি হলে এবং কোনো অকৃষি বা বাণিজ্যিক জমি বা স্পেসের বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি হলেও পরিবারটি কর্মসূচির বাইরে থাকবে।

বড় চ্যালেঞ্জ বাছাইয়ে স্বচ্ছতা
ফ্যামিলি কার্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে এর ডিজিটাল কাঠামো। অনন্য একক পরিচিতি এবং জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীর কাছে অর্থ পৌঁছানোর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমানোর সুযোগ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রকৃত দরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করা। স্থানীয় পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা স্থানীয় প্রভাব, তথ্যের ভুল এবং প্রকৃত সুবিধাভোগী বাদ পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই শুধু ডিজিটাল কার্ড করলেই হবে না; তথ্য যাচাই ও অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাও শক্তিশালী করতে হবে।

ব্যক্তি নয়, পরিবার—দর্শনে বড় পরিবর্তন
সরকারের নীতিমালায় এই কর্মসূচির মূল দর্শন—‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। এর মাধ্যমে শুধু নগদ অর্থ দেওয়া নয়, পরিবারকে একটি স্বনির্ভর ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারীর নামে কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সামাজিক নিরাপত্তাকে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক নারীদের পরিবারের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে ২ কোটি পরিবারকে নিয়মিত অর্থ দেওয়া যেমন বিশাল কর্মযজ্ঞ, তেমনি এর সঠিক বাস্তবায়নও বড় পরীক্ষা। ফ্যামিলি কার্ড শেষ পর্যন্ত দরিদ্র মানুষের হাতে নিয়মিত সহায়তার নিশ্চয়তা হয়ে উঠবে, নাকি বাছাই ও বাস্তবায়নের দুর্বলতায় হারিয়ে যাবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

কালের আলো/এম/এএইচ

দিনাজপুরে চাকরির সুযোগের নতুন দুয়ার, মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে জব ফেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
দিনাজপুরে চাকরির সুযোগের নতুন দুয়ার, মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে জব ফেয়ার

একদিকে চাকরির অপেক্ষায় হাজারো তরুণ, অন্যদিকে দক্ষ জনবল খুঁজছে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠান। এই দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরির লক্ষ্যে দিনাজপুরের বিরামপুরে এক মঞ্চে মিলিত হতে যাচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৮০টি প্রতিষ্ঠান ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে আগামী মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিরামপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী ‘জব ফেয়ার দিনাজপুর ২০২৬’।

  • দিনাজপুরে চাকরির সুযোগের নতুন দুয়ার, মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে জব ফেয়ার
  • তরুণদের কর্মসংস্থানে নতুন উদ্যোগ, বিরামপুরে জব ফেয়ার ২৭ অক্টোবর
  • নিবন্ধন করেছেন ১৬ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থী, প্রত্যাশা ২০ হাজারের
  • দেশি-বিদেশি প্রায় ৮০ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি, স্পট ইন্টারভিউ, তাৎক্ষণিক নিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব

আয়োজকদের তথ্য বলছে, ইতোমধ্যে ১৬ হাজার ৩ জন চাকরিপ্রত্যাশী নিবন্ধন করেছেন। মেলায় প্রায় ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এতে উৎপাদন, সেবা, ব্যাংকিং, আর্থিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যপ্রযুক্তি ও উন্নয়ন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য থাকবে সরাসরি সাক্ষাৎকার বা স্পট ইন্টারভিউ, তাৎক্ষণিক নিয়োগের সুযোগ এবং ক্যারিয়ার ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক পরামর্শ। মেলাটির বিশেষত্ব শুধু চাকরির সুযোগ সৃষ্টি নয়; বরং স্থানীয় তরুণদের যোগ্যতা ও সম্ভাবনাকে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে তুলে ধরার একটি কার্যকর ক্ষেত্র তৈরি করা। এর মাধ্যমে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের চাকরিপ্রত্যাশীরা নিজ এলাকায় থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।

এক মঞ্চে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
জব ফেয়ার দিনাজপুর ২০২৬-এ আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, আর্থিক প্রযুক্তি, ওষুধ, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ ও আবাসন খাতের প্রতিষ্ঠান অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। আয়োজকদের তথ্য মোতাবেক, আন্তর্জাতিক ও উন্নয়ন খাত থেকে অংশ নেবে ইউনিসেফ, ডব্লিউএফপি, কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল, সেভ দ্য চিলড্রেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, ব্র্যাক, উদ্দীপন ও আরডিআরএস। শিল্প, ভোগ্যপণ্য ও বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মধ্যে রয়েছে প্রাণ, আরএফএল, বসুন্ধরা গ্রুপ, স্কয়ার, বেক্সিমকো গ্রুপ, ওয়ালটন, এসিআই, মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ, লিরা গ্রুপ, কাজী ফার্মস ও নাবিল গ্রুপ। ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রযুক্তি খাত থেকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিকাশ, নগদ, পূবালী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও ইউসিবির। ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে থাকবে ইনসেপ্টা, একমি ল্যাবরেটরিজ, হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইউনিমেড ইউনিহেলথ, নুভিস্তা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং নর্দার্ন ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হসপিটাল।

এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, পরিবহন, আবাসন ও অন্যান্য সেবা খাত থেকে রবি আজিয়াটা, পাঠাও, ব্রেইন স্টেশন ২৩, নূর টেলিকম, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, এইচএল রিয়েল এস্টেট, অঞ্জনা, শিক্ষা ২.০ ও কমুরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কর্মক্ষেত্রের পরিসর বিস্তৃত করবে। তাঁরা নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন এবং চাকরির বাজারের চাহিদা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাবেন।

চাকরির পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব
বর্তমান চাকরির বাজারে শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান, যোগাযোগের দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা ও পেশাগত প্রস্তুতির গুরুত্ব বাড়ছে। এ বাস্তবতায় জব ফেয়ারে ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক পরামর্শের ব্যবস্থা তরুণদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

মেলায় অভিজ্ঞ পরামর্শকদের কাছ থেকে কর্মসংস্থান উপযোগী ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং সমকালীন চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নের দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে। এতে কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন তরুণদের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে চাকরি খুঁজছেন, এমন প্রার্থীরাও উপকৃত হতে পারেন। একই সঙ্গে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও সরাসরি প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের সুযোগ পাবে। ফলে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার মধ্যে প্রচলিত দূরত্ব কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে মেলাটি ভূমিকা রাখতে পারে।

উত্তরাঞ্চলের তরুণদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
রাজধানী ও বড় শিল্পকেন্দ্রের বাইরে চাকরির তথ্য পাওয়া, নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগ অনেক চাকরিপ্রার্থীর জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এ অবস্থায় বিরামপুরে এমন একটি আয়োজন স্থানীয় তরুণদের সামনে নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরছে। দিনাজপুর-৬ আসনসহ আশপাশের এলাকার চাকরিপ্রার্থীরা নিজ অঞ্চলে থেকেই বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। এতে তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে ধারণা বাড়বে এবং নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা মিলতে পারে।

স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষ জনশক্তির সঙ্গে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ বাড়লে আঞ্চলিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মসংস্থান বাড়লে পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ আরও জোরদার হতে পারে।

কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগে মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনের ভূমিকা
তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা সরকারের ঘোষিত অগ্রাধিকারগুলোর অন্যতম। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে আয়োজিত এই জব ফেয়ার স্থানীয় পর্যায়ে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি কর্মসংস্থানমুখী প্রচেষ্টা হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের সঙ্গে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়োগের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্যারিয়ার পরামর্শের ব্যবস্থা তরুণদের কর্মজীবনের প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করার সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ ধরনের উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী করতে মেলা-পরবর্তী সময়ে নিয়োগপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি, চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আয়োজনটির সুফল আরও বিস্তৃত হতে পারে।

প্রত্যাশা বাস্তব কর্মসংস্থানের
ইতোমধ্যে ১৬ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থীর নিবন্ধন এবং প্রায় ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণের প্রত্যাশা মেলাটিকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রায় ৮০টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরা, নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের পথ খুঁজে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এমন আয়োজনের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাস্তব নিয়োগের সুযোগ পাবেন এবং অন্যরা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য কার্যকর দিকনির্দেশনা অর্জন করবেন বলে প্রত্যাশা অনেকের।

মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উদ্যোগে বিরামপুরে এ আয়োজন দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের তরুণদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে এই সংযোগ কার্যকর হলে সেটি তরুণদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে তাঁদের অবদান বাড়ানোর পথকে আরও সুগম করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

কালের আলো/এমএসএএকে/এমএএএমকে

ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের কয়েকটি ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদরা অংশ নেন। সভায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা এবং কয়েকটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কয়েকটি কমিশন বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব কমিশন থেকে এসেছিল। এ নিয়ে আলোচনায় শেষ পর্যন্ত ছয়টি সংস্থার বিষয় উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, ছয়টি সংস্থার মধ্যে চারটির বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বাকি দুটি সংস্থার বিষয়ে মোটামুটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে কোন ছয়টি সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে সেগুলোর নাম উল্লেখ করেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কমিটির আলোচনায় কোনো বিষয়ে কারও সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, লিখিতভাবে পাওয়া মতামতগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্য থেকে জানা যায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে। কয়েকটি সংস্থার নিয়োগক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাবও সেই উদ্যোগের অংশ।

সংবিধান সংশোধনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রস্তাবে রূপ নেয় এবং কোন কোন সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে, তা কমিটির পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলায় জোর, আন্তর্জাতিক সাফল্যে উন্নত প্রশিক্ষণের তাগিদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলায় জোর, আন্তর্জাতিক সাফল্যে উন্নত প্রশিক্ষণের তাগিদ মন্ত্রীর

একজন তরুণের হাতে মুঠোফোন বা মাদকের বদলে যদি থাকে খেলার সরঞ্জাম, সামনে থাকে নিয়মিত অনুশীলন আর লক্ষ্য থাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব—তাহলে বদলে যেতে পারে তার ভবিষ্যতের গতিপথ। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে সম্ভাবনাময় নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের এমন ভূমিকাই গুরুত্ব পেয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বক্তব্যে। তাঁর ভাষায়, ‘মাদক উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়।’

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ‘জুনিয়র ন্যাশনাল কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে যুবসমাজই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বয়ে আনবে। এদিন, মন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বার্তা—একদিকে মাদক থেকে যুবসমাজকে সুরক্ষা দেওয়া, অন্যদিকে তাদের প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করা।

  • ‘মাদক উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়’—কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে সমাজকল্যাণমন্ত্রী
  • শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান,
  • ৭৯ দলের প্রায় ১,৬০০ প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ

মাদক থেকে দূরে রাখতে চাই বিকল্প ও সম্ভাবনার পথ
তরুণদের মাদকমুক্ত রাখার আলোচনা প্রায়ই সচেতনতা ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তবে মন্ত্রীর বক্তব্যে গুরুত্ব পেয়েছে তরুণদের গঠনমূলক কাজে যুক্ত করার বিষয়টি। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো গেলে শিশু-কিশোর ও তরুণেরা নিজেদের আগ্রহ ও প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্র পাবে।

খেলাধুলা নিয়মশৃঙ্খলা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা এবং লক্ষ্য অর্জনের অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করে। কিন্তু এসব সুফল পেতে শুধু প্রতিযোগিতার আয়োজন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন, দক্ষ প্রশিক্ষক, সহজলভ্য মাঠ ও ক্রীড়া অবকাঠামো এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক পরিচর্যা।

মন্ত্রী বলেন, তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম বাড়াতে পারবে। এ বক্তব্যে মাদক প্রতিরোধের পাশাপাশি তরুণদের দক্ষতা বিকাশ ও ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।

‘নতুন কুঁড়ি’ ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নিয়ে প্রত্যাশা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও সুস্থ ধারায় পরিচালিত করতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশে বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। শিশু-কিশোর ও যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ‘নতুন কুঁড়ি’ এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজন করা হয়েছে। সন্তানদের নিয়মিত খেলাধুলা ও শারীরিক কসরতে উৎসাহিত করতে অভিভাবকদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে পরিবারের উৎসাহের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবার এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু-কিশোরদের জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে ক্রীড়াচর্চায় অংশগ্রহণের পরিসর আরও বিস্তৃত হতে পারে।

দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্ব
মন্ত্রী বলেন, সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি চিন্তা ও কাজের শুরুতেই থাকতে হবে দেশ। তাঁর এই বক্তব্যে তরুণদের ব্যক্তিগত বিকাশের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তরুণদের মধ্যে সহযোগিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্মিলিতভাবে লক্ষ্য অর্জনের অভ্যাস তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

৫৯ ইভেন্টে লড়াই, অংশ নিলেন প্রায় ১,৬০০ প্রতিযোগী
দুই দিনব্যাপী ‘জুনিয়র ন্যাশনাল কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ দেশের ৭৯টি দলের প্রায় ১ হাজার ৬০০ প্রতিযোগী অংশ নেন। মোট ৫৯টি ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন খেলোয়াড়েরা। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইভেন্টের বিজয়ীদের হাতে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন মন্ত্রী। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক জাহিদ পারভেজ চৌধুরী, সোতোকান কারাতে দো ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহাদাত হোসেন এবং বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি শাহজাদা আলম। এ ছাড়া ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়েরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে